২২, সেপ্টেম্বর, ২০১৯, রোববার | | ২২ মুহররম ১৪৪১


সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী নাজমুল হুদা দম্পতির বিরুদ্ধে দুদকের চার্জশিট

রিপোর্টার নামঃ স্টাফ রিপোর্টার: | আপডেট: ০৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১২:১২ এএম

সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী নাজমুল হুদা দম্পতির বিরুদ্ধে দুদকের চার্জশিট
সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী নাজমুল হুদা দম্পতির বিরুদ্ধে দুদকের চার্জশিট

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান থেকে ঘুষ গ্রহণ মামলায় সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা ও তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সিগমা হুদার বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল হয়েছে।

তদন্ত শেষে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সহকারী পরিচালক মো. মনিরুল ইসলাম এ চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দাখিল করেন। অভিযোগপত্রটি দাখিলের ফলে ১১ বছর আগে দায়ের করা এ দুর্নীতির মামলায় অবশেষে বিচারের মুখোমুখি হচ্ছেন এ দম্পতি।

সম্প্রতি আদালতের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ চার্জশিট দাখিল করