১৯, ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, মঙ্গলবার | | ১৩ জমাদিউস সানি ১৪৪০

নৌকায় গাওয়া 'ভাটি' অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী লোক-সঙ্গীত ভাটিয়ালি গান

 সৃষ্টিশীল যা কিছু দৃশ্যমান, তার সবকিছুই প্রবহমান। আর এই চলমানতাই যেন জীবনের বৈশিষ্ট্য। মানুষ একদিনেই কোনো কাজের সফলতা কিংবা দক্ষতা অর্জন করতে পারেনা। তাই তাদের 'দক্ষতা' লাভের পেছনেই রয়েছে দীর্ঘ দিনের অভ্যাস আর অনুশীলন। 'পরিশ্রম এবং উদ্যম' ছাড়া কোনো কাজে সফলতা লাভ করা যায় না। "বিজ্ঞানী নিউটন" বলেন, ''আমার আবিষ্কারের

লোকজ বাদ্যযন্ত্রকে উপজীব্য করে গ্রামীণ মানুষের নিবিড় সম্পর্কের ইতিহাস

সুজল-সুফলা শস্য শ্যামলা আবহমান গ্রাম বাংলার মাটি ও মানুষের 'প্রিয় কবি' বা পল্লী কবি জসীম উদ্দীন এবং জীবনানন্দ দাশের অনেক কবিতায় গ্রামের জনজীবনের শাশ্বত রঙিন রূপের অবয়বকেই যুক্ত করে সুগভীর নান্দনিকতায় সমসাময়িক জীবন চিত্রের বিভিন্ন রূপরেখা সময়ের নাগর দোলায় দুুুুলিয়ে যেন মানবআত্মায় বাদ্যযন্ত্রের ঝংকারে এক স্পন্দনের আবহ ফুটিয়েছিল। গ্রামীণ বৈচিত্র্যের

বিএনপি গত কয়েক মাস যাবত ভুল করছে না’

‘বিএনপি গত কয়েক মাস যাবত তেমন কোনো ভুল করছে না। এর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে এতো প্রতিবন্ধকতা সত্ত্বেও বিএনপি নির্বাচনের মাঠে লেগে আছে। এগুলো বিএনপির ভুল না করার রেকর্ড অনেক উজ্জ্বল করছে। তাদের কোনো দাবিই আওয়ামী লীগ মেনে নেয়নি, তারপরও তারা ভোটের মাঠে আছে।’সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশনের সরাসরি টক-শো অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ

বিএনপি নির্বাচন করতে চাওয়ায় চাপে আ.লীগ-জাপা : দিলারা চৌধুরী

রাজনৈতিক বিশ্লেষক দিলারা চৌধুরী বলেছেন, বিএনপি নির্বাচনে আসায় জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগ একটু বেকায়দায় পড়েগেছে। জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ অসুস্থ হয়ে সিএমএইচে গেছেন। গতবার নির্বাচনেও এমন হয়েছিলো। রাজনৈতিক দলগুলোর আসন ভাগাভাগি বিষয়ে বিবিসি বাংলাকে তিনি এ কথা বলেন।দিলারা চৌধুরী বলেন, আওয়ামী লীগ থেকে জাতীয় পার্টিকে যে আসনগুলো

সংলাপের ‘সংবিধানসম্মত’ রূপরেখা

সরকারের দাবিকৃত, ‘সংবিধানসম্মত’ উপায়েই জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সাত দফা দাবি মানা সম্ভব। এভাবে এই ‘সংবিধানসম্মত’ রূপরেখার মধ্যে থেকেই একটি অবাধ, সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন করা যায়।‘সংবিধানসম্মত’ এই রূপরেখায় সাত দফার ভিত্তিতে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের লক্ষ্যে সরকারের পদত্যাগ, জাতীয় সংসদ বাতিল, সব রাজনৈতিক দলের সাথে আলোচনাসাপেক্ষে নির্বাচনকালীন নির্দলীয় নিরপেক্ষ

