২৩, আগস্ট, ২০১৯, শুক্রবার | | ২১ জ্বিলহজ্জ ১৪৪০


নন্দীগ্রামে মহাসড়কের জায়গা জবরদখলের কারণে সৃষ্টি হচ্ছে যানজট

রিপোর্টার নামঃ নন্দীগ্রাম (বগুড়া) প্রতিনিধি: | আপডেট: ১৫ আগস্ট ২০১৮, ০৭:০৭ পিএম

নন্দীগ্রামে মহাসড়কের জায়গা জবরদখলের কারণে সৃষ্টি হচ্ছে যানজট
নন্দীগ্রামে মহাসড়কের জায়গা জবরদখলের কারণে সৃষ্টি হচ্ছে যানজট

বগুড়ার নন্দীগ্রামে মহাসড়কের জায়গা জবরদখলের কারণে বেশি যানজট সৃষ্টি হচ্ছে। নন্দীগ্রাম উপজেলার কুন্দারহাট বাসস্ট্যান্ড, নন্দীগ্রাম বাসস্ট্যান্ড, ওমরপুর বাসস্ট্যান্ড ও রণবাঘা বাসস্ট্যান্ডের মহাসড়কের জায়গা স্থানীয় প্রভাবশালী ভূমিদস্যুরা জবরদখল করে দোকানঘর ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান স্থাপন করেছে।

এতে মহাসড়কে সীমাহীন যানজট সৃষ্টি হচ্ছে। যে কারণে ওইসব বাসস্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে থাকার মতো তেমন জায়গা নেই বললেই চলে। মহাসড়ক পারাপারেও নানাধরণের সমস্যা সৃষ্টি হয়। সে কারণে সড়ক দূর্ঘনা ঘটেই চলছে। যা দেখার কেউ নেই? এমন প্রশ্ন সরব।

তবুও প্রতিকার নেই। অথচ কুন্দারহাট বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন কুন্দারহাট সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, কুন্দারহাট ইনছান আলী দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়, নন্দীগ্রাম বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন মনসুর হোসেন ডিগ্রী কলেজ, নন্দীগ্রাম টেকনিক্যাল বিএম কলেজ, নন্দীগ্রাম মহিলা ডিগ্রী কলেজ, ওমরপুর বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন ওমরপুর মামদুদুর রহমান চৌধুরী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, ওমরপুর সতীশ চন্দ্র কারিগরি স্কুল এন্ড বিএম কলেজ, রণবাঘা বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন রণবাঘা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ও রণবাঘা দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয় রয়েছে। এইসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীরা প্রতিনিয়ত জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মহাসড়ক পারাপার হয়ে আসছে।

মহাসড়কের জায়গা জবরদখল উচ্ছেদ হলে যানজট সমস্যা অনেকটা নিরসন করা যেত। এতে মহাসড়ক পারাপারেও অনেকটা সুবিধা হতো। দীর্ঘদিন যাবৎ মহাসড়কের জায়গা জবরদখল হয়ে থাকলেও বগুড়া সড়ক ও জনপদ বিভাগ ও উপজেলা প্রশাসন উচ্ছেদ করার  উদ্যোগ গ্রহণ করেনি।

এই বিষয়ে উপজেলা আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভায় ইউপি চেয়ারম্যান প্রভাষক আব্দুল বারী বারেক মহাসড়কের জায়গা জবরদখল উচ্ছেদ করার প্রস্তাব করলেও আজও তা উচ্ছেদ হয়নি। এলাকাবাসী, শিক্ষক ও অভিভাবকসহ ছাত্র-ছাত্রীরা মহাসড়কের জায়গা জবরদখল উচ্ছেদ করে যানজট সমস্যা নিরসনের দাবি জানিয়েছে।

নন্দীগ্রামে মহাসড়কের জায়গা জবরদখলের কারণে সৃষ্টি হচ্ছে যানজট

প্রতিবেদক নাম: নন্দীগ্রাম (বগুড়া) প্রতিনিধি: ,

প্রকাশের সময়ঃ ১৫ আগস্ট ২০১৮, ০৭:০৭ পিএম

বগুড়ার নন্দীগ্রামে মহাসড়কের জায়গা জবরদখলের কারণে বেশি যানজট সৃষ্টি হচ্ছে। নন্দীগ্রাম উপজেলার কুন্দারহাট বাসস্ট্যান্ড, নন্দীগ্রাম বাসস্ট্যান্ড, ওমরপুর বাসস্ট্যান্ড ও রণবাঘা বাসস্ট্যান্ডের মহাসড়কের জায়গা স্থানীয় প্রভাবশালী ভূমিদস্যুরা জবরদখল করে দোকানঘর ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান স্থাপন করেছে।

এতে মহাসড়কে সীমাহীন যানজট সৃষ্টি হচ্ছে। যে কারণে ওইসব বাসস্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে থাকার মতো তেমন জায়গা নেই বললেই চলে। মহাসড়ক পারাপারেও নানাধরণের সমস্যা সৃষ্টি হয়। সে কারণে সড়ক দূর্ঘনা ঘটেই চলছে। যা দেখার কেউ নেই? এমন প্রশ্ন সরব।

তবুও প্রতিকার নেই। অথচ কুন্দারহাট বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন কুন্দারহাট সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, কুন্দারহাট ইনছান আলী দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়, নন্দীগ্রাম বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন মনসুর হোসেন ডিগ্রী কলেজ, নন্দীগ্রাম টেকনিক্যাল বিএম কলেজ, নন্দীগ্রাম মহিলা ডিগ্রী কলেজ, ওমরপুর বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন ওমরপুর মামদুদুর রহমান চৌধুরী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, ওমরপুর সতীশ চন্দ্র কারিগরি স্কুল এন্ড বিএম কলেজ, রণবাঘা বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন রণবাঘা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ও রণবাঘা দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয় রয়েছে। এইসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীরা প্রতিনিয়ত জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মহাসড়ক পারাপার হয়ে আসছে।

মহাসড়কের জায়গা জবরদখল উচ্ছেদ হলে যানজট সমস্যা অনেকটা নিরসন করা যেত। এতে মহাসড়ক পারাপারেও অনেকটা সুবিধা হতো। দীর্ঘদিন যাবৎ মহাসড়কের জায়গা জবরদখল হয়ে থাকলেও বগুড়া সড়ক ও জনপদ বিভাগ ও উপজেলা প্রশাসন উচ্ছেদ করার  উদ্যোগ গ্রহণ করেনি।

এই বিষয়ে উপজেলা আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভায় ইউপি চেয়ারম্যান প্রভাষক আব্দুল বারী বারেক মহাসড়কের জায়গা জবরদখল উচ্ছেদ করার প্রস্তাব করলেও আজও তা উচ্ছেদ হয়নি। এলাকাবাসী, শিক্ষক ও অভিভাবকসহ ছাত্র-ছাত্রীরা মহাসড়কের জায়গা জবরদখল উচ্ছেদ করে যানজট সমস্যা নিরসনের দাবি জানিয়েছে।