১৯, ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, মঙ্গলবার | | ১৩ জমাদিউস সানি ১৪৪০

কলকাতার নিউটাউনে দুই বাংলার শিল্পীদের সুর ও ছবিতে রবীন্দ্র-নজরুল!

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষ্যে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম স্মরণে দুই বাংলার শিল্পীদের অংশগ্রহনে অনুষ্ঠিত হচ্ছে রবীন্দ্র-নজরুল উৎসব- 'সীমানা ভুলে এক সুরে, রবীন্দ্র-নজরুলে' অনুষ্ঠান। নজরুলতীর্থে (নিউটাউন) দুদিনব্যাপী এ অনুষ্ঠানটি হবে আগামী ২৩ ও ২৪ ফেব্রুয়ারি। অনুষ্ঠানটির আয়োজন করছে ছায়ানট কলকাতা।সোমঋতা মল্লিকের পরিকল্পনা ও পরিচালনায় দুই

ভালোবাসার দিন আজ

ভালোবাসার দিন আজ'আমার আপনার চেয়ে আপন যে জন/খুঁজি তারে আমি আপনায়/আমি শুনি যেন তার চরণের ধ্বনি/আমারি পিয়াসী বাসনায়।' কবি নজরুলের এই আবেগমাখা অনুভূতি আজ ছুঁয়ে আছে কোটি কোটি মানুষের হৃদয়। মনের মনিকোঠায় আজ আলোর নাচন। বহুদিনের সুপ্ত বাসনাগুলো আজ ঠিকরে বেরিয়ে আসতে করছে উথালপাতাল। প্রিয় মানুষটার চোখে চোখ রেখে বলতে

চারুকলায় বসন্ত বরণের রজতজয়ন্তী

বাঙালির জাতীয় জীবনে বসন্তের উপস্থিতি আদিকাল থেকেই। কবিতা, গান, নৃত্য আর প্রকৃতির রঙই যেন বসন্ত উৎসবের প্রধান অনুষঙ্গ। চারুকলার বকুলতলা মানেই বসন্ত বরণের উৎসব। আর প্রতিবছর এখানেই এই উৎসবের আয়োজন করে আসছে জাতীয় বসন্ত উৎসব উদযাপন পরিষদ। যদিও চারুকলার শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণেও অনেক ধরনের অনুষ্ঠান হয়ে থাকে।এ বছর বকুলতলায় বসন্ত বরণ

হৃদয়ে অশ্রুবর্ষণ

চিত্ত মোর কিঞ্চিত নীল অজানা হেতুতে ,জানিনা হয়েছে কি অমিল মোর মনের বসুন্ধরাতে ।আজ স্বর্গের সরণিতে যাইবার কালে,হঠাৎ অম্বরে নামিয়া পড়িল ঘন কৃষ্ণ বলাহক। কমল যে মোর সামনে আসিয়া করিল রাজপথে বৈঠক ।কমল মোর কান্ত সেই কান্তর কলত্র মুই, পথ হয়েছে কলঙ্ক যেই কান্তের সাথে শুভদৃষ্টির তরেই ।প্রসূন যেন প্রস্ফুটিত হইবেই ।কি হইলো কিন্ঞ্চিত সাক্ষাতে ?রিদয়ে হইয়াছে অশ্রুবর্ষণ তারি

নলিনীকান্ত ভট্টশালীর মৃত্যুবার্ষিকী আজ

ঢাকা জাদুঘরের (বর্তমানে বাংলাদেশের জাতীয় জাদুঘর) প্রতিষ্ঠাতা কিউরেটর নলিনীকান্ত ভট্টশালীর ৭২তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ বুধবার। জাদুঘরের এ প্রতিষ্ঠাতা ১৯৪৭ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকা জাদুঘরের বাণী কুটিরে মারা যান।ড. নলিনীকান্ত জীবনের মূল্যবান সময় ব্যয় করে গড়ে তোলেন ঢাকা জাদুঘর। ঢাকা জাদুঘরই আজ বাংলাদেশের জাতীয় জাদুঘর।তিনি মুন্সীগঞ্জ জেলার টঙ্গিবাড়ি উপজেলার নয়ানন্ধ গ্রামের নানাবাড়িতে