গ্রামের একটি তৃণমূল বীরের বাদ্যযন্ত্র নিয়েই আত্ম কাহিনী

এ পৃথিবীতে যুগে পর যুগে কিছু মানুষের সৃষ্টি হয়, তারা অনেকেই কোটি কোটি টাকায় করে ভোগ-বিলাস। আবার গড়েও তুলে ধন-সম্পদ এবং বাড়ি-গাড়ি। কিন্তু এমনও কিছু বিকল্প চিন্তা চেতনার মানুষকে খোঁজে পাওয়া যায়, জীবনে তার তেমন কোনকিছুর মোহ নেই, নেই তার নূন্যতম মনের ইচ্ছা পূরণের বৃহৎ উচ্চাকাঙ্খা। জীবন সঠিক পথে পরিচালনার

পেশাদার নাকি পোষাদার সাংবাদিক, কাদের কল্যাণে এই টাকা?

একেই বলে লাউগাছের শিকড় কেটে উপরের লতায় পানি ঢালা। প্রশ্ন হলো, এই পানি পান করবে কারা? কার বা কাদের কল্যাণে এই ২০ কোটি টাকা ব্যয় হবে?১৯৯৯ সাল থেকে পেশাদার সাংবাদিক হিসেবে কাজ করছি। ১৯ বছরে পেশাদারিত্বের ঝুলিতে জমেছে অনিশ্চয়তা, তিক্ততা আর হয়রানির শত ঘটনা। আগের দিন অফিস করে পরদিন তালা

ঘুণপোকার ঘনঘটা

সিদ্ধান্তটা নেয়ার পর থেকেই শরীরে কেমন একটা আলসেমিতে ভরে গিয়েছে নিসাদের। একটু হালকা হালকা লাগছে ভেতরে ভেতরে। নিসাদ খুনটা করবে বলে মনস্থির করলো। ঘাড় ঘুরিয়ে দেয়াল ঘড়িটা দেখল। রাত পৌনে এগারোটা। গতকাল সন্ধ্যার পর থেকেই সিদ্ধান্ত হীনতায় ভুগছিল নিসাদ। গতকাল রাত থেকে আজ বিকাল অবদি সিদ্ধান্তে, "না" ছিল। হঠাৎ রাহেলা

বৃহত্তর জাতীয় ঐক্য : ঐ নতুনের কেতন ওড়ে কালবোশেখীর ঝড়ে

কথায় বলে, History repeats itself, অর্থাৎ ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ঘটে। কথাটি সব সময় সর্বক্ষেত্রে খাটে না। কিন্তু অনেক সময় অনেক ক্ষেত্রেই খাটে। গত ২২ সেপ্টেম্বর মহানগরী নাট্যমঞ্চে বৃহত্তর জাতীয় ঐক্য ঘোষণা উপলক্ষে যে দৃশ্য দেখা গেল সেই দৃশ্য দেখে আবার নতুন করে মনে হচ্ছে যে, ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ঘটছে। ২৩ সেপ্টেম্বর রবিবার

নতুন জোটের ৫ ও ৯ দফাঃ বিএনপি পাঁকে পড়েছে: ব্যাঙেও

কথায় বলে যে হাতি পাঁকে পড়লে নাকি বাঙেও লাথি মারে। বিএনপির এখন হয়েছে সেই দশা। রাজনীতির অঙ্গনে বিএনপি অবশ্যই একটি হাতি। সেকথা আঁটি ভেঙে শাঁস দেওয়ার অবকাশ রাখে না। কিন্তু সেই বিএনপি পাঁকে পড়েছে। তাদের অবিসংবাদিত নেতা বেগম খালেদা জিয়াকে ৫ বছর জেল দেওয়া হয়েছে। তাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে

