১৭, জানুয়ারী, ২০২০, শুক্রবার

বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধির প্রস্তাব বাতিলের দাবিতে সাধারণ মানুষের শতষ্ফূর্ত অংশগ্রহণ

নিউজ ডেস্ক :
প্রকাশিত: ৬:৪২ অপরাহ্ন, ৯ ডিসেম্বর ১৯ , সোমবার

নিউজটি পড়া হয়েছে ৩১ বার
বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধির প্রস্তাব বাতিলের দাবিতে সাধারণ মানুষের শতষ্ফূর্ত অংশগ্রহণ

বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধির প্রস্তাব বাতিলের দাবিতে আজ ৯ই ডিসেম্বর সকালে মালিবাগ মোড় হোসাব টাওয়ারের সামনে শত শত মানুষ শতষ্ফূর্তভাবে গণস্বাক্ষরে অংশগ্রহণ করেছেন। সকাল ১১টায় বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক এসোসিয়েশন ও সাধারণ নাগরিক সমাজ এর উদ্যোগে গণস্বাক্ষর সংগ্রহ শুরু হয়। বেলা ২টা পর্যন্ত দেখা যায় ১,২১১ জন সাধারণ মানুষ বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধির প্রস্তাব বাতিলের দাবিতে শতস্ফূর্তভাবে স্বাক্ষর করেন। আজ তৃতীয় দিনে কর্মসূচির শুরুতে সংগঠনের সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, আমরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি।

আপনাদের স্বাক্ষর সংগ্রহ করে আপনাদের মতামত সরকারের কাছে পৌঁছাতে চাই। সরকার নিশ্চই জনগণের মতামতের মূল্যায়ন করবেন। লাইফ লাইনে সুবিধা দেওয়া কথা বললেও নাগরিকরা প্রকৃতপক্ষে সে সুবিধা পাচ্ছে কিনা তার তদন্ত হওয়া উচিত। কতিপয় দুর্নীতিবাজ আর লুটেরাজের জন্য বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধি করা মোটেও সমচিন হবে না। তাই সরকারের উচিত কমিশনকে বলা আনিত প্রস্তাব বাতিল করা হোক। কর্মসূচিতে বাংলাদেশ কর্মসংস্থান আন্দোলনের চেয়ারম্যান মোঃ দেলোয়ার হোসেন তার কর্মী বাহিনী নিয়ে সহায়তা করেন। তিনি বলেন, রপ্তানীখাত এমনিতেই প্রতিযোগিতায় টিকতে পারছে না। নতুন করে বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধি করলে দেশের শিল্পে উৎপাদনের ব্যাপক ব্যাঘাত ঘটবে।

সেই সাথে জীবন যাত্রার ব্যয় অসহনীয় হয়ে পড়বে। অংশ নিয়ে আব্দুল মজিদ গাজী নামে একজন সাধারণ নাগরিক বলেন সরকার বিদ্যুৎ কোম্পানীর কাছে জিম্মি হয়ে যাচ্ছেন। রুমি নামে একজন নারী বলেন পিঁয়াজ সিন্ডিগেটের পর বিদ্যুৎ সিন্ডিগেট করে জীবন যাত্রার দুর্বীসহ করার পায়তারা করছে সয়ং সরকার। মোঃ ফরিদ হোসেন বলেন দফায় দফায় বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধি নাগরিকদের উপর নির্যাতন ছাড়া কিছুই না। তাহমিদ বলেন ঢাকায় ম্যাসে থাকি, ম্যাসের মালিক বলে দিয়েছেন জানুয়ারি থেকে বিদ্যুতের দাম বাড়লে ম্যাসের ভাড়াও বেশি দিতে হবে।

রফিকুল ইসলাম নামে চতুর্থ শ্রেণীর সরকারি একজন কর্মকর্তা বলেন যে বেতন পাই তা দিয়ে এখন ছেলে-মেয়ে নিয়ে আর সংশার চালানো যাচ্ছে না। আবার বিদ্যুতের দাম বাড়লে সৎভাবে থাকা কঠিন হয়ে যাবে। মুক্তিযোদ্ধা অলিউর রহমান বলেন, লুটেরাদের কাছ কাছে অর্থকরি তুলে দেয়ার জন্য দেশ স্বাধীন করি নাই। কেউ কেউ আয়োজক সংগঠনের প্রতি অনুকম্পা দেখিয়ে বলেন কষ্ট করছেন, কাগজ নষ্ট করেছেন এই আরকি। সরকার যদি জনগণের কথা বুঝতো তাহলে এই প্রস্তাব অনকে আগেই বাতিল করার নির্দেশ দিতেন। মোঃ ইব্রাহিম নামে একজন ফুটপাতে কাপড় বিক্রেতা বলেন, পিঁয়াজের দাম বাড়ার ফলে মন্ত্রীরা বলছে পিঁয়াজ খাইয়েন না, এবার হয়তো বলবে বিদ্যুৎ না ব্যবহার করে অন্ধকারে থাকেন। এরপর কাপড়ের দাম বাড়লে বলবে কাপড় ছাড়াই থাকেন।

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, মুঠোফোন গ্রাহক এসোসিয়েশনের সদস্য জোয়ারদার, মোস্তফা, রাজ্জাক, গ্রীণ পার্টির চেয়ারম্যান রাজু আহমেদ খানসহ বিভিন্ন পেশাজীবী ব্যাক্তিবর্গ।

মন্তব্য করুন

খবর অনুসন্ধান

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০৩১  

সর্বশেষ নিউজ

আরো পড়ুন

Shares