নবাব সিরাজউদ্দৌলার পতনের মূলে ছিল চার বাঙালি

এক মুসলিম নবাব প্রাণপণে চেষ্টা করলেন বাংলা বাঁচাতে। অপরদিকে হিন্দু প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বরা ক্রমাগত সাহায্য করে গেল ইংরেজদের। ফলাফল প্রথমে ইংরেজ বাহিনীর কলকাতা দখল এবং পরে বাংলা দখল। ২ জানুয়ারি ১৭৫৭, এমন দিনেই কলকাতা পুনর্দখল করে ইংরেজরা। এরপর পলাশির যুদ্ধে কলকাতা এবং বাংলাকে পরিপূর্ণভাবে দখলে এনেছিল ব্রিটিশরা। বিশ্বাসঘাতকতার সৌজন্যে প্রভাবশালী রায়দুর্লভ

কল্পনা তুই আমার কল্পনা

একদিন, অপেক্ষায় থাকবো সেইদিন, তুই আসবি তোর হাত ধরে হাঁটবো স্বর্গের পথে, মিষ্টি সুবাসে দু'জন মিলে ভালবাসায় ভাসব। পথ শেষ, একটু দূরেই ওই পাহাড়, আঁকব তোকে নিয়ে রংতুলির কত বাহার। যদি কখনো, ফুরিয়ে যায় সব প্রেম তবে আসিস, দিয়ে দিব সব উজার করে থাকবে না আর হেম। তুই কি আমার শাহজাহান  ? নবাব সিরাজউদৌল্লা !তবে, আমিই তোর মমতাজ আর

‘স্বপ্ন পাড়ি’

নীল আকাশে তাকিয়ে দেখি মেঘের কত খেলা দেখছো নাকি দেখছো খুকি রংধনুর ওই মেলা !সাদা টিপ ঢেকে আছে ওই আকাশেতে দেখা তো যায় না তাকে মেঘেরি কারণেতে ,এক টুকরো মেঘ দেখো করছে কত হেলা হচ্ছে দেখো হচ্ছে আবার কত রকম ভেলা। কখনো দেখো ঘোড়া সাজছে কখনো আবার গাড়ি যাবে নাকি যাবে খুকি মেঘেদের ওই বাড়ি! তোমায় নিয়ে দেব

পল্লী কবি জসীমউদ্দীনের ১১৬তম জন্মদিন আজ

পল্লী কবি জসীমউদ্দীনের ১১৬তম জন্মদিন আজ। ১৯০৩ সালের আজকের এ দিনে ফরিদপুরের সদর উপজেলার তাম্বুলখানা গ্রামে জসীমউদ্দীন জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা আনসার উদ্দিন মোল্লা ছিলেন স্কুলশিক্ষক। মা আমিনা খাতুন ওরফে রাঙাছুট।ছোটবেলা থেকেই কবি সাহিত্য চর্চা শুরু করেন। তিনি ফরিদপুর ওয়েলফেয়ার স্কুল ও ফরিদপুর জেলা স্কুলে অধ্যয়ন করেন। ১৯২৯ সালে কলকাতা

কাজ চলছে কিশোরদের জন্য লেখা নজরুলের ৫১টি কবিতার সংকলন

ছায়ানট (কলকাতা) এর উদ্যোগে, কোয়েস্ট ওয়ার্ল্ড থেকে প্রকাশিত, সোমঋতা মল্লিকের পরিকল্পনা ও পরিচালনায়, 'ইতি নজরুল', 'ঝিঙে ফুল', এবং সাম্প্রতিক অডিও অ্যালবাম 'জানা-অজানা নজরুল' এর সাফল্যের পর, এখন কাজ চলছে কাজী নজরুল ইসলামের কিশোরদের জন্য লেখা ৫১টি কবিতার সংকলন। এছাড়াও ছায়ানট (কলকাতা) আয়োজিত আগামী নজরুল মেলাতে প্রকাশিত হতে চলেছে প্রবাসে নজরুলচর্চা