পাগলপন্থী কৃষক বিদ্রোহঃ জনগণের সার্বভৌমত্ব

‘বাংলাদেশের স্বাধীনতা’ আন্দোলন সম্পর্কে অনেকেরই ধারণা এখন পর্যন্ত স্বচ্ছ নয়, অনেক ঘটনা যাদের ঐতিহাসিক গুরুত্ব রয়েছে কালের আবর্তে সে সময়কার ইতিহাসের ঘটনার উজ্জল পাতাগুলো বিবর্ণ হয়ে জাতীয় জীবন থেকে খসে পড়েছে।        ১৭৫৭ খ্রিষ্টাব্দে পলাশীর আ¤্রকাননের যুদ্ধে নবাব সিরাজদ্দৌলার শোচনীয় পরাজয়ের পর দেশের সর্বময় শাসনভার চলে যায় ইংরেজ শক্তির হাতে।

বিশ্বের ১'শ ব্যক্তির মধ্যেই প্রতিমন্ত্রী পলককে রাজনীতিবিদ ক্যাটাগরিতে মূল্যায়ন

বাংলাদেশের সাংবিধানিক নামের এইদেশ, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ। এমন এই দেশ সুুুজলা-সুফলা, শস্য-শ্যামলা, মাছে-ভাতের নদী মাতৃক দেশ। এমন দেশের সঙ্গে আবার যুক্ত হয়েছে ডিজিটাল বাংলাদেশ। সুতরাং এমন এই ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যেই বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার উঠে পড়েই লেগেছে। বলতে বাধা নেই এই দেশ, একটি উন্নয়নশীল দেশ। এইদেশে শিক্ষার হার উন্নত

বারবার ফিরে আসে 'ঈদ'

ঈদ আরবি শব্দ। আসলে এর অর্থটাই হচ্ছে ফিরে আসা। এমন এই দিনকে ঈদ বলা হয়, এই জন্য যে মানুষ বারবার একত্রিত হয় এবং সাধ্যমতো যার যা উপার্জন তা নিয়েই আনন্দ উৎসব করে। বলা যায়, একে অপরের প্রতি হিংসা বিদ্বেষ ভুলে। তাই ঈদকে দ্বারাই মহান আল্লাহ তাঁর বান্দাকে নিয়ামাত কিংবা অনুগ্রহে

বঙ্গবন্ধুকে হত্যার প্রধান মাষ্টার মাইন্ড ছিলেন জিয়া- অপু উকিল

সর্বকালের শেষ্ঠ বাঙ্গালি স্বাধীন বাংলা অভূদ্বয়ের নায়ক জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানকে নির্মমভাবে স্বপরিবারে হত্যার মূল ষড়যন্ত্রকারী বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার সেই কালো রাতে জিয়া সেদিন খুনিদের সাথে অস্ত্রহাতে দানবীয়রূপে ধানমন্ডির বাড়িতে উপস্থিত না থাকলেও সর্ম্পূর্ণ পরিকল্পনা জানতেন এবং সরাসরি পরিকল্পনার সাথে যুক্ত ছিলেন। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার  প্রধান

জলের সৌন্দর্য জলজ ফুল

বাংলাদেশের অধিকাংশ ভূমিই সমতল প্লাবনভূমি। এ দেশে রয়েছে বহু নদী-নালা, খাল-বিল আর হাওর-বাঁওড়। এসব জলজ পরিবেশে যেসব ফুলগাছ জন্মায় সেগুলোর প্রায় সবই বাংলাদেশ আর ভারতের নিজস্ব উদ্ভিদ। এ অঞ্চলের জল-হাওয়া আর মৃত্তিকায় এদের উৎপত্তি ঘটেছে। সে কারণেই এরা আমাদের একেবারে নিজস্ব ফুল। এদের কোনো কোনো ফুলের শোভা মনোমুগ্ধকর।জলজ উদ্ভিদ দু’রকমের।

