২৩, সেপ্টেম্বর, ২০১৯, সোমবার | | ২৩ মুহররম ১৪৪১


মেহেরপুরে দুটি সরকারি প্রতিষ্ঠানে দুদকের অভিযান

রিপোর্টার নামঃ মেহেরপুর প্রতিনিধি | আপডেট: ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০৯:৩৬ পিএম

মেহেরপুরে দুটি সরকারি প্রতিষ্ঠানে দুদকের অভিযান
মেহেরপুরে দুটি সরকারি প্রতিষ্ঠানে দুদকের অভিযান

মেহেরপুরে বক্ষব্যাধি হাসপাতাল ও বিআরটিএ অফিসে অভিযান পরিচালনা করেছে দুদক। আজ সোমবার বেলা ১টার দিকে দুদুকের একটি দল পরিদর্শন করে এই প্রতিষ্ঠান দুটিতে। দুদকে অভিযোগের ভিত্তিতে এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন দুদকের কুষ্টিয়া শাখার সহকারী পরিচালক রফিক উদ্দিন খান।

এ সময় তারা গ্রাহকদের হয়রানি ও বিআরটিএ অফিসে দালালদের মাধ্যমে ঘুষ গ্রহণের সত্যতা পরীক্ষা করেন।

গ্রআহকদের কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে দুদক কর্মকর্তারা ৩ জন দালাল চিহ্নিত করেন এবং তাদের মোটরযান অফিসে প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়। এছাড়াও উক্ত অফিসে গ্রাহকদের বিভিন্ন হয়রানির পিছনে অফিস সহকারী আবুল হাসান মিঠুর জড়িত থাকার সত্যতা পান। মেহেরপুরের মোটরযান পরিচালক সালাউদ্দিন প্রিন্সের কাছে মিঠুর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেয় দুদক।

এর পূর্বে জেলা বক্ষব্যাধি হাসপাতালে অভিযান চালানো হয়। সেখানে ফার্মাসিস্ট আব্দুল মতিন দ্বারা চিকিৎসা প্রদানের ও ব্যবস্থাপত্র লেখার সত্যতা পায় দুদক দল। সিভিল সার্জন শামীম আরা নাজনীনকে এ বিষয়েও কার্যকরী পদক্ষেপের নিদের্শ দেওয়া হয়।

মেহেরপুরে দুটি সরকারি প্রতিষ্ঠানে দুদকের অভিযান

প্রতিবেদক নাম: মেহেরপুর প্রতিনিধি ,

প্রকাশের সময়ঃ ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০৯:৩৬ পিএম

মেহেরপুরে বক্ষব্যাধি হাসপাতাল ও বিআরটিএ অফিসে অভিযান পরিচালনা করেছে দুদক। আজ সোমবার বেলা ১টার দিকে দুদুকের একটি দল পরিদর্শন করে এই প্রতিষ্ঠান দুটিতে। দুদকে অভিযোগের ভিত্তিতে এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন দুদকের কুষ্টিয়া শাখার সহকারী পরিচালক রফিক উদ্দিন খান।

এ সময় তারা গ্রাহকদের হয়রানি ও বিআরটিএ অফিসে দালালদের মাধ্যমে ঘুষ গ্রহণের সত্যতা পরীক্ষা করেন।

গ্রআহকদের কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে দুদক কর্মকর্তারা ৩ জন দালাল চিহ্নিত করেন এবং তাদের মোটরযান অফিসে প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়। এছাড়াও উক্ত অফিসে গ্রাহকদের বিভিন্ন হয়রানির পিছনে অফিস সহকারী আবুল হাসান মিঠুর জড়িত থাকার সত্যতা পান। মেহেরপুরের মোটরযান পরিচালক সালাউদ্দিন প্রিন্সের কাছে মিঠুর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেয় দুদক।

এর পূর্বে জেলা বক্ষব্যাধি হাসপাতালে অভিযান চালানো হয়। সেখানে ফার্মাসিস্ট আব্দুল মতিন দ্বারা চিকিৎসা প্রদানের ও ব্যবস্থাপত্র লেখার সত্যতা পায় দুদক দল। সিভিল সার্জন শামীম আরা নাজনীনকে এ বিষয়েও কার্যকরী পদক্ষেপের নিদের্শ দেওয়া হয়।