শুক্রবার, ২৯ মে ২০২০, ৩:৩৯ পিএম

রাজশাহীতে করোনা টিমের নারী চিকিৎসককে ফোনে অশালিন ভাষায় গালি-গালাজ

প্রতিদিনের কাগজ ডেস্ক:
প্রকাশিত: ২:৫৯ অপরাহ্ন, ১ এপ্রিল ২০২০, বুধবার


রাজশাহীতে করোনা টিমের নারী চিকিৎসককে ফোনে অশালিন ভাষায় গালি-গালাজ

ছবি: সংগৃহীত

সন্দেহভাজন করোনা রোগীদের চিকিৎসা প্রদানে গত সোমবার রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ১৫ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের মোবাইল নম্বর উন্মুক্ত করা হয়।

নম্বর উন্মুক্তের পর চিকিৎসা পরামর্শ নিতে ফোন করছেন অনেকেই। কিন্তু ফোনগুলো অন্য রোগ সংক্রান্ত হলেও করোনা বিষয়ে ফোন করেননি কেউই। আবার কিছু ফোন কলে নারী চিকিৎসককে অশালিন কথা বলে উত্ত্যক্তের অভিযোগও পাওয়া গেছে।

রজিশাহী মেডিকেল কলেজ কর্তৃপক্ষ সূরে জানা যায়, সোমবার দুপুর থেকে মঙ্গলবার রাত ৮টা পর্যন্ত দুই শতাধিক ব্যক্তি রামেকের করোনা ভাইরাস নির্ণয় ও চিকিৎসা প্রদানের জন্য গঠিত চিকিৎসক কমিটির কাছে ফোন করে। যার অধিকাংশই করোনা সংশ্লিষ্ট নয়।

কমিটির আহ্বায়ক ও মেডিসিন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. আজিজুল হক আজাদ জানান, মঙ্গলবার রাত ৮টা পর্যন্ত তার নম্বরে ফোন করেছেন ১১০ জন। যাদের একজনও করোনা নয় বরং অ্যাজমা, সাধারণ সর্দি, জ্বর, বুকে ব্যথাসহ অন্যান্য সমস্যা নিয়ে কল করেছেন। অনেকে আবার খোশগল্প করার জন্যও ফোন দিচ্ছেন বলে জানান তিনি।

করোনা ভাইরাস বিষয়ে পরামর্শ দিতে নিজের ফোন নম্বর উন্মুক্ত করে বিপাকেই পড়েছেন নারী চিকিৎসক শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. নাজনীন পারভিন। তার অভিজ্ঞতায় বলেন, ২০টি ফোনকল রিসিভ করে মাত্র ৫ জনকে পেয়েছেন যারা কোনো অসুখ নিয়ে কথা বলেছেন। বাকিরা উত্ত্যক্ত করার অভিপ্রায়ে আজেবাজে কথা বলেছেন। বিষয়টি রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) অধ্যক্ষকে অবহিত করেছেন বলেও জানান তিনি।

ডা. নাজনীন পারভীন বলেন, ‘এরপরেও আমি আমার দায়িত্ব পালনের লক্ষ্যে এক মুহূর্তের জন্যও ফোন বন্ধ করিনি।’

অন্যরা কেউই ফোনকলের নির্দিষ্ট সংখ্যার হিসাবে রাখেননি। অন্য ডাক্তারদের মধ্যে জহুরুল হক আনুমানিক ২০টি, সৈয়দ মাহবুব আলম ১০-১২টি, হারুন অর রশীদ ৪-৫টি, আখতারুল ইসলাম ৬-৭টি, নাজনীন পারভীন ২০টি, সেলিম খান ৭-৮টি, আমজাদ হোসেন প্রাং সোমবার ৮-১০টি ও মঙ্গলবার ১৫-১৬টি এবং সিদ্দিকুর রহমান ৩-৪টি ফোনকল পেয়েছেন।

মন্তব্য করুন

খবর অনুসন্ধান

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১

সর্বশেষ নিউজ

আরো পড়ুন