১৮, আগস্ট, ২০১৯, রোববার | | ১৬ জ্বিলহজ্জ ১৪৪০


জয়ধ্বনির জয়জয়কার

রিপোর্টার নামঃ প্রতিদিনের কাগজ ডেস্ক | আপডেট: ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ০১:১২ এএম

জয়ধ্বনির জয়জয়কার
জয়ধ্বনির জয়জয়কার


চট্টগ্রাম শহর থেকে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) ক্যাম্পাসের দূরত্ব প্রায় ২৫ কিলোমিটার। আজ থেকে আঠারো বছর আগে যোগাযোগব্যবস্থার অসুবিধা, ধীরগতির ইন্টারনেট—সব মিলিয়ে এই দূরত্বটা বলতে গেলে এর সংখ্যামানের চেয়েও বেশি মনে হতো। শহর থেকে দূরে বলেই হয়তো চুয়েটের ছাত্রছাত্রীরা বঞ্চিত হচ্ছিলেন নানা রকম উৎসব-পার্বণের আনন্দ থেকে। সংস্কৃতির চর্চাটাও যেন ঠিকঠাক হচ্ছিল না। প্রকৌশলবিদ্যায় পড়তে এসে শুধু সংখ্যা আর হিসাব-নিকাশে ডুবে থাকলে বুঝি মনের ক্ষুধা মেটে? অতএব, চুয়েটের শিক্ষার্থীদের কয়েকজন মিলে খুললে ফেললেন একটা সংগঠন। নাম জয়ধ্বনি। এরপর থেকে ক্যাম্পাসের প্রায় চার হাজার শিক্ষার্থীকে উৎসব, আয়োজনে মাতিয়ে রাখার দায়িত্ব জয়ধ্বনির কর্মীদের কাঁধে।


বিজয় দিবস, স্বাধীনতা দিবস, শহীদ দিবস, পয়লা ফাল্গুন, পয়লা বৈশাখসহ সব ধরনের পালাপার্বণেই টের পাওয়া যায় জয়ধ্বনির সরব উপস্থিতি। ‘আমাদের এই ক্লাবটাকে আপনি যদি আর দশটা সাংস্কৃতিক সংগঠনের সঙ্গে মিলিয়ে ফেলেন, তাহলে কিন্তু ভুল হবে। জয়ধ্বনিতে আমরা সংস্কৃতির প্রতিটা শাখার শুদ্ধ চর্চায় বিশ্বাসী,’ একটু গম্ভীর স্বরেই বললেন জয়ধ্বনির সাধারণ সম্পাদক লিউক তপু মণ্ডল। আরেকটু বিস্তারিত জানার আশায় জিজ্ঞাসু দৃষ্টি নিয়ে তাকাই তাঁর দিকে। তপু ব্যাখ্যা করলেন, ‘নাচ, গান, আবৃত্তি, অভিনয়, আলোকচিত্র, চিত্রকলা...’। তাঁর কথায় বোঝা গেল, জয়ধ্বনির কাজকর্মের ক্ষেত্রটা অনেক বড়, অনেক অনেক বড়।


জয়ধ্বনির জয়জয়কার

প্রতিবেদক নাম: প্রতিদিনের কাগজ ডেস্ক ,

প্রকাশের সময়ঃ ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ০১:১২ এএম


চট্টগ্রাম শহর থেকে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) ক্যাম্পাসের দূরত্ব প্রায় ২৫ কিলোমিটার। আজ থেকে আঠারো বছর আগে যোগাযোগব্যবস্থার অসুবিধা, ধীরগতির ইন্টারনেট—সব মিলিয়ে এই দূরত্বটা বলতে গেলে এর সংখ্যামানের চেয়েও বেশি মনে হতো। শহর থেকে দূরে বলেই হয়তো চুয়েটের ছাত্রছাত্রীরা বঞ্চিত হচ্ছিলেন নানা রকম উৎসব-পার্বণের আনন্দ থেকে। সংস্কৃতির চর্চাটাও যেন ঠিকঠাক হচ্ছিল না। প্রকৌশলবিদ্যায় পড়তে এসে শুধু সংখ্যা আর হিসাব-নিকাশে ডুবে থাকলে বুঝি মনের ক্ষুধা মেটে? অতএব, চুয়েটের শিক্ষার্থীদের কয়েকজন মিলে খুললে ফেললেন একটা সংগঠন। নাম জয়ধ্বনি। এরপর থেকে ক্যাম্পাসের প্রায় চার হাজার শিক্ষার্থীকে উৎসব, আয়োজনে মাতিয়ে রাখার দায়িত্ব জয়ধ্বনির কর্মীদের কাঁধে।


বিজয় দিবস, স্বাধীনতা দিবস, শহীদ দিবস, পয়লা ফাল্গুন, পয়লা বৈশাখসহ সব ধরনের পালাপার্বণেই টের পাওয়া যায় জয়ধ্বনির সরব উপস্থিতি। ‘আমাদের এই ক্লাবটাকে আপনি যদি আর দশটা সাংস্কৃতিক সংগঠনের সঙ্গে মিলিয়ে ফেলেন, তাহলে কিন্তু ভুল হবে। জয়ধ্বনিতে আমরা সংস্কৃতির প্রতিটা শাখার শুদ্ধ চর্চায় বিশ্বাসী,’ একটু গম্ভীর স্বরেই বললেন জয়ধ্বনির সাধারণ সম্পাদক লিউক তপু মণ্ডল। আরেকটু বিস্তারিত জানার আশায় জিজ্ঞাসু দৃষ্টি নিয়ে তাকাই তাঁর দিকে। তপু ব্যাখ্যা করলেন, ‘নাচ, গান, আবৃত্তি, অভিনয়, আলোকচিত্র, চিত্রকলা...’। তাঁর কথায় বোঝা গেল, জয়ধ্বনির কাজকর্মের ক্ষেত্রটা অনেক বড়, অনেক অনেক বড়।