সমসাময়িক চেতনায় সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীতে শেখ হাসিনার সামাজিক উন্নয়ন

কাজের পরিকল্পনার চেয়ে কাজে লেগে যাওয়ার গুরুত্বটাই অনেক বেশি। তাই ভাবনা-বাহুল্যের প্রয়োজন নেই প্রয়োজনীয়তা হলো কর্মের সাফল্য কিংবা অর্জন। সুতরাং যাকে ভাবতে হবে, তা কাজে রূপদান করে সে ভাবনাকেই সার্থক করতে হবে। প্রাচীন শাস্ত্রে রয়েছে,- ''কর্মহি সত্যমেব জীবন'' অর্থাৎ কর্মের মধ্যেই সকল মানব জীবনের সাফল্যের বীজ নিহিত। সে জন্য কাজ

ঠাকুরগাঁওয়ে আলোকচিত্র প্রদর্শনীতে দেশের পাশাপাশি স্থান পেয়েছিল ‘বিদেশি ছবি’

ঠাকুরগাঁও ফটোগ্রাফিক সোসাইটির পাঁচদিন ব্যাপী ‘আলোকচিত্র প্রদর্শনী’ শেষ হয়েছে। এই আলোকচিত্র প্রদর্শনীতে এবার বাংলাদেশের পাশাপাশি স্থান পেয়েছিল ভারত, ড্রেনমার্কসহ বেশ কয়েকটি দেশের ছবি। দেশের বিভিন্ন স্কুল-কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়সহ সব বয়সের আলোকচিত্রীদের তোলা ১০৪টি ছবি এই প্রদর্শনীতে স্থান পায়।  মুক্তিযুদ্ধ, দেশীয় ঐতিহ্য, জীবন, প্রকৃতিসহ নানা বিষয়ের ওপর ছবি প্রদর্শনীত হয়। এসব আলোকচিত্র দেখার জন্য

শুধুই আমাকে ভালবাসবে

ওগো অচিন দেশের রাজ কুমারীকি ভেবোছো তুমি? আমি এতো সহজেই কি তোমাকে ভুলে যাবো?একনো তো চিতায় পোড়া বাকি।কি ভেবেছো তুমি আমি তোমাকে মনে করিনা?বিশ্বাস করো তোমাকে আমি রোজ শত কোটিবার মনে করিআমাকে যে সৃষ্টি করেছে তাকে ও আমি এত বার জপি না আমি যতোবার যপি তোমারই নাম।আমি বেছে আছি এখনো মরি

জনপ্রিয় কথা সাহিত্যিক অধ্যাপক ননী গোপাল সরকারের দুইটি বই আসছে

নেত্রকোণার বিখ্যাত কথা সাহিত্যিক সাংস্কৃতিক ও সাংগঠনিক ব্যাক্তিত্ব অধ্যাপক ননী গোপাল সরকারের এবারের বইমেলায় আসছে ১৪টি মনোমুগ্ধকর গল্পনিয়ে ৩য় গল্পগ্রন্থ "হৃদয়ের পুস্পপাতে-৩" এবং ভাষা আন্দোলন ও স্বাধীনতা কেন্দ্রিক ৫২ টি কবিতার সমন্বয়ে ৫ম কাব্যগ্রন্থ "এক দিনের বাহান্ন কবিতা"।বই দুটির প্রচ্ছদ এঁকেছেন অনিরুদ্ধ পলল এবং প্রকাশিত হচ্ছে বিভাস প্রকাশন থেকে।"একদিনের বাহান্ন

