মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২০, ৫:২০ এএম

বিএসএমএমইউ’র প্রতিবেদন নিয়ে যা বললেন ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী

নিজস্ব প্রতিবেদক :
প্রকাশিত: ৭:৫৬ অপরাহ্ন, ১৯ জুন ২০২০, শুক্রবার


বিএসএমএমইউ'র প্রতিবেদন নিয়ে যা বললেন ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী

ফাইল ফটো

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র উদ্ভাবিত করোনা শনাক্তের অ্যান্টিবডি কিট নিয়ে ঔষধ প্রশাসনের দ্রুত সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছেন বলে জানিয়েছেন ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী।

এর আগে বুধবার গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের উদ্ভাবিত করোনা শনাক্তের কিট কার্যকর নয় বলে জানায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর ৩০ এপ্রিল গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রকে বিএসএমএমইউতে কিটের কার্যকারিতা পরীক্ষার অনুমতি দেয়। বৃহস্পতিবার বিএসএমএমইউর প্রতিবেদন হাতে পায় গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র।

এরপর শুক্রবার এক বিবৃতিতে এর প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, এটা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী। গণস্বাস্থ্যের নামকরণ করে দিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু নিজেই। আবার বঙ্গবন্ধুর নামে নামকরণ করা আরেক প্রতিষ্ঠানের অর্থাৎ বিএসএমএমইউর বিশেষজ্ঞ দল গণস্বাস্থ্যের উদ্ভাবিত কিটের কার্যকারিতার প্রমাণ পেয়েছেন।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘বিএসএমএমইউ (বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়) এর কারিগরী কমিটি কর্তৃক গণস্বাস্থ্য আরএনএ বায়োটেক লিমিটেড এর উদ্ভাবিত অ্যান্টিবডি কিটের সুপারিশের জন্য কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। আশা করি ঔষধ প্রশাসন জরুরীভাবে সার্বিক করোনা পরিস্থিতি বিবেচনায় এনে সুপারিশগুলো বাস্তবায়ন করবেন এবং অতিদ্রুত নিবন্ধন ও বিপণনের অনুমতি দেবেন’।

বিএসএমএমইউ বুধবারের সংবাদ বিবৃতিতে গণস্বাস্থ্যের কিট বিষয়ে জানায়, উপসর্গের প্রথম দুই সপ্তাহে এই কিট ব্যবহার করে শুধু ১১ থেকে ৪০ শতাংশ রোগীর রোগ শনাক্তকরণ সম্ভব।

বিবৃতিতে আরো বলা হয়, তবে যে সমস্ত স্থানে প্রচলিত আরটি পিসিআর পদ্ধতি চালু নেই, অথবা যাদের উপসর্গ থাকা সত্ত্বেও আরটি পিসিআর নেগেটিভ এসেছে, তাদের ক্ষেত্রে কিছুটা সহায়ক।

এ বিষয়ে জাফরুল্লাহ চৌধুরী স্বাক্ষরতি বিবৃতিতে বলা হয়, ‘(কিট) কত শতাংশ কার্যকরি তা বৈজ্ঞাকি আলোচনার বিষয়। কিটের উন্নয়ন একটি চলমান বিষয়। এ বিষয়ে আমরা বিএসএমএমইউ এর ক্রমাগত সহায়তা চাইছি। তারা এন্টিজেন কিটটি দ্রুত পরীক্ষা করে দিক’।

বিবৃতিতে আরো বলা হয়, ‘সতর্ক থাকতে হবে লালফিতা যাতে ক্ষণকাল হরণ করতে না পারে’।

এতে বলা হয়, ‘গণস্বাস্থ্য এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় যৌথভাবে জাতির এক মহাদুর্যোগের দিনে ১৭ কোটি মানুষের জীবনে সরাসরি একটি সুসংবাদ বয়ে এনেছে। সবারই অভিনন্দন প্রাপ্য। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিশ্চয়ই একটা আশা নিয়ে গণস্বাস্থ্যের জন্য কতগুলো বিশেষ ব্যবস্থা নিয়ে দিয়েছিলেন, সেটাও ফলপ্রসূ হয়েছে’।

বিবৃতিতে জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, ‘পত্রিকার মাধ্যমে জানতে পেরেছি, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. মাহবুবুর রহমান বলেছিলেন, ইতিবাচক প্রতিবেদন পেলে তিনি নিবন্ধন দেবেন। এমনকি বিশেষজ্ঞ কমিটিতেও পাঠাবেন না। এটাই যৌক্তিক’।

বিবৃতিতে সবশেষে বলা হয়, আমরা এখন ঔষধ প্রশাসনের দ্রুত সিদ্ধান্তের অপেক্ষায়।

মন্তব্য করুন

সর্বশেষ নিউজ

আরো পড়ুন