২২, সেপ্টেম্বর, ২০১৯, রোববার | | ২২ মুহররম ১৪৪১


দ্বিতীয় দিনের মতো জাবির প্রশাসনিক ভবন অবরোধ

রিপোর্টার নামঃ স্টাফ রিপোর্টার: | আপডেট: ০৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১০:৫৯ এএম

দ্বিতীয় দিনের মতো জাবির প্রশাসনিক ভবন অবরোধ
দ্বিতীয় দিনের মতো জাবির প্রশাসনিক ভবন অবরোধ

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে গাছ কেটে অপরিকল্পিতভাবে হল নির্মাণসহ উন্নয়ন প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগের বিচার বিভাগীয় তদন্তসহ তিন দফা দাবিতে দ্বিতীয় দিনের মতো প্রশাসনিক ভবন অবরোধ করেছেন একদল শিক্ষক-শিক্ষার্থী। এতে করে প্রশাসনিক ভবনের সব ধরনের কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। তবে ক্লাস-পরীক্ষা চালু রয়েছে বলে জানা গেছে।

আজ বুধবার সকাল সাড়ে ৮টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ও পুরাতন প্রশাসনিক ভবনের সামনে ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে জাহাঙ্গীরনগর’ ব্যানারে অবস্থান নিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। এ অবস্থান চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত।

এর আগে গতকাল মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত একই দাবিতে প্রশাসনিক ভবন অবরোধ করে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা।

আন্দোলনকারীরা জানান, সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন অপরিকল্পিতভাবে গাছ কেটে নতুন পাঁচটি হলের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করে হলগুলোর নির্মাণের প্রাথমিক কাজ শুরু করেছে। এ ছাড়া কয়েকটি গণমাধ্যমে উন্নয়ন প্রকল্পের দুই কোটি টাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের মাঝে ভাগবাটোয়ারা করে দেওয়ার অভিযোগ তুলে খবর প্রকাশিত হয়।

এসব অনিয়মের কারণে গত কয়েকদিন ধরেই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের একাংশ আন্দোলন করে আসলেও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এসব অভিযোগ শুরু থেকেই অস্বীকার করে আসছে। তাই দুর্নীতির বিরুদ্ধে জাহাঙ্গীরনগর’ ব্যানারে আন্দোলনরত শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা তিন দফা দাবি জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ও পুরাতন প্রশাসনিক ভবন অবরোধ করে গতকাল থেকে নতুন করে আন্দোলন শুরু করে।

প্রশাসনিক ভবন অবরোধ কর্মসূচি পালনের ধারাবাহিকতায় আজ দ্বিতীয় দিনের মতো অবরোধ কর্মসূচি পালন করছে তারা। প্রশাসনিক ভবন অবরোধ কর্মসূচি আগামীকালও পালন করবে বলে জানিয়েছে আন্দোলনকারীরা।

দাবিগুলো হলো- ১. বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হলের পাশের তিনটি হল স্থানান্তর করে নতুন জায়গায় দ্রুত কাজ শুরু করতে হবে। ২. মেগা প্রজেক্ট এর টাকার দুর্নীতির ব্যাপারে বিচারবিভাগীয় তদন্ত করতে হবে। একই সঙ্গে টেন্ডারের সিডিউল ছিনতাইকারীদের চিহ্নিত করে শাস্তির আওতায় আনতে হবে। ৩. মেগা প্রজেক্ট এর বাকি স্থাপনাগুলোর কাজ স্থগিত রেখে সকল স্টেক হোল্ডারদের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে মাস্টারপ্ল্যান পুনর্বিন্যাস করে কাজ শুরু করতে হবে।

দ্বিতীয় দিনের মতো জাবির প্রশাসনিক ভবন অবরোধ

প্রতিবেদক নাম: স্টাফ রিপোর্টার: ,

প্রকাশের সময়ঃ ০৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১০:৫৯ এএম

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে গাছ কেটে অপরিকল্পিতভাবে হল নির্মাণসহ উন্নয়ন প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগের বিচার বিভাগীয় তদন্তসহ তিন দফা দাবিতে দ্বিতীয় দিনের মতো প্রশাসনিক ভবন অবরোধ করেছেন একদল শিক্ষক-শিক্ষার্থী। এতে করে প্রশাসনিক ভবনের সব ধরনের কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। তবে ক্লাস-পরীক্ষা চালু রয়েছে বলে জানা গেছে।

আজ বুধবার সকাল সাড়ে ৮টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ও পুরাতন প্রশাসনিক ভবনের সামনে ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে জাহাঙ্গীরনগর’ ব্যানারে অবস্থান নিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। এ অবস্থান চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত।

এর আগে গতকাল মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত একই দাবিতে প্রশাসনিক ভবন অবরোধ করে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা।

আন্দোলনকারীরা জানান, সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন অপরিকল্পিতভাবে গাছ কেটে নতুন পাঁচটি হলের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করে হলগুলোর নির্মাণের প্রাথমিক কাজ শুরু করেছে। এ ছাড়া কয়েকটি গণমাধ্যমে উন্নয়ন প্রকল্পের দুই কোটি টাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের মাঝে ভাগবাটোয়ারা করে দেওয়ার অভিযোগ তুলে খবর প্রকাশিত হয়।

এসব অনিয়মের কারণে গত কয়েকদিন ধরেই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের একাংশ আন্দোলন করে আসলেও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এসব অভিযোগ শুরু থেকেই অস্বীকার করে আসছে। তাই দুর্নীতির বিরুদ্ধে জাহাঙ্গীরনগর’ ব্যানারে আন্দোলনরত শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা তিন দফা দাবি জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ও পুরাতন প্রশাসনিক ভবন অবরোধ করে গতকাল থেকে নতুন করে আন্দোলন শুরু করে।

প্রশাসনিক ভবন অবরোধ কর্মসূচি পালনের ধারাবাহিকতায় আজ দ্বিতীয় দিনের মতো অবরোধ কর্মসূচি পালন করছে তারা। প্রশাসনিক ভবন অবরোধ কর্মসূচি আগামীকালও পালন করবে বলে জানিয়েছে আন্দোলনকারীরা।

দাবিগুলো হলো- ১. বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হলের পাশের তিনটি হল স্থানান্তর করে নতুন জায়গায় দ্রুত কাজ শুরু করতে হবে। ২. মেগা প্রজেক্ট এর টাকার দুর্নীতির ব্যাপারে বিচারবিভাগীয় তদন্ত করতে হবে। একই সঙ্গে টেন্ডারের সিডিউল ছিনতাইকারীদের চিহ্নিত করে শাস্তির আওতায় আনতে হবে। ৩. মেগা প্রজেক্ট এর বাকি স্থাপনাগুলোর কাজ স্থগিত রেখে সকল স্টেক হোল্ডারদের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে মাস্টারপ্ল্যান পুনর্বিন্যাস করে কাজ শুরু করতে হবে।