২২, সেপ্টেম্বর, ২০১৯, রোববার | | ২২ মুহররম ১৪৪১


রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বিকাশ ও হুন্ডির মাধ্যমে বিদেশ থেকে অর্থ আনছেন রোহিঙ্গারা

রিপোর্টার নামঃ প্রতিদিনের কাগজ | আপডেট: ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০৮:২৫ পিএম

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বিকাশ ও হুন্ডির মাধ্যমে বিদেশ থেকে অর্থ আনছেন রোহিঙ্গারা
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বিকাশ ও হুন্ডির মাধ্যমে বিদেশ থেকে অর্থ আনছেন

সম্প্রতি ক্যাম্পের ভেতরে এসব অবৈধ দোকান স্থানীয় প্রশাসন উচ্ছেদ করলেও কৌশল পরিবর্তন করে ব্যবসা চালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে বিকাশ এজেন্টদের বিরুদ্ধে। এদিকে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ছাড়া অন্য কোনো দোকান থাকবে না বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রশাসন। ইনডিপেন্ডেন্ট টিভি ১৬.০০

কুতুপালং ক্যাম্পের প্রবেশ পথেই বিকাশ এজেণ্ডের দোকানে গিয়ে দেখা গেল তালা লাগিয়ে ভেতরে এক রোহিঙ্গার সঙ্গে লেনদেন করছেন দোকানদার। ক্যামেরা দেখার পর দ্রুত সরে পড়ে সে।

শুধু কুতুপালং নয়, উখিয়া বা টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বিভিন্ন বাজারেও গোপনে বিকাশ ও হুন্ডির মাধ্যমে লেনদেন করছেন অনেক ব্যবসায়ী।

প্রশাসনের চোখকে ফাঁকি দিয়ে তারা লোনদেন চালু রেখেছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। বিকাশ ব্যবসায়ীরা জানান, রোহিঙ্গাদের স্বজনরা বিদেশ থেকে হুন্ডি এবং বিকাশের মাধ্যমে টাকা পাঠায়।

এদিকে ক্যাম্প এলাকায় বিকাশের এজেণ্ড বন্ধ করে দেয়ায় ক্ষুদ্ব রোহিঙ্গারা।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে হুন্ডি ও বিকাশে লেনদেন বন্ধে প্রশাসনের আরো নজরদারি চান স্থানীয়র্।

নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দোকান ছাড়া অন্যান্য বানিজ্যিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।

উখিয়া ও টেকনাফের ৩৪টি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বাজার শতাধিক। আর এসব বাজারে কয়েক হাজার বিকাশ এবং হুন্ডি ব্যবসায়ী গোপনে ব্যবসা করে যাচ্ছে।

অভিযোগ আছে বিদেশ থেকে পাঠানো অর্থ রোহিঙ্গারা অপরাধমূলক কাজে ব্যয় করে। সম্পাদনা : কায়কোবাদ মিলন

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বিকাশ ও হুন্ডির মাধ্যমে বিদেশ থেকে অর্থ আনছেন

প্রতিবেদক নাম: প্রতিদিনের কাগজ ,

প্রকাশের সময়ঃ ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০৮:২৫ পিএম

সম্প্রতি ক্যাম্পের ভেতরে এসব অবৈধ দোকান স্থানীয় প্রশাসন উচ্ছেদ করলেও কৌশল পরিবর্তন করে ব্যবসা চালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে বিকাশ এজেন্টদের বিরুদ্ধে। এদিকে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ছাড়া অন্য কোনো দোকান থাকবে না বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রশাসন। ইনডিপেন্ডেন্ট টিভি ১৬.০০

কুতুপালং ক্যাম্পের প্রবেশ পথেই বিকাশ এজেণ্ডের দোকানে গিয়ে দেখা গেল তালা লাগিয়ে ভেতরে এক রোহিঙ্গার সঙ্গে লেনদেন করছেন দোকানদার। ক্যামেরা দেখার পর দ্রুত সরে পড়ে সে।

শুধু কুতুপালং নয়, উখিয়া বা টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বিভিন্ন বাজারেও গোপনে বিকাশ ও হুন্ডির মাধ্যমে লেনদেন করছেন অনেক ব্যবসায়ী।

প্রশাসনের চোখকে ফাঁকি দিয়ে তারা লোনদেন চালু রেখেছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। বিকাশ ব্যবসায়ীরা জানান, রোহিঙ্গাদের স্বজনরা বিদেশ থেকে হুন্ডি এবং বিকাশের মাধ্যমে টাকা পাঠায়।

এদিকে ক্যাম্প এলাকায় বিকাশের এজেণ্ড বন্ধ করে দেয়ায় ক্ষুদ্ব রোহিঙ্গারা।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে হুন্ডি ও বিকাশে লেনদেন বন্ধে প্রশাসনের আরো নজরদারি চান স্থানীয়র্।

নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দোকান ছাড়া অন্যান্য বানিজ্যিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।

উখিয়া ও টেকনাফের ৩৪টি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বাজার শতাধিক। আর এসব বাজারে কয়েক হাজার বিকাশ এবং হুন্ডি ব্যবসায়ী গোপনে ব্যবসা করে যাচ্ছে।

অভিযোগ আছে বিদেশ থেকে পাঠানো অর্থ রোহিঙ্গারা অপরাধমূলক কাজে ব্যয় করে। সম্পাদনা : কায়কোবাদ মিলন