সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, ৯:৩৮ এএম

ময়মনসিংহ জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানে বিরুদ্ধে অভিযোগের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

স্টাফ রিপোর্টার:
প্রকাশিত: ৫:২৩ অপরাহ্ন, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২০, শনিবার


ময়মনসিংহ জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানে বিরুদ্ধে অভিযোগের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

ছবি : সংগৃহীত

ময়মনসিংহ জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অধ্যাপক ইউসুফ খান পাঠান তার বিরুদ্ধে পরিষদের ২০ জনের মধ্যে ১৭ জন সদস্য গত ৯ সেপ্টেম্বর অনিয়ম, দূর্ণীতি, স্বেচ্ছাচারিতা, অশালীন আচরন, আত্বীয়করণ এবং প্রকল্প গ্রহনে একক সিন্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়ার অভিযোগ আনা হয় ।

শনিবার ১২ সেপ্টেম্বর দুপুরে ময়মনসিংহ প্রেসক্লাবে তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগের প্রতিবাদে সংবাদ সন্মেলনে অধ্যাপক ইউসুফ খান পাঠান বলেন, তার বিরুদ্ধে প্রতিটি অভিযোগ মিথ্যা বানোয়াট বলে অভিহিত করেন।

সংবাদ সন্মেলনে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বলেন জেলা পরিষদের প্রায় ৬শ প্রকল্প রয়েছে আমি চ্যালেঞ্জ দিয়ে বলছি কোথাও কোন দূর্নীতি হয়নি। কেউ তা প্রমান করতে পারবে না। তিনি আরো বলেন,আমি সবচেয়ে বেশী ভোটে নির্বাচিত হয়েছি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাকে মনোনয়ন দিয়েছেন। এরপর থেকেই আমার বিরুদ্ধে একটি চক্র নানা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। তিনি তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগের সকল প্রশ্নের উত্তর উপস্হিত সাংবাদিকদের কাছে উপস্হাপন করেন।

তিনি বলেন, শহরের পাটগুদাম মন্দির ভাঙ্গা নিয়ে একটি মহল নোংরা রাজনীতি করছে। ঐ মন্দিরে আমি ২ লাখ টাকা বরাদ্দ দিয়েছি।

একটি প্রকল্পে বারবার অর্থ বরাদ্ধ নিয়ে বিরোধীদের প্রশ্নের উত্তরে বলেন, জেলা পরিষদের ডাকবাংলা ৪২শতাংশ জায়গার উপর নির্মিত। দীর্ঘদিনের ডাকবাংলা নির্মানে ৪৫ লাখ টাকা দরকার। পূর্বের চেয়ারম্যান এড. জহিরুল হক খোকা ৩০ লাখ টাকা রেখে গেছেন। আমার সময় ১২ লাখ টাকা বরাদ্ধ রাখা হয়েছে। এখানে স্বচ্ছতার কোন অভাব নেই।

মুজিব বর্ষের জন্য মেম্বারদের একটি প্রকল্প তৈরীর জন্য বলা হলে উনারা ৭কোটি টাকার প্রকল্প গ্রহন করেন । কেক কাটা অনুষ্ঠানের জন্য প্রতিজন সদস্য ২ লাখ টাকা করে দেওয়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করে। তাদেরকে ১লাখ টাকা করে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। ১৫ ই আগস্ট উপলক্ষে জেলা পরিষদ কাচারী মসজিদ মাদ্রাসার এতিমদের নিয়ে অনুষ্ঠান করেছে।

তিনি স্বজন প্রীতির অভিযোগকে মিথ্যা বলে অভিহিত করেন। জেলা পরিষদে লটারির মাধ্যমে টেন্ডারের কাজ বন্টন হয়। এখানে গোপনীয়তার কিছু নেই। তারাকান্দায় একটি দুতলা মার্কেট নির্মান করে ২৫ লক্ষ টাকা সাশ্রয় করে জেলা পরিষদের ফান্ডে জমা করেছি।

তিনি বলেন, আজ আমি তৃপ্ত সংবাদ সন্মলেন উপলক্ষে আমি সাড়ে তিন বছরের উন্নয়ন তুলে ধরতে পেরেছি। আমার জীবনে এটা শ্রেষ্ঠ সময় বলে উল্লেখ করেন চেয়ারম্যান অধ্যাপক ইউসুফ খান পাঠান।

মন্তব্য করুন

সর্বশেষ নিউজ

আরো পড়ুন