২২, সেপ্টেম্বর, ২০১৯, রোববার | | ২২ মুহররম ১৪৪১


স্কুল ছাত্রীকে উত্যক্ত করা নিয়ে ছাত্রলীগ নেতাকে মারধর করল গ্রামবাসী

রিপোর্টার নামঃ হৃদয় ইসলাম, কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি: | আপডেট: ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০৭:১১ পিএম

স্কুল ছাত্রীকে উত্যক্ত করা নিয়ে ছাত্রলীগ নেতাকে মারধর করল গ্রামবাসী
স্কুল ছাত্রীকে উত্যক্ত করা নিয়ে ছাত্রলীগ নেতাকে মারধর করল গ্রামবাসী

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার মাধবপুর ইউপির বনগাঁও গ্রামে ষষ্ঠ শ্রেণির এক ছাত্রী (শাকিলা আক্তার)কে নিয়মিত উত্যক্ত করার প্রতিবাদে গ্রামবাসীরা মারধর করল একই গ্রামের বাসিন্দা কমলগঞ্জ উপজেলা ছাত্রীলীগের যুগ্ম সম্পাদক সুমন মিয়া (২৩)। নিজের বোনকে উত্যক্ত করার প্রতিবাদ করায় এক সপ্তাহ আগে ছাত্রলীগ নেতা সুমন ও তার সহযোগীরা ছাত্রীর ভাই শওকত খানকে উপজেলা সদরে প্রহার করেছিল। এর জের ধরে মঙ্গলবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকালে গ্রামবাসীরা উত্যক্তকারী ছাত্রলীগ নেতাকে মারধর করেছে। এ নিয়ে মাধবপুর ইউনিয়নের বনগাঁও গ্রামে পাল্টা হামলার আশঙ্কায় রয়েছেন গ্রামবাসীরা।

স্কুল ছাত্রীর ভাই শওকত খান অভিযোগ করে বলেন, তার বোন কমলগঞ্জ সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণিতে পড়ে। সে স্কুলে আসা ও যাওয়ার পথে কমলগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক সুমন মিয়া ও তার সহযোগিরা উত্যক্ত করে। এজন্য তিনি প্রতিবাদ করেছিলেন। ফলে গত সপ্তাহে উপজেলা সদরের আতিক মেকানিকের দোকানের সামনে পেয়ে সুমন ও তার সহযোগী মঈন উদ্দীন তাকে প্রহার করেছিল।

এজন্য মঙ্গলবার সকাল ১০টায় বনগাঁও গ্রামে সুমনকে ডেকে গ্রামবাসীরা তাকে (শওকতকে) প্রহার সম্পর্কে জানতে চান। জবাবে সুমন গ্রামবাসীর সাথে উত্যপ্ত বাক্য বিনিময় করলে গ্রামবাসীরা তাকে মারধর করেছে। জবাবে ঘন্টা খানেক পর সুমনের সহযোগীরা তার (শওকতের) দুই আত্মীয়কে প্রহার করেছে। সাথে সাথে হুমকি দিয়ে গেছে শক্তহাতে আবারও তারা হামলা চালাবে। শওকত আরও বলেন, উপজেলা ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক সাকের আলী সজিবের সমর্থক বলে তার প্রভাবে সুমনের বিরুদ্ধে কেউ কোন কথা বলতে পারে না।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মাধবপুর ইউনিয়নের দুইজন জনপ্রতিনিধি বলেন, ছাত্রলীগ নেতা সুমনও সহযোগীরা চাঁদাবাজি, হামলা, লুটপাট ও মেয়েদের নিয়মিত উত্যক্ত করে থাকে। এমনকি মাধবপুর চা বাগান লেকে আগত মেয়ে পর্যটকদের তারা নানাভাবে নাজেহালসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ডের সাথে জড়িত রয়েছে।

গ্রামবাসীর হাতে মারধর ও তার বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ সম্পর্কে জানার চেষ্টা করে কয়েক দফা তার মুঠোফোনে চেষ্টা করলেও সুমন মিয়ার ফোন বন্ধ পাওযা যায়। তবে কমলগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাকের আলী সজিব মুঠোফোনে সাংবাদিকদের বলেন, পূর্ব বিরোধের জের ধরে পরিকল্পিতভাবে শওকতের নেতৃত্বে গ্রামের কিছু লোক সুমনকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে মারধর করেছে। তাছাড়া সুমনের উপর অন্যান্য অভিযোগ সঠিক নয় বলেও উপজেলা ছাত্রলীগ সম্পাদক জানান।

কমলগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আরিফুর রহমান বলেন, ’মাধবপুরের ঘটনায় থানায় অভিযোগ হয়েছে। পুলিশ বিষয়টি তদন্ত স্বাপেক্ষে দেখছে।’

স্কুল ছাত্রীকে উত্যক্ত করা নিয়ে ছাত্রলীগ নেতাকে মারধর করল গ্রামবাসী

প্রতিবেদক নাম: হৃদয় ইসলাম, কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি: ,

প্রকাশের সময়ঃ ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০৭:১১ পিএম

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার মাধবপুর ইউপির বনগাঁও গ্রামে ষষ্ঠ শ্রেণির এক ছাত্রী (শাকিলা আক্তার)কে নিয়মিত উত্যক্ত করার প্রতিবাদে গ্রামবাসীরা মারধর করল একই গ্রামের বাসিন্দা কমলগঞ্জ উপজেলা ছাত্রীলীগের যুগ্ম সম্পাদক সুমন মিয়া (২৩)। নিজের বোনকে উত্যক্ত করার প্রতিবাদ করায় এক সপ্তাহ আগে ছাত্রলীগ নেতা সুমন ও তার সহযোগীরা ছাত্রীর ভাই শওকত খানকে উপজেলা সদরে প্রহার করেছিল। এর জের ধরে মঙ্গলবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকালে গ্রামবাসীরা উত্যক্তকারী ছাত্রলীগ নেতাকে মারধর করেছে। এ নিয়ে মাধবপুর ইউনিয়নের বনগাঁও গ্রামে পাল্টা হামলার আশঙ্কায় রয়েছেন গ্রামবাসীরা।

স্কুল ছাত্রীর ভাই শওকত খান অভিযোগ করে বলেন, তার বোন কমলগঞ্জ সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণিতে পড়ে। সে স্কুলে আসা ও যাওয়ার পথে কমলগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক সুমন মিয়া ও তার সহযোগিরা উত্যক্ত করে। এজন্য তিনি প্রতিবাদ করেছিলেন। ফলে গত সপ্তাহে উপজেলা সদরের আতিক মেকানিকের দোকানের সামনে পেয়ে সুমন ও তার সহযোগী মঈন উদ্দীন তাকে প্রহার করেছিল।

এজন্য মঙ্গলবার সকাল ১০টায় বনগাঁও গ্রামে সুমনকে ডেকে গ্রামবাসীরা তাকে (শওকতকে) প্রহার সম্পর্কে জানতে চান। জবাবে সুমন গ্রামবাসীর সাথে উত্যপ্ত বাক্য বিনিময় করলে গ্রামবাসীরা তাকে মারধর করেছে। জবাবে ঘন্টা খানেক পর সুমনের সহযোগীরা তার (শওকতের) দুই আত্মীয়কে প্রহার করেছে। সাথে সাথে হুমকি দিয়ে গেছে শক্তহাতে আবারও তারা হামলা চালাবে। শওকত আরও বলেন, উপজেলা ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক সাকের আলী সজিবের সমর্থক বলে তার প্রভাবে সুমনের বিরুদ্ধে কেউ কোন কথা বলতে পারে না।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মাধবপুর ইউনিয়নের দুইজন জনপ্রতিনিধি বলেন, ছাত্রলীগ নেতা সুমনও সহযোগীরা চাঁদাবাজি, হামলা, লুটপাট ও মেয়েদের নিয়মিত উত্যক্ত করে থাকে। এমনকি মাধবপুর চা বাগান লেকে আগত মেয়ে পর্যটকদের তারা নানাভাবে নাজেহালসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ডের সাথে জড়িত রয়েছে।

গ্রামবাসীর হাতে মারধর ও তার বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ সম্পর্কে জানার চেষ্টা করে কয়েক দফা তার মুঠোফোনে চেষ্টা করলেও সুমন মিয়ার ফোন বন্ধ পাওযা যায়। তবে কমলগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাকের আলী সজিব মুঠোফোনে সাংবাদিকদের বলেন, পূর্ব বিরোধের জের ধরে পরিকল্পিতভাবে শওকতের নেতৃত্বে গ্রামের কিছু লোক সুমনকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে মারধর করেছে। তাছাড়া সুমনের উপর অন্যান্য অভিযোগ সঠিক নয় বলেও উপজেলা ছাত্রলীগ সম্পাদক জানান।

কমলগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আরিফুর রহমান বলেন, ’মাধবপুরের ঘটনায় থানায় অভিযোগ হয়েছে। পুলিশ বিষয়টি তদন্ত স্বাপেক্ষে দেখছে।’