মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২০, ১২:২৭ এএম

নীলফামারীতে ঝড়ে বৃদ্ধের ভেঙে পড়া ঘর নির্মাণ করে দিল সেনাবাহিনী

নিজস্ব প্রতিনিধি,নীলফামারী:
প্রকাশিত: ১১:৩৩ অপরাহ্ন, ২২ মে ২০২০, শুক্রবার


নীলফামারীতে ঝড়ে বৃদ্ধের ভেঙে পড়া ঘর নির্মাণ করে দিল সেনাবাহিনী

ছবি : সংগৃহীত ।

ঘুর্ণিঝড় আমফানের প্রভাব ছিল নীলফামারী জুড়ে। এই প্রভাবে বসত ঘর ভেঙ্গে গিয়েছিল ডোমার উপজেলার কেতকীবাড়ি গ্রামের অসহায় বৃদ্ধা মরিয়ম বেগমের। শুক্রবার দুপুরে বৃদ্ধা মরিয়ম বেগমের একটি ঘর নির্মাণ করে দেয় সেনাবাহিনী সদস্যরা।

মরিয়ম বেগম (৭০) আঞ্চলিক ভাষায় প্রতিদিনের কাগজকে বলেন, ঝড়োত মোর (আমার) ঘর ভাঙ্গি মাটিত পড়ি যায়। মোরতো স্বামী-সন্তান কাহো (কেউ) নাই। ঘর ঠিক করার জন্যে চেয়ারম্যানের কাছোত (কাছে) অনেক কাঁন্দাকাটি করিছু। সেনাবাহিনীর ছাওয়ালা (ছেলেরা) মোর ঘর নয়া (নতুন) বানায় দিছে। ওমার (ওদের) আল্লাহ ভালো করিবে।

কেতকীবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান জহুরুল হক দিপু প্রতিদিনের কাগজকে জানান, ঘুর্ণিঝড়ে বৃদ্ধা মরিয়ম বেগমের ঘর ভেঙে যাওয়ার খবর আমি সেনাবাহিনীকে জানাই সকালে। তারা দুপুরে এসে নতুন টিন, বাঁশ কিনে একটি ঘর তৈরী করে দেয়। তিনি জানান, মরিয়ম বেগমের ১০ বছর আগে স্বামী মারা যাওয়ার পর হতে একটি ঘরে একা বসবাস করে আসছে। তার কোন ছেলে মেয়ে নাই।

খোলাহাটি সেনানিবাসের ক্যাপ্টেন তানজিম রহমান প্রতিদিনের কাগজকে জানান, দেশের সকল দূর্যোগ মোকাবেলায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কাজ করে। করোনা মোকাবেলায় আমরা সামাজিক দুরত্ব, সচেতনতাসহ অসহায় দুস্থদের মাঝে খাদ্য ও চিকিৎসা দিয়ে আসছি।

তিনি জানান, কোথায় কি সমস্যা হচ্ছে তা জানতে, জনপ্রতিনিধিদের সাথে সবসময় যোগাযোগ রাখছি।

কেতকীবাড়ি ইউপি চেয়ারম্যান জহুরুল হক দিপু আমাকে ফোন করে জানায়, ঘুর্ণিঝড়ে তার এলাকার এক বৃদ্ধার ঘরে ভেঙে গেছে। সকাল থেকে উপজেলার আড়াই শত অসহায় গরিব মানুষের মাঝে আমরা খাদ্য সহায়তা দেই। আর দুপুরে গিয়ে সেনাবাহিনীর পক্ষে নতুন টিন, বাঁশ কিনে একটি নতুন ঘর তৈরী করে দেই। তিনি বলেন, যেকোন সংকটে আমরা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্যরা পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে প্রস্তুত রয়েছে।

মন্তব্য করুন

সর্বশেষ নিউজ

আরো পড়ুন