১৪, নভেম্বর, ২০১৯, বৃহস্পতিবার

রাজনীতির আড়ালে হারিয়ে যাচ্ছে অসংখ্য মেধাবী

প্রতিদিনের কাগজ :
প্রকাশিত: ৩:৪৪ অপরাহ্ন, ১৪, নভেম্বর, ২০১৯, বৃহস্পতিবার

নিউজটি পড়া হয়েছে ০ বার
Ashna-Araf

কি সুন্দর দেখতে মুখশ্রী!
ভয়ংকর মেধাবী তারা
ভয়ংকর মেধাবী।
কি নিষ্পাপ ভাব চেহারায়।

অথচ নোংরা রাজনীতির আড়ালে হারিয়ে গেলো ১১ টি উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ। ১১ টি বাংলাদেশ। তাদের সাথে হারিয়ে গেলো ১১ টি পরিবারের সম্মান। মোট ২২ জন পিতামাতা হারালেন ভরসা। ভেঙে গেলো সবার স্বপ্ন।

রাজনীতি যার সংজ্ঞা বলে যে এই নীতিতে রাষ্ট্রের নিয়মকানুন শিখানো হয়। এই নীতিতে রাষ্ট্র সম্পর্কে জ্ঞান দান করানো হয়। এই নীতি একটি দেশ ও জাতি গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। রাজনীতি একটি দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, গ্রহণযোগ্য এবং আস্থাশীল একটি অঙ্গ হওয়া উচিত যেখানে থাকবে অসীম দেশপ্রেম, জনগনের সুযোগ সুবিধা নিয়ে চুক্তি, দেশের রক্ষা এবং দেশের সম্পদের রক্ষণাবেক্ষণ। যেখানে দেশ ও রাষ্ট্র নিয়ে মানুষ সচেতন থাকবে। দেশের প্রতিটা ইঞ্চির প্রত্যেক মানুষের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার উদ্যোগ গ্রহন করা হবে। পথশিশু থেকে শুরু করে গণভবন পর্যন্ত যে সকল শিশু থাকে তাদের প্রত্যেককে রাষ্ট্রীয় অধিকার সমানভাবে ভোগ করার নীতি প্রদান করা হবে।

রাজনীতিবিদরা হবে রাজার মতো। সব বিলিয়ে দিবে তার রাজ্যের সুখের জন্য। প্রজার সন্তুষ্টির জন্য। রাজনীতিবিদরা হবে বিচক্ষণ, সুবিচারক এবং দেশের শান্তিরক্ষায় নিয়োজিত এক একটা ঢাল।

আফসোস!
তারা এমন না। বাংলাদেশের রাজনীতি এখন কলুষিত। বিশ্ববাসীর কাছে নর্দমার চেয়েও নোংরা।

এখানে রাজনীতিতে ছোটোদেরকে ব্যবহার করা হচ্ছে। তাদের বোধোদয় জাগ্রত হওয়ার আগেই ক্ষমতার অপব্যবহার করছে তারা। মানুষকে বাঁচানোর জন্য যে ক্ষমতা তাদের দেওয়া হয় সে ক্ষমতা তারা মানুষ মারতে ব্যবহার করছে। তাদের বেশিরভাগই মারছে অজান্তে। ক্ষমতা দিয়ে মানুষের মন জয় করার জায়গাহ তারা অমানুষ বলে স্বীকৃতি পাচ্ছে।

কিসের এই নোংরা রাজনীতি? ছাত্র রাজনীতি?
কিসের?

তারা বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে পড়ালেখা করতে আসে। মানুষ হতে আস। বাবা মায়ের সাথে নিজের স্বপ্ন পূরন করতে আসে। তাদেরকে কোনো বাবা মা রাজনীতি করতে পাঠান না। তাদেরকে কোনো বাবা মা অমানুষ হওয়ার জন্য বলেন না। রাজনীতিতে এসে উগ্র হতে বলেননা।

তারপরেও তারা রাজনীতি করে। কেনো করে? তাদেরকে রাজনীতি করতে দেয় কে? দলে বা সংগঠনে নেয় কে? নিলেও কার অনুমতিতে? তাদের বাবা মায়ের অনুমতি নিয়ে?

না, কখনোই না।
শিক্ষাঙ্গনে শুধু শিক্ষাই থাক। রাজনীতি না।
উঠন্ত মেধা রিসার্স করবে। দেশ বিদেশে নিজের আর দেশের সুনাম বয়ে আনবে। ছাত্রজীবন উপভোগ করবে। রাজনীতিতো শেষ বয়সেও করা যায়। এর বয়স নেই। ছাত্রজীবন বারবার আসে না। এটাকে কাজে লাগানো উচিত। শিক্ষাঙ্গনে রাজনীতি না।

ছাত্ররাজনীতি উগ্র হয়ে যাচ্ছে। মানুষ নয় অমানুষে পরিনত হচ্ছে এক একজন। তাদেরকে জন্য লজ্জিত হচ্ছে তাদের পরিবার, সমাজ, দেশ এবং পুরো জাতি। ছাত্র রাজনীতি বন্ধ হোক।

রাজনীতির আড়ালে এভাবে মেধার অবক্ষয় হতে পারেনা। মেধা বিকশিত হোক। দেশ আর জাতির জন্য সম্মান বয়ে আনুক।

লেখাঃ আশনা আরাফ।

মন্তব্য করুন

খবর অনুসন্ধান

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০  

সর্বশেষ নিউজ

আরো পড়ুন

Shares