হুমায়ূন আহমেদের ৭১তম জন্মদিন আজ

বাংলা গদ্যের জাদুকর এবং সবচেয়ে জনপ্রিয় লেখক হুমায়ূন আহমেদের ৭১তম জন্মদিন আজ। ১৯৪৮ সালের এই দিনে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। ২০১২ সালের ১৯ জুলাই বাংলা সাহিত্যের এই কিংবদন্তি যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে মারা যান।হুমায়ূন আহমেদের ৭১তম জন্মদিন পালন উপলক্ষে বিভিন্ন সংগঠন, প্রতিষ্ঠান নানা কর্মসূচির আয়োজন করেছে।স্কুলজীবনে হুমায়ূন আহমেদকে পিতার চাকরি স্থলে কুমিল্লা, সিলেট,

আমার মনের বনে

আমার মনের বনে কোন পাঁপিয়া গান করেকরুন সুরে দিবানিশি যায় ডেকে যায় নাম ধরেপথ হারিয়ে কোন বনে সে যায় ছুটেআমার মনের বনের শিউলি বকুল যায় শুখিয়েযায় ঝড়ে।নাম অজানা লতা পাতায় যায় ছেয়ে যায় মনের বনেহাজার পাখি নীড় হারিয়ে নীড় খুজে পায় এই বনেকোথায় আমার চেনা পাখি কোথায় উড়ে কোন ঠিকানায়মাতাল

সরকারের দীর্ঘ সময়েই শিক্ষা উন্নয়নের বাস্তবায়ন ও পরিকল্পনা

শিক্ষা বা জ্ঞানই মানুষের জীবন ধারণ ও উন্নতির জন্যে প্রধানতম সহায়ক বা নিয়ামক। একদা গুহা বাসী আদিম মানব আজ যে বিস্ময়কর সভ্যতার বিকাশ ঘটিয়েছে তার পেছনেই রয়েছে মানুষের যুগ যুগান্তরের অর্জিত জ্ঞান এবং অর্জনের প্রক্রিয়া। সেই প্রক্রিয়ার নামই শিক্ষা। তাই শিক্ষাকে জাতির মেরুদণ্ড বা শিক্ষা জাতির উন্নতির পূর্বশর্ত। মেরুদণ্ড ছাড়া

নিরবতা -সৈয়দা শাম্মী রাব্বানী

দিবা শেষে রাত্রি নিরবতাশশীর আলো স্নিগ্ধ কোমলতা,পৃথিবীময় অপার নিস্তব্ধ শীতলতাক্ষুধার্ত মানুষের কষ্ট বাড়ায় নিরবতা।নিশীথ অবনী অতন্দ্র কাটায়, সেথায় নিরবতাধনী কুলে থাকে প্রীতিলতাহিং¯্র প্রাণী খুঁজে কখন হবে নিরবতাহরিৎ বন ঘুমিয়ে যায় রাতের নিস্তব্ধতা।সাধু সন্ন্যাসী অলি কুল ধ্যানে মগ্ন-চায় নিরবতাঅপরদিকে রক্ত পিপাসু-রা খুঁজে নিরবতা,ঐ প্রকন্ডো সূর্য যখন সমূদ্রো গহ্বরে যায় অস্তাচলে, সেথায়

বৈচিত্র্যপূর্ণ শীতঋতু, গ্রামে চলছে প্রাণোচ্ছলতার আয়োজন খেজুর রস

হেমন্তের শেষেই শীতঋতুর আগমন, শীতের কনকনে ঠান্ডায় বাঙালির প্রথমেই স্মৃতিপটে ভেসে উঠে যেন খেজুর গাছের মিষ্টি রস।আবহমান বাংলার চাষীরা সে রসে নিজেকে ডুবিয়ে নেয়ার নান্দনিক দৃশ্য না দেখলে বাঙালির ইতিহাস, ঐতিহ্য একেবারেই বৃথা। হেমন্তের ফসল ঘরে উঠার পরপরই প্রকৃতির মাঝে এক ধরনের শূন্যতা বিরাজ করে, সেই শূন্যতার মাঝে আসলেই এমন

নিঃসঙ্গ আমি

লেখক: সাবরিন টুম্পা