শনিবার, ৪ জুলাই ২০২০, ৭:০৯ পিএম

পানিতে তলিয়ে যাওয়া ধান স্বেচ্ছাশ্রমে কেটে দিলেন মাহমুদুল হাসান রতন

বিশেষ প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: ১১:৫১ অপরাহ্ন, ৩০ মে ২০২০, শনিবার


ছবি : সংগৃহীত । ধান কাটছে মাহমুদুল হাসান রতন ও তার সর্মথকরা

পানিতে তলিয়ে যাওয়া পাকা ধান কাটছেন। জুতো পরে নয়, হাঁটু ডুবিয়ে, কোমর পর্যন্ত ভিজে। পাকা ধানে মই দিতে নয়, পরম যত্ন করে ধান কাটছেন মাহমুদুল হাসান রতন ও তার সমর্থকরা। নেত্রকোণার পূর্বধলা উপজেলার বিশকাকুনী ইউনিয়নে গত পাচঁদিন ধরে (ঈদুল ফিতরের পরদিন থেকে) ৩০ মে পর্যন্ত পানিতে তলিয়ে যাওয়া স্বেচ্ছাশ্রমে ধান কেটে দিয়েছেন নেত্রকোণা জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ-গনযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিষয়ক সম্পাদক ও আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী সাংবাদিক মাহমুদুল হাসান রতন ও তার সর্মথকরা। প্রতিদিন ৫০-৬০ জনের একটি দল নিয়ে এ পর্যন্ত পাচঁজন কৃষকের ২০৪ শতাংশ (সাড়ে ২৫ কাঠা) জমির ধান তিনি কেটে দিয়েছেন তিনি।

মাহমুদুল হাসান রতন নেত্রকোণার পূর্বধলা উপজেলার বিশকাকুনি ইউনিয়ন পরিষদে আগামী নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী এবং আওয়ামী লীগ থেকে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী।

জানা যায়, প্রথম দিন গত মঙ্গলবার (ঈদের পরদিন থেকে) তার সমর্থকদের ৫০-৬০ জন নিয়ে নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলার বিশকাকুনী ইউনিয়নের বিষমপুর গ্রামের নায়েব আলীর ৮০ শতাংশ জমির ধান কেটে দিয়েছেন।

দ্বিতীয় দিনের মত বুধবার আরেকজন কৃষকের (ঈদের দ্বিতীয় দিন) তার সমর্থকদের ৩৫-৪০ জন নিয়ে বিশকাকুনী ইউনিয়নের বিষমপুর গ্রামের জোবায়ের হোসেনের ২৪ শতাংশ জমির ধান কেটে দিয়েছেন।

তৃতীয় দিনের মত আরেকজন কৃষকের ৬০ শতাংশ বৃহস্পতিবার (ঈদের তৃতীয় দিন) তার সমর্থকদের ৪০-৫০ জন নিয়ে নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলার বিশকাকুনী ইউনিয়নের বিষমপুর গ্রামের কৃষক নজরুল ইসলামের ৬০ শতাংশ জমির ধান কেটে দিয়েছেন।

চতুর্থ দিনের মত আরেকজন কৃষকের ২০ শতাংশ শুক্রবার (ঈদের চতুর্থ দিন) তার সমর্থকদের ৩৫-৩৬ জন নিয়ে বিশকাকুনী ইউনিয়নের বিষমপুর গ্রামের কৃষক আসন আলীর ২০ শতাংশ জমির ধান কেটে দিয়েছেন।

পঞ্চম দিনের মত আরেকজন কৃষকের ২০ শতাংশ শনিবার (ঈদের পঞ্চম দিন) তার সমর্থকদের ৪৫ জন নিয়ে নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলার বিশকাকুনী ইউনিয়নের পুটিকা গ্রামের আবুল কালাম নামে এক কৃষকের ২০ শতাংশ জমির ধান কেটে দিলেন।

ধান কাটায় বিশকাকুনী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সুভাষ চন্দ্র ধরসহ, শিক্ষক, ছাত্র ও অন্যান্য শ্রেনী পেশার লোকজন অংশ গ্রহন করেন।

জানতে চাইলে মাহমুদুল হাসান রতন বলেন, শ্রমিক সংকটের কারনে পানিতে তলিয়ে যাওয়া ফসলি জমি কৃষকরা কাটতে পারছিলেন না। তাই তাদের এই সংকটময় মুহুর্তে আমি আমার লোকজন নিয়ে ক্ষুদ্র পরিসরে তাদের পাশে দাড়িয়েছি মাত্র।

মন্তব্য করুন

সর্বশেষ নিউজ

আরো পড়ুন