২৩, সেপ্টেম্বর, ২০১৯, সোমবার | | ২৩ মুহররম ১৪৪১


যৌন উত্তেজক বড়ি সেবনে রাজি নন স্ত্রী’, সিগারেটের ছ্যাঁকা দিলেন স্বামী

রিপোর্টার নামঃ প্রতিদিনের কাগজ | আপডেট: ০৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০৬:১৮ পিএম

যৌন উত্তেজক বড়ি সেবনে রাজি নন স্ত্রী’, সিগারেটের ছ্যাঁকা দিলেন স্বামী
যৌন উত্তেজক বড়ি সেবনে রাজি নন স্ত্রী’, সিগারেটের ছ্যাঁকা দিলেন

যৌন উত্তেজক বড়ি সেবন করতে রাজি না হওয়ায় সবুজ হোসন নামে এক ব্যক্তি তার স্ত্রী’কে জ্বলন্ত সিগারেটের আ’গুনে ছ্যাঁকা দিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

গত বৃহস্পতিবার বগুড়ার ধুনট উপজেলায় এ ঘটনার পর তাপসি নামে ওই গৃহবধূ তার বাবার বাড়ি আশ্রয় নেন। পরে তাকে বগুড়ার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে স্বজনরা।

সবুজ হোসন ধুনট উপজেলার ভান্ডারবাড়ি ইউনিয়নের রামকৃষ্ণপুর-দোয়াতপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। গত ৫ বছর আগে ধুনট পৌর এলাকার পূর্বভরণশাহী গ্রামের তুরাব আলীর মেয়ে তাপসির সঙ্গে তার বিয়ে হয়। জানা গেছে, স্বামী স্ত্রীর মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া-বিবাদ হতো। শারীরিক সম্পর্ক গড়ার জন্য গত দুমাস ধরে সবুজ তার স্ত্রীকে যৌন উত্তেজক বড়ি খাওয়াতেন। শরীর সুস্থ থাকবে এমন প্রলোভন দেখিয়ে তাপসিকে বড়ি খেতে বাধ্য করতেন তিনি।

শারীরিকভাবে সুস্থ থাকার পরও বারবার বড়ি খাওয়ানোর বিষয়টি নিয়ে সন্দেহ হহ তাপসির। বিষয়টি নিয়ে গত বুধবার রাতে বিষয়টি নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে আবারও ঝগড়া শুরু হয়। রেগে গিয়ে এক পর্যায়ে স্ত্রীর শরীরে সিগারেটের আগুন দিয়ে ছ্যাঁকা দেন সবুজ। তাপসি যাতে চিৎকার করতে না পারে সে জন্য তার মুখ গামছা দিয়ে বেঁধে রাখেন তিনি। গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় স্বামীর বাড়ি থেকে পালিয়ে বাবার বাড়ি আশ্রয় নেন তাপসি। পরে সেখান থেকে তাকে ধুনট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন স্বজনরা। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক রিপন কুমার জানান, ছ্যাঁকার কারণে তাপসির শরীরে ফোসকা পড়ে গেছে। তাকে ভর্তি রেখে চিকিৎসা দেওয়া হবে।

বিষয়টি নিয়ে সবুজের সঙ্গে কথা হলে তিনি জানান, বন্ধুদের পাল্লায় পড়ে যৌন উত্তেজক বড়ি কিনে ঘরে রেখেছিলেন তিনি। কিন্তু তাপসিকে এ বড়ি খাওয়ানো হয়নি। সে অবাধ্য ছিল তাই চড়-থাপ্পড় দিয়ে শাষন করেছিলেন। অভিমানে সে বাবার বাড়ি চলে গেছেন। এখন সেখানে থেকে তার বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করছেন স্ত্রী’।

ধুনট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইসমাইল হোসেন বলেন, সংবাদ পেয়ে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ওই গৃহবধূর চিকিৎসার খোঁজখবর নেওয়া হয়েছে। তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে পুড়ে ফোসকা পড়ার চিহ্ন রয়েছে। অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

যৌন উত্তেজক বড়ি সেবনে রাজি নন স্ত্রী’, সিগারেটের ছ্যাঁকা দিলেন

প্রতিবেদক নাম: প্রতিদিনের কাগজ ,

প্রকাশের সময়ঃ ০৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০৬:১৮ পিএম

যৌন উত্তেজক বড়ি সেবন করতে রাজি না হওয়ায় সবুজ হোসন নামে এক ব্যক্তি তার স্ত্রী’কে জ্বলন্ত সিগারেটের আ’গুনে ছ্যাঁকা দিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

গত বৃহস্পতিবার বগুড়ার ধুনট উপজেলায় এ ঘটনার পর তাপসি নামে ওই গৃহবধূ তার বাবার বাড়ি আশ্রয় নেন। পরে তাকে বগুড়ার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে স্বজনরা।

সবুজ হোসন ধুনট উপজেলার ভান্ডারবাড়ি ইউনিয়নের রামকৃষ্ণপুর-দোয়াতপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। গত ৫ বছর আগে ধুনট পৌর এলাকার পূর্বভরণশাহী গ্রামের তুরাব আলীর মেয়ে তাপসির সঙ্গে তার বিয়ে হয়। জানা গেছে, স্বামী স্ত্রীর মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া-বিবাদ হতো। শারীরিক সম্পর্ক গড়ার জন্য গত দুমাস ধরে সবুজ তার স্ত্রীকে যৌন উত্তেজক বড়ি খাওয়াতেন। শরীর সুস্থ থাকবে এমন প্রলোভন দেখিয়ে তাপসিকে বড়ি খেতে বাধ্য করতেন তিনি।

শারীরিকভাবে সুস্থ থাকার পরও বারবার বড়ি খাওয়ানোর বিষয়টি নিয়ে সন্দেহ হহ তাপসির। বিষয়টি নিয়ে গত বুধবার রাতে বিষয়টি নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে আবারও ঝগড়া শুরু হয়। রেগে গিয়ে এক পর্যায়ে স্ত্রীর শরীরে সিগারেটের আগুন দিয়ে ছ্যাঁকা দেন সবুজ। তাপসি যাতে চিৎকার করতে না পারে সে জন্য তার মুখ গামছা দিয়ে বেঁধে রাখেন তিনি। গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় স্বামীর বাড়ি থেকে পালিয়ে বাবার বাড়ি আশ্রয় নেন তাপসি। পরে সেখান থেকে তাকে ধুনট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন স্বজনরা। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক রিপন কুমার জানান, ছ্যাঁকার কারণে তাপসির শরীরে ফোসকা পড়ে গেছে। তাকে ভর্তি রেখে চিকিৎসা দেওয়া হবে।

বিষয়টি নিয়ে সবুজের সঙ্গে কথা হলে তিনি জানান, বন্ধুদের পাল্লায় পড়ে যৌন উত্তেজক বড়ি কিনে ঘরে রেখেছিলেন তিনি। কিন্তু তাপসিকে এ বড়ি খাওয়ানো হয়নি। সে অবাধ্য ছিল তাই চড়-থাপ্পড় দিয়ে শাষন করেছিলেন। অভিমানে সে বাবার বাড়ি চলে গেছেন। এখন সেখানে থেকে তার বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করছেন স্ত্রী’।

ধুনট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইসমাইল হোসেন বলেন, সংবাদ পেয়ে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ওই গৃহবধূর চিকিৎসার খোঁজখবর নেওয়া হয়েছে। তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে পুড়ে ফোসকা পড়ার চিহ্ন রয়েছে। অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।