২২, সেপ্টেম্বর, ২০১৯, রোববার | | ২২ মুহররম ১৪৪১


ছাত্রের কানের পর্দা ফাটালেন শিক্ষক!

রিপোর্টার নামঃ স্টাফ রিপোর্টার: | আপডেট: ০৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১০:৫৪ এএম

ছাত্রের কানের পর্দা ফাটালেন শিক্ষক!
ছাত্রের কানের পর্দা ফাটালেন শিক্ষক!

ক্লাসে বই ছাড়া আসায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) এক ছাত্রকে চড় মেরে কানের পর্দা ফাটানোর অভিযোগ উঠেছে ড. মুহাম্মদ আবদুর রশীদ নামে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। গতকাল মঙ্গলবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগে এই ঘটনা ঘটেছে।

ভুক্তভোগী ছাত্রের নাম নাসির। তিনি ঢাবির ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র।

বিভাগের কয়েকজন ছাত্রের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মঙ্গলবার দ্বিতীয় বর্ষের ‘সুন্নাহ ইন প্রাকটিসিং লাইফ’ কোর্সের ক্লাস ছিল। ক্লাসে ২০ জন শিক্ষার্থী ‘রিয়াদুস সালেহীন’ বই না আনার কারণে তাদের বের হয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেন অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আবদুর রশীদ। এ সময় চার থেকে পাঁচজন শিক্ষার্থী ক্লাস থেকে বের হতে দেরি করেন। এতে ক্ষিপ্ত অধ্যাপক আবদুর রশীদ ওই শিক্ষার্থীদের সবাইকে থাপ্পড় দেন।

চড় খেয়ে নাসিরের বাঁ কানের পর্দা ফেটে রক্ত বের হতে শুরু করে। তার কানটিতে আগে অপারেশন করা হয়েছিল বলে জানা গেছে। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ে বিজয় একাত্তর আবাসিক হলে থাকেন।

ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের একাধিক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, ‘অধ্যাপক আবদুর রশীদ শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কারণ-অকারণে খারাপ ব্যবহার করেন। ছাত্র-ছাত্রীদের তিনি অপমানজনক কথা বলেন।’

মারধরের বিষয়ে জানতে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী নাসিরের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘ঘটনাতো শুনেছেন।’ এর বেশি কোনো কথা বলতে রাজী হননি তিনি। তবে তার সহপাঠীরা যা বলেছে সেটা সত্য ঘটনা বলে স্বীকার করেন তিনি।

এ বিষয়ে মারধরকারী শিক্ষক অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আবদুর রশীদের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমার কোনো বক্তব্য নেই। এরকম কোনো ঘটনা ঘটেনি।’

এ বিষয়ে ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মুহম্মদ শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমি একটু শুনেছি। বিষয়টি ছেলেদেরকে অন্য আরেকজন স্যার মিটমাট করে দিয়েছেন। আমার কাছে ছেলেরা আসেনি।’

অধ্যাপক ড. মুহম্মদ শফিকুর রহমান বলেন, ‘এটা অনাকাঙ্খিত। বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে কারও গায়ে হাত তোলা ঠিক না। হয়ত রাগের বশে তিনি এমনটি করেছেন। অন্য একজন টিচার মিটমাট করে দিয়েছেন। কিন্তু শিক্ষার্থীরা কতটুকু মেনে নিয়েছেন সেটাই বিষয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘ওই শিক্ষার্থী যদি আমার কাছে আসে তাহলে আমি এ বিষয়ে অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসা করব।’

ছাত্রের কানের পর্দা ফাটালেন শিক্ষক!

প্রতিবেদক নাম: স্টাফ রিপোর্টার: ,

প্রকাশের সময়ঃ ০৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১০:৫৪ এএম

ক্লাসে বই ছাড়া আসায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) এক ছাত্রকে চড় মেরে কানের পর্দা ফাটানোর অভিযোগ উঠেছে ড. মুহাম্মদ আবদুর রশীদ নামে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। গতকাল মঙ্গলবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগে এই ঘটনা ঘটেছে।

ভুক্তভোগী ছাত্রের নাম নাসির। তিনি ঢাবির ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র।

বিভাগের কয়েকজন ছাত্রের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মঙ্গলবার দ্বিতীয় বর্ষের ‘সুন্নাহ ইন প্রাকটিসিং লাইফ’ কোর্সের ক্লাস ছিল। ক্লাসে ২০ জন শিক্ষার্থী ‘রিয়াদুস সালেহীন’ বই না আনার কারণে তাদের বের হয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেন অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আবদুর রশীদ। এ সময় চার থেকে পাঁচজন শিক্ষার্থী ক্লাস থেকে বের হতে দেরি করেন। এতে ক্ষিপ্ত অধ্যাপক আবদুর রশীদ ওই শিক্ষার্থীদের সবাইকে থাপ্পড় দেন।

চড় খেয়ে নাসিরের বাঁ কানের পর্দা ফেটে রক্ত বের হতে শুরু করে। তার কানটিতে আগে অপারেশন করা হয়েছিল বলে জানা গেছে। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ে বিজয় একাত্তর আবাসিক হলে থাকেন।

ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের একাধিক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, ‘অধ্যাপক আবদুর রশীদ শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কারণ-অকারণে খারাপ ব্যবহার করেন। ছাত্র-ছাত্রীদের তিনি অপমানজনক কথা বলেন।’

মারধরের বিষয়ে জানতে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী নাসিরের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘ঘটনাতো শুনেছেন।’ এর বেশি কোনো কথা বলতে রাজী হননি তিনি। তবে তার সহপাঠীরা যা বলেছে সেটা সত্য ঘটনা বলে স্বীকার করেন তিনি।

এ বিষয়ে মারধরকারী শিক্ষক অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আবদুর রশীদের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমার কোনো বক্তব্য নেই। এরকম কোনো ঘটনা ঘটেনি।’

এ বিষয়ে ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মুহম্মদ শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমি একটু শুনেছি। বিষয়টি ছেলেদেরকে অন্য আরেকজন স্যার মিটমাট করে দিয়েছেন। আমার কাছে ছেলেরা আসেনি।’

অধ্যাপক ড. মুহম্মদ শফিকুর রহমান বলেন, ‘এটা অনাকাঙ্খিত। বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে কারও গায়ে হাত তোলা ঠিক না। হয়ত রাগের বশে তিনি এমনটি করেছেন। অন্য একজন টিচার মিটমাট করে দিয়েছেন। কিন্তু শিক্ষার্থীরা কতটুকু মেনে নিয়েছেন সেটাই বিষয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘ওই শিক্ষার্থী যদি আমার কাছে আসে তাহলে আমি এ বিষয়ে অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসা করব।’