শনিবার, ৩০ মে ২০২০, ৩:১৭ এএম

ঔষধ প্রশাসনের অনুমোদন পায়নি এসকেএফের রেমডেসিভির

প্রতিদিনের কাগজ ডেস্ক:
প্রকাশিত: ৮:৪৬ পূর্বাহ্ন, ৯ মে ২০২০, শনিবার


ঔষধ প্রশাসনের অনুমোদন পায়নি এসকেএফের রেমডেসিভির

ছবি : সংগৃহীত ।

দেশের খ্যাতনামা ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান এসকেএফ ফার্মাসিউটিক্যাল লিমিটেড করোনা চিকিৎসায় কার্যকর রেমডিসিভির ওষুধ তৈরি করেছে এবং বাজারজাত করার প্রস্তুতি নিয়েছে বলে খবর বের হলেও কোম্পানিটির এ ওষুধের কোনো স্যাম্পল ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরে জমা পড়েনি। অধিদপ্তর এ ধরনের কোনো ওষুধ বাজারজাতকরণের অনুমোদনও দেয়নি এসকেএফকে।

ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক সালাহ উদ্দিন শুক্রবার রাতে গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে আটটি কোম্পানি এ ওষুধটি নিয়ে কাজ করছে। এরমধ্যে বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস তাদের স্যাম্পল আমাদের কাছে জমা দিয়েছে। আর কোনো প্রতিষ্ঠান কোনো স্যাম্পল জমা দেয়নি। তিনি বলেন, স্যাম্পল জমা দেয়ার পরই চেক করে আমরা বাজারজাতকরণের অনুমতি দিয়ে থাকি। এসকেএফ কোনো স্যাম্পল জমা দেয়নি।

ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক বলেন, এসকেএফ ফার্মাসিউটিক্যালের উৎপাদিত রেমডিসিভির ওষুধ এখনও বাজারজাতকরণের অনুমতি পায়নি। কাজেই এ নিয়ে যে খবর বেরিয়েছে তা সঠিক নয়। যথাযথ প্রক্রিয়ায় ঔষুধ প্রশাসনের অনুমতি নেওয়ার পরও এই ওষুধটি খোলা বাজারে ছাড়তে দেওয়া হবে না। এটা করোনা চিকিৎসার জন্য সরকার অনুমোদিত হাসপাতাল বা ক্লিনিককে কেবল দেওয়া হবে।

প্রসঙ্গত, কোভিড-১৯ রোগের বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি কার্যকারিতা দেখিয়েছে রেমডেসিভির। গিলিয়েড-এর নিজস্ব পরীক্ষায় দেখা গেছে, এই ওষুধ ব্যবহারে রোগীদের অবস্থার উন্নতি হয়েছে। মানুষের শিরায় ইনজেকশন হিসেবে এই ওষুধ প্রয়োগ করতে হয়। রোগের তীব্রতার ওপর এর ডোজ নির্ভর করে। গুরুতর অসুস্থ রোগীদের জন্য ৫ অথবা ১০ দিনের ডোজ প্রয়োজন হতে পারে।

রেমডিসিভিরের প্যাটেন্টের একচেটিয়া অধিকার রয়েছে গিলিয়াড সাইয়েন্সেসের। কিন্তু আন্তর্জাতিক বাণিজ্য আইন অনুযায়ী, বাংলাদেশসহ জাতিসংঘ-স্বীকৃত স্বল্পোন্নত দেশগুলো এসব প্যাটেন্ট অগ্রাহ্য করে ওষুধ প্রস্তুত করতে পারে।

মন্তব্য করুন

খবর অনুসন্ধান