২৩, সেপ্টেম্বর, ২০১৯, সোমবার | | ২৩ মুহররম ১৪৪১


'২০ লাখ মানুষকেই ভারত ছাড়তে হবে,' অমিত শাহর হুঁশিয়ারি

রিপোর্টার নামঃ প্রতিদিনের কাগজ | আপডেট: ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১১:৫২ এএম

'২০ লাখ মানুষকেই ভারত ছাড়তে হবে,' অমিত শাহর হুঁশিয়ারি
ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ

ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেছেন, আসামের চূড়ান্ত নাগরিক তালিকায় নাম না থাকা প্রায় ২০ লাখ মানুষের প্রত্যেককে ভারত ছাড়তে হবে। 

আসামের গুয়াহাটিতে এক অনুষ্ঠানে রবিবার তিনি এই হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। 

ভারতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হওয়ার পর এই প্রথম আসাম সফরে গেলেন অমিত শাহ। ১৯৫৮ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনে আসামকে সবচেয়ে উপদ্রুত অঞ্চল হিসেবে ঘোষণা করেছে রাজ্য সরকার।

অমিত শাহ বলেন, প্রতিটি অবৈধ অনুপ্রবেশকারীকে তাড়িয়ে দেওয়া হবে। জাতীয় নাগরিকপঞ্জি নিয়ে অনেকে অনেক রকম প্রশ্ন তুলেছেন। আমি স্পষ্টভাবে বলতে চাই, ভারত সরকার, একজন অবৈধ অনুপ্রবেশকারীকেও এদেশে থাকতে দেবে না। এটা আমাদের প্রতিশ্রুতি।

অমিত শাহ তার বক্তব্যে অবৈধ মুসলিম অভিবাসী বলতে তাদের বাংলাদেশি হিসেবে ইঙ্গিত করেন। এর আগে ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বরেও মুসলমান অভিবাসীদের উইপোকা হিসেবে আখ্যায়িত করেছিলেন অমিত শাহ। 

সে সময় দলীয় এক সমাবেশে তিনি বলেন, ভারতে থাকা 'অবৈধ বাংলাদেশিদের' শনাক্ত করে তাদের এক এক করে তাড়িয়ে দেওয়া হবে। একই বছরের আগস্টে কলকাতায় বিজেপির এক সমাবেশে তিনি বলেন, বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের তাড়াতেই ভারতে নাগরিক তালিকা প্রণয়ন করা হচ্ছে। এটি হচ্ছে বেছে বেছে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের তাড়িয়ে দেওয়ার প্রক্রিয়া। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরোধিতায় এটি বন্ধ হবে না

প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের ৩১ আগস্ট প্রকাশিত আসামের চূড়ান্ত নাগরিক তালিকা (এনআরসি) থেকে বাদ পড়েছেন রাজ্যের ১৯ লাখ ৬ হাজার ৬৫৭ জন মানুষ। এ তালিকা নিয়ে খুশি নয় ভারতের ক্ষমতাসীন দল বিজেপি। আসামের রাজ্য সরকারেও ক্ষমতায় রয়েছে দলটি। বিজেপি ও তার মিত্রদের প্রত্যাশা ছিল, এ তালিকাকে হাতিয়ার করে আরও অধিক সংখ্যক মুসলিমের নাগরিকত্ব বাতিল করে তাদের রাষ্ট্রহীন মানুষে পরিণত করা হবে। 


সূত্র: এনডিটিভি।

'২০ লাখ মানুষকেই ভারত ছাড়তে হবে,' অমিত শাহর হুঁশিয়ারি

প্রতিবেদক নাম: প্রতিদিনের কাগজ ,

প্রকাশের সময়ঃ ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১১:৫২ এএম

ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেছেন, আসামের চূড়ান্ত নাগরিক তালিকায় নাম না থাকা প্রায় ২০ লাখ মানুষের প্রত্যেককে ভারত ছাড়তে হবে। 

আসামের গুয়াহাটিতে এক অনুষ্ঠানে রবিবার তিনি এই হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। 

ভারতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হওয়ার পর এই প্রথম আসাম সফরে গেলেন অমিত শাহ। ১৯৫৮ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনে আসামকে সবচেয়ে উপদ্রুত অঞ্চল হিসেবে ঘোষণা করেছে রাজ্য সরকার।

অমিত শাহ বলেন, প্রতিটি অবৈধ অনুপ্রবেশকারীকে তাড়িয়ে দেওয়া হবে। জাতীয় নাগরিকপঞ্জি নিয়ে অনেকে অনেক রকম প্রশ্ন তুলেছেন। আমি স্পষ্টভাবে বলতে চাই, ভারত সরকার, একজন অবৈধ অনুপ্রবেশকারীকেও এদেশে থাকতে দেবে না। এটা আমাদের প্রতিশ্রুতি।

অমিত শাহ তার বক্তব্যে অবৈধ মুসলিম অভিবাসী বলতে তাদের বাংলাদেশি হিসেবে ইঙ্গিত করেন। এর আগে ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বরেও মুসলমান অভিবাসীদের উইপোকা হিসেবে আখ্যায়িত করেছিলেন অমিত শাহ। 

সে সময় দলীয় এক সমাবেশে তিনি বলেন, ভারতে থাকা 'অবৈধ বাংলাদেশিদের' শনাক্ত করে তাদের এক এক করে তাড়িয়ে দেওয়া হবে। একই বছরের আগস্টে কলকাতায় বিজেপির এক সমাবেশে তিনি বলেন, বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের তাড়াতেই ভারতে নাগরিক তালিকা প্রণয়ন করা হচ্ছে। এটি হচ্ছে বেছে বেছে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের তাড়িয়ে দেওয়ার প্রক্রিয়া। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরোধিতায় এটি বন্ধ হবে না

প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের ৩১ আগস্ট প্রকাশিত আসামের চূড়ান্ত নাগরিক তালিকা (এনআরসি) থেকে বাদ পড়েছেন রাজ্যের ১৯ লাখ ৬ হাজার ৬৫৭ জন মানুষ। এ তালিকা নিয়ে খুশি নয় ভারতের ক্ষমতাসীন দল বিজেপি। আসামের রাজ্য সরকারেও ক্ষমতায় রয়েছে দলটি। বিজেপি ও তার মিত্রদের প্রত্যাশা ছিল, এ তালিকাকে হাতিয়ার করে আরও অধিক সংখ্যক মুসলিমের নাগরিকত্ব বাতিল করে তাদের রাষ্ট্রহীন মানুষে পরিণত করা হবে। 


সূত্র: এনডিটিভি।