২৩, সেপ্টেম্বর, ২০১৯, সোমবার | | ২৩ মুহররম ১৪৪১


মুসলিম নয়, হিন্দু রোহিঙ্গদের নিতে আগ্রহী মিয়ানমার

রিপোর্টার নামঃ স্টাফ রিপোর্টার: | আপডেট: ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০৫:০২ পিএম

মুসলিম নয়, হিন্দু রোহিঙ্গদের নিতে আগ্রহী মিয়ানমার
মুসলিম নয়, হিন্দু রোহিঙ্গদের নিতে আগ্রহী মিয়ানমার

দ্বিতীয় প্রচেষ্টাটি ব্যর্থ হওয়ার পর ফের রোহিঙ্গা শরণার্থীদের ফিরিয়ে নিতে তৎপর হয়েছে মিয়ানমার। তবে মুসলিম নয়, তারা কেবল টেকনাফের একটি নির্দিষ্ট এলাকায় থাকা কয়েকশ হিন্দু শরণার্থীকে ফিরিয়ে নিতে ইচ্ছুক বলে জানিয়েছে বিবিসি বাংলা।

এর আগে প্রত্যাবাসনের দ্বিতীয় প্রচেষ্টাটি (২২ আগস্ট) ব্যর্থ হয়। ওই ঘটনার পর বেশ কয়েকদিন ধরে নীরব রয়েছে সীমান্ত এলাকা। ওইদিন বাংলাদেশ থেকে ৩৪৫০ জন রোহিঙ্গাকে ফিরিয়ে নিতে রজি হয়েছিলো মিয়ানমার সরকার। কিন্তু রোহিঙ্গা শরণার্থীরা নাগরিক অধিকার ছাড়া সেখানে যেতে অস্বীকার করায় দুই দেশের সেই প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়ে যায়।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শরণার্থী প্রত্যাবাসনের দ্বিতীয় প্রচেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার জন্য বাংলাদেশকে দুষছে মিয়ানমার সরকার। এ নিয়ে জন্য বিবিসি বার্মিজ বিভাগের সম্পাদক সো উইন থান বলেন, ‘মিয়ানমার সরকার মনে করছে, প্রত্যাবাসন না হওয়ার জন্য বাংলাদেশ সরকারের ব্যর্থতা আছে। কারণ তাদের ফেরত পাঠানোর দায়িত্ব ছিলো বাংলাদেশের। মিয়ানমার সরকার বলছে, তারা ফেরত নেয়ার জন্য প্রস্তুত ছিলো। কিন্তু সেদিন একজনও ওপার থেকে আসেনি। তবে আমরা জানতে পেরেছি, মিয়ানমার সরকার এখন বাস্তুচ্যুত হিন্দুদের ফেরত আনা নিয়ে কাজ করছে।’

উইন থানকে প্রশ্ন করা হয়, মিয়ানমার সরকার হিন্দু শরণার্থীদের ফেরত নিতে হঠাৎ আগ্রহী হয়ে উঠেছে কেন?

উইন থান এই প্রশ্নের জবাবে জানান, মুসলিম রোহিঙ্গারা স্বেচ্ছায় ফিরতে ইচ্ছুক না হলেও হিন্দু শরণার্থীরা স্বেচ্ছায় ফিরতে চায়। আর মিয়ানমার সরকারও চায় প্রত্যাবাসন শুরু করতে।

উইন থান আরো নিশ্চিত করেছেন, গত বৃহস্পতিবার মিয়ানমারে আসা জাতিসংঘ মহাসচিবের মিয়ানমার বিষয়ক বিশেষ দূতকে এ বিষয়ে উদ্যোগ নেয়ারও আহ্বান জানানো হয়েছে সরকারের পক্ষ থেকে।

মুসলিম নয়, হিন্দু রোহিঙ্গদের নিতে আগ্রহী মিয়ানমার

প্রতিবেদক নাম: স্টাফ রিপোর্টার: ,

প্রকাশের সময়ঃ ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০৫:০২ পিএম

দ্বিতীয় প্রচেষ্টাটি ব্যর্থ হওয়ার পর ফের রোহিঙ্গা শরণার্থীদের ফিরিয়ে নিতে তৎপর হয়েছে মিয়ানমার। তবে মুসলিম নয়, তারা কেবল টেকনাফের একটি নির্দিষ্ট এলাকায় থাকা কয়েকশ হিন্দু শরণার্থীকে ফিরিয়ে নিতে ইচ্ছুক বলে জানিয়েছে বিবিসি বাংলা।

এর আগে প্রত্যাবাসনের দ্বিতীয় প্রচেষ্টাটি (২২ আগস্ট) ব্যর্থ হয়। ওই ঘটনার পর বেশ কয়েকদিন ধরে নীরব রয়েছে সীমান্ত এলাকা। ওইদিন বাংলাদেশ থেকে ৩৪৫০ জন রোহিঙ্গাকে ফিরিয়ে নিতে রজি হয়েছিলো মিয়ানমার সরকার। কিন্তু রোহিঙ্গা শরণার্থীরা নাগরিক অধিকার ছাড়া সেখানে যেতে অস্বীকার করায় দুই দেশের সেই প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়ে যায়।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শরণার্থী প্রত্যাবাসনের দ্বিতীয় প্রচেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার জন্য বাংলাদেশকে দুষছে মিয়ানমার সরকার। এ নিয়ে জন্য বিবিসি বার্মিজ বিভাগের সম্পাদক সো উইন থান বলেন, ‘মিয়ানমার সরকার মনে করছে, প্রত্যাবাসন না হওয়ার জন্য বাংলাদেশ সরকারের ব্যর্থতা আছে। কারণ তাদের ফেরত পাঠানোর দায়িত্ব ছিলো বাংলাদেশের। মিয়ানমার সরকার বলছে, তারা ফেরত নেয়ার জন্য প্রস্তুত ছিলো। কিন্তু সেদিন একজনও ওপার থেকে আসেনি। তবে আমরা জানতে পেরেছি, মিয়ানমার সরকার এখন বাস্তুচ্যুত হিন্দুদের ফেরত আনা নিয়ে কাজ করছে।’

উইন থানকে প্রশ্ন করা হয়, মিয়ানমার সরকার হিন্দু শরণার্থীদের ফেরত নিতে হঠাৎ আগ্রহী হয়ে উঠেছে কেন?

উইন থান এই প্রশ্নের জবাবে জানান, মুসলিম রোহিঙ্গারা স্বেচ্ছায় ফিরতে ইচ্ছুক না হলেও হিন্দু শরণার্থীরা স্বেচ্ছায় ফিরতে চায়। আর মিয়ানমার সরকারও চায় প্রত্যাবাসন শুরু করতে।

উইন থান আরো নিশ্চিত করেছেন, গত বৃহস্পতিবার মিয়ানমারে আসা জাতিসংঘ মহাসচিবের মিয়ানমার বিষয়ক বিশেষ দূতকে এ বিষয়ে উদ্যোগ নেয়ারও আহ্বান জানানো হয়েছে সরকারের পক্ষ থেকে।