মুসলমানদের উপর ইংরেজ - বৃটিশ শাসন-নীতির ফল

ভারতের মধ্যে বাংলাদেশ প্রথম ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীর হস্তগত হয় এবং এই দেশটি একশত বৎসর কোম্পানীর ও নব্বই বৎসর বৃটিশ শাসনাধীনে ছিল। ভারতীয় উপমহাদেশের অনান্য প্রদেশ অপেক্ষা বাংলাদেশ বেশিদিন ইংরেজ শাসনের অভিজ্ঞতা লাভ করে। বাংলা প্রদেশের উপর বৈদেশিক শাসনের প্রভাব ও প্রতিক্রিয়া বেশি হইয়া ছিল। বাংলার মুসলমানগণ ছিল শাসক। সাড়ে পাঁচশত

দেশের মানুষ আমাকে যথেষ্ট সম্মান করেন এমপি হয়ে আমি সেই

চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেতা ইলিয়াস কাঞ্চন। ১৯৭৭ সালে ‘বসুন্ধরা’ ছবির মাধ্যমে তার রুপালী পর্দায় অভিষেক। এরপর আর নায়ক কাঞ্চনকে পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি। একের পর এক হিট ছবি দিয়ে দর্শক হৃদয়ে পোক্ত জায়গা করে নিয়েছেন। অভিনয় দিয়েই একাধিকবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, বাচসাস, একুশে পদকে ভূষিত হয়েছেন ইলিয়াস কাঞ্চন। তিনি শুধু অভিনেতাই

ছপাতি শাহ পাগলপন্থি ফকিররের স্ব-স্বাধীন রাজ্য স্থাপনের পরিকল্পনা

বিখ্যাত ফকির আন্দোলনের নায়ক ফকির মজনু শাহ এর(নবাব নূরউদ্দিন বাকের মোহাম্মদ জঙ্গ বাহাদুর) অন্যতম সহযোগী ও ব্রিটিশ বিরোধী পাগলপন্থী আন্দোলনের জনক করম শাহ পাগলপন্থী ফকির (বাল্য নাম চাঁদ গাজী / চাঁন খা গাজী)। তার প্রথমা স্ত্রীর গর্ভজাত সন্তান ছপাতি শাহ। পাগলপন্থীদের গাজীবংশের শেষ জমিদার শের আলী গাজীর দৌহিত্র ছপাতিশাহ পাগলপন্থী ফকির। পাগলপন্থীর জনক করমশাহ্ এর

দুই দেশ, দুই দল, দুই পরিবার বিএনপি আর মুসলীম লীগের

পাকিস্তানের এখন অন্যতম বড় দল হচ্ছে নওয়াজ শরীফের মুসলিম লীগ। কিছুদিন আগে ক্ষমতাচ্যুত হয়েছেন তিনি । এখন মেয়ে মরিয়মসহ কারাবন্দী। পাক আদালত দুর্নীতির দায়ে তাদেরকে দন্ড দিয়েছে। এর আগে আদালত তাকে রাজনীতিতে অযোগ্য করেছে। তিনি আর রাজনীতি ও নির্বাচন করতে পারবেন না।তারপরই পানামা পেপার্স দুর্নীতি মামলায় তাকে দশ বছর আর

মন্ত্রীদের বেতন মোবাইল খরচ বা প্রাডো কেনার খরচ আমি দেবো

আমি বাংলাদেশের একজন ট্যাক্স-ভ্যাট পেয়িং নাগরিক হিসাবে আমার ট্যাক্সের টাকার পূর্ণ হিসাব রাখতে চাই।এমন একটা সিস্টেম চাই, যেখানে আমার বছরব্যাপী ভ্যাট এবং ট্যাক্সের টাকা কোন কোন খাতে ব্যয় হবে, তা নির্ধারণ করার সম্পূর্ণ ক্ষমতা থাকবে আমার। এই ফ্যাসিস্ট রাষ্ট্রের কোনো মন্ত্রী-মিনিস্টারের বেতন, মোবাইল খরচ বা প্রাডো কেনার খরচ আমি দেবো