১৫, ডিসেম্বর, ২০১৯, রোববার

সময় এসেছে জনপ্রিয় তরুণদের আ’লীগের কমিটিতে স্থান দেবার-

মোঃ ইউনুস আলী, লালমনিরহাট প্রতিনিধি ::
প্রকাশিত: ১:০২ পূর্বাহ্ন, ১ ডিসেম্বর ১৯ , রোববার

নিউজটি পড়া হয়েছে ৫৪ বার

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার সাবেক ছাত্রনেতা ও ইউনিয়ন আওয়ামিলীগের সফল সভাপতি মজিবুল আলম সাদাত একজন মেধাবী, পরিশ্রমী, কর্মিবান্ধব ও ত্যাগী আওয়ামী পরিবারের সন্তান। ১৯৯৪ সালে ৬ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়াকালীন সময় থেকে ছাত্র রাজনীতি এবং ২০১১ সাল থেকে আ’লীগের রাজনীতিতে তিনি সক্রিয়ভাবে জড়িত। যার পূর্বপুরুষ নির্মম নির্যাতনের শিকার হয়ে গত হয়েছেন মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ও বঙ্গবন্ধুর সহচর হওয়ায় কারণে। একদল বিপদগামী লোক ১৫ই আগষ্ট বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা ও ৩রা নভেম্বর চার নেতাকে হত্যার পর যখন সারা দেশে বঙ্গবন্ধুর বিশ্বস্ত  সহচর জনপ্রীয় নেতাদের খুজে বের হত্যা করা শুরু করেন। তারি ধারাবাহিকতায় তার দাদা মজিবর রহমানকেও ১৪ই নভেম্বর নির্মম ভাবে হত্যা করা হয়।

ইতিপুর্বে মজিবুল আলম সাদাত ইউনিয়ন, কলেজ, ও উপজেলা পর্যায়ের ছাত্রলীগের গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকে সফলতার সহিত ছাত্ররাজনীতি অতিক্রম করায়, উপজেলা জুড়ে রয়েছে তার ব্যাপক জনপ্রিয়তা। যারা আ’লীগের স্থানীয় ও জাতীয় রাজনীতিতে ব্যাপক ভুমিকা রাখে। সরব উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায় উপজেলার সকল রাজনৈতিক প্রোগ্রামে। ছাত্ররাজনীতিতে তার সফলতা, কর্মিবান্ধব ও জনপ্রিয়তা ফল স্বরুপ তাকে সরাসরি মুলদলের রাজনীতিতে দ্বায়িত্ব নেয়ার আহবান জানান তৃণমুলের নেতাকর্মীরা। ফলে গত ২০১১ সালের পাটিকাপাড়া ইউনিয়নের আ’লীগের ত্রিবার্ষিকী সম্মেলনে মজিবুল আলম সাদাত বিপুল ভোটে সভাপতির নির্বাচিত হন। তার যোগ্যতার সেরা প্রমাণ তিনি দিলেন গত কয়েকদিন আগে অনুষ্ঠিত ঐ ইউনিয়ন আ’লীগের সম্মেলনে। ইউনিয়ন রাজনীতিতে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বীতা না করলে তার স্ত্রী শাহানা ফেরদৌসী সীমাকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সভাপতি নির্বাচিত করেন আ’লীগের নেতাকর্মীগণ। উপজেলা ১২টি ইউনিয়ন আ’লীগের সম্মেলনের মধ্যে একমাত্র মজিবুর রহমান সাদাতের স্ত্রী পাটিকাপাড়া ইউনিয়নে আ’লীগের সভাপতি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন।

এখন মজিবুল আলম সাদাত স্বপ্ন দেখেন উপজেলায় আ’লীগের রাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব নিয়ে সংগঠনটি আরও আধুনিক ও গতিশীল করে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়নে এগিয়ে যেতে। আ’লীগের রাজনীতির অনেক নেতাকর্মী মনে করেন মুজিবুল আলম সাদাতকে উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ পদের দায়িত্ব দিলেও তিনি তা সফলতার সহিত পালন করতে পারবেন। তাই ইতিমধ্যে তাকে উপজেলা রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ পদে দ্বায়িত্ব দেয়ার জন্য অনেকেই তার গুনকির্তি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লেখালেখি শুরু করছেন।

মজিবুল আলম সাদাত ২রা ডিসেম্বর ১৯৮২ সালে হাতীবান্ধা উপজেলার পাটিকাপাড়া ইউনিয়নের সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, হাতীবান্ধা উপজেলা আ’লীগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ও পাটিকাপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের প্রথম ও সাবেক চেয়ারম্যান মরহুম মজিবর রহমানের নাতি। তার বাবা মা শামিম আরা বেগম শরিফা ছিলেন ঐ ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান এবং বাবা শফিউল আলম রোকন বর্তমান সফলতার সহিত চেয়ারম্যানের দ্বায়িত্ব পালন করছেন। তিনি পার্শ্ববর্তী ডাউয়াবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মরহুম জিন্নাহ আলম এর ভ্রাতুষ্পুত্র। মজিবুল আলম সাদাত যে একজন পরিক্ষিত রাজনৈতিক পরিবারের দক্ষ সন্তান তা বলার অপেক্ষা রাখেনা।

যার যোগ্য ও সঠিক নেতৃত্বে পাটিকাপাড়া ইউনিয়ন আ’লীগ এগিয়েছে শৌর্য ও বীর্যে উন্নয়নের অকল্পনীয় ধারায়। তাই সময় এসেছে তাকে দলে যোগ্যতম স্থানে পদ দেবার।

মজিবুল আলম সাদাতকে হাতীবান্ধা উপজেলা আ’লীগের সম্মানজনক পদে অধিষ্ঠিত করা হলে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়নে শতভাগ সফল হবে বলে মনে করেন অনেকেই।

এবিষয়ে কথা হলে মজিবুল আলম সাদাত বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনা এবারে আ’লীগের কেন্দ্রীয় কাউন্সিলকে কেন্দ্র করে প্রতিটি ওয়ার্ড, ইউনিয়ন, উপজেলা কমিটি গুলোকে ঢেলে সাজানোর নির্দেশনা দিয়েছেন। নির্দেশ দিয়েছেন পরিক্ষিত, নির্যাতিত, নিপিড়ীত এবং তৃণমূল থেকে উঠে আসা নেতৃত্বদানকারী ব্যক্তিকে সঠিক যায়গায় স্থান দেয়ার। তাড়ি ধারাবাহিকতায় উপজেলা আ’লীগের কমিটিতে তিনি গুরুত্বপূর্ণ পদ পাবার যোগ্যতা রাখেন বলে জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রতি তার অগাধ  বিশ্বাস। যে নেতৃত্ব বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে অগ্রনী ভুমিকা পালন করবে।

মন্তব্য করুন

খবর অনুসন্ধান

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১  

সর্বশেষ নিউজ

আরো পড়ুন

Shares