মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২০, ৫:০২ এএম

ইউএনও ওয়াহিদাকে প্রয়োজনীয় সব চিকিৎসা দেওয়া হবে, জানালেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক :
প্রকাশিত: ১:২৫ অপরাহ্ন, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২০, রোববার


ইউএনও ওয়াহিদাকে প্রয়োজনীয় সব চিকিৎসা দেওয়া হবে, জানালেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ছবি : সংগৃহীত

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ওয়াহিদা খানমের চিকিৎসার প্রয়োজেনে যা দরকার হবে, তার সব দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। ইউএনও ওয়াহিদার চিকিৎসার ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সার্বক্ষণিক খোঁজ রাখছেন বলেও জানান তিনি।

আজ রোববার সকালে রাজধানীর ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরো সায়েন্সেস ও হাসপাতালে ইউএনও ওয়াহিদা খানমকে দেখতে গিয়ে সাংবাদিকদেরকে এ কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

ইউএনও ওয়াহিদার চিকিৎসা বিষয়ে জাহিদ মালেক বলেন, ‘তার চিকিৎসার প্রয়োজনে যা যা দরকার, তার সবই দেওয়া হবে।

তিনি বলেন, ‘ইউএনও ওয়াহিদা আমার সঙ্গে কথা বললেন। আমার কাছে মনে হয়েছে উনি এখন অনেক ভালো অবস্থায় আছেন। উনার আঘাতপ্রাপ্ত স্থানে ৮ জন ডাক্তার আড়াই ঘণ্টা ধরে সফলতার সঙ্গে অপারেশন করেছেন। এখন রোগী অনেকাংশে ভালো আছেন।’

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘উনার ডান দিকের অংশটা এখনো অবশ আছে। ডাক্তাররা বলেছেন ফিজিক্যাল থেরাপি দিলে আস্তে আস্তে এটা ভালো হয়ে যাবে। এ রকম একটা জটিল রোগীকে সফলতার সঙ্গে নিউরো সায়েন্স চিকিৎসা দেওয়ায় আমরা গর্বিত। প্রধানমন্ত্রী নিজেও এ রোগী সম্পর্কে সবসময় খবর রাখছেন।’

তিনি বলেন, ‘আগামীকাল সকালে ৭২ ঘণ্টা শেষ হবে। এখনো ইনফেকশনের লক্ষণ দেখা যায়নি। দোয়া করি, ইনফেকশন যেন না হয়। আমি নিজ চোখে দেখে আসছি, রোগী সুন্দর ব্যবস্থাপনায় আছেন এবং সবকিছু ভালোভাবে চলছে। এখন রোগী যে পর্যায়ে আছে, তাতে দেশের বাইরে যাওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই। ভবিষ্যতে যদি প্রয়োজন হয়, তখন সেটা সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’

উল্লেখ্য,গত বুধবার রাত ৩টার দিকে দুর্বৃত্তরা ঘোড়াঘাট উপজেলা পরিষদ চত্বরে ইউএনও ওয়াহিদা খানমের সরকারি বাসভবনে প্রবেশ করেন। ‘হত্যার উদ্দেশ্যে’ তারা ইউএনও ওয়াহিদা খানম ও তার বাবা ওমর আলীকে কুপিয়ে ও হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করে গুরুতর জখম করেন।

বৃহস্পতিবার সকালে আহত বাবা-মেয়েকে প্রথমে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে ইউএনও ওয়াহিদাকে বিমানবাহিনীর হেলিকপ্টারে ঢাকায় আনা হয়। তিনি এখন ঢাকার আগারগাঁওয়ে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্স ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তার বাবা রংপুর মেডিকেল কলেজে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।

মন্তব্য করুন

সর্বশেষ নিউজ

আরো পড়ুন