১৫, ডিসেম্বর, ২০১৯, রোববার

মাদক, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে, বললেন প্রধানমন্ত্রী

পবিত্র সরকার, স্টাফ রিপোর্টার :
প্রকাশিত: ৩:২৫ অপরাহ্ন, ৩ নভেম্বর ১৯ , রোববার

নিউজটি পড়া হয়েছে ৪ বার

জেল হত্যা দিবস উপলক্ষে রোববার রাজধানীর কৃষিবিদ ইস্টিটিউট মিলনায়তনে আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় দলীয় সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ কথা বলেন। রাজাকার, আলবদর, স্বাধীনতাবিরোধী, দুর্নীতিবাজ ও খুনিরা যাতে আর কখনও রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসতে না পারে সেজন্য দেশবাসীকে সজাগ থাকার আহ্বান জানান তিনি।

শেখ হাসিনা বলেন, খন্দকার মোশতাকের নির্দেশে জাতীয় চার নেতাকে হত্যা করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় কারাগারে অস্ত্র নিয়ে ঢোকা যায় না। কিন্তু, তারা অস্ত্র নিয়ে ঢুকেছিল। গণভবন থেকে সেই নির্দেশ দেয়া হয়েছিল। বলা হয়েছিল, যেভাবে ঢুকতে চায়, সেভাবেই যেন ঢুকতে দেয়া হয়।

বিএনপির সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘৭১ সালে পাকিস্তানি বাহিনী যে ঘটনা ঘটিয়েছে ২০০১ সালে সে ঘটনা আবারও হয়েছিল। দুর্নীতিতে পাঁচবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। মানুষের ওপর অত্যাচার হয়েছে। দীর্ঘ সময় দেশের সেবা করতে পেরেছি বলে দেশে উন্নয়ন হয়েছে। মৃত ব্যক্তিকেও খালেদা জিয়া প্রমোশন দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপির অবরোধ এখনও বহাল, তারা এখনও উঠায়নি। হরতাল দিয়েছে, অগ্নি সংযোগ করেছে, বাসে আগুন দিয়েছে, লঞ্চে আগুন দিয়েছে। এসব হামলায় অনেক মানুষ মারা গিয়েছে।
খালেদা জিয়াকে দেখে অনেকের মায়াকান্না। আমরা যারা ‘৭৫ সাল থেকে স্বজন হারা বেদনা নিয়ে আছি আমাদের জন্য কি মায়া লাগে না।

শেখ হাসিনা বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট স্বপরিবাওে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা এবং ৩ নভেম্বও কারাগারে জাতীয় চার নেতাকে হত্যাকাণ্ড ছিল স্বাধীনতার বিরুদ্ধে গভীর চক্রান্ত। ৭৫ থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত জনগণের কোনো অধিকার ছিল না। যারা মুক্তিযুদ্ধ করেছিল সেই সব সেনা সদস্যদেও টার্গেট করে হত্যা করেছিল জিয়াউর রহমান। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে রক্তপাত, শিক্ষার্থীদের হাতে অস্ত্র তুলে দিয়েছিলেন তিনি।

স্বাধীনতাবিরোধী চিহিৃত রাজাকারদেও রাজনীতি করার সুযোগ দিয়েছিল জিয়া। আর তার স্ত্রী খালেদা জিয়া রাজাকারদের গাড়িতে জাতীয় পতাকা দিয়েছিলেন। বিএনপি নেতাদের সমালোচনা করে শেখ হাসিনা বলেন, দলটির চেয়ারপারসন দুর্নীতির দায়ে কারাগারে। যাকে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন করা হলো সেও একজন পলাতক দণ্ডপ্রাপ্ত আসামী। অন্য একজন নেতাও পাওয়া গেল না যাকে চেয়ারপারসন করা যায়। বিএনপি নেতাদের মেরুদণ্ড ও আত্মসম্মানবোধ নেই বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সাাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল মোস্তাফিজুর রহমান একজন মুক্তিযোদ্ধা হলেও খালেদা জিয়া তার প্রতি চরম অসম্মান আচরণ করেছেন। সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে তাকে চিকিৎসা নিতে দেননি তিনি।
আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, মোহাম্মদ নাসিম, সাহারা খাতুন, মাহাবুব উল আলম হানিফ, জাহাঙ্গীর কবির নানক, কথা সাহিত্যিক আনিসুল হক সভায় বক্তব্য রাখেন।

মন্তব্য করুন

খবর অনুসন্ধান

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১  

সর্বশেষ নিউজ

আরো পড়ুন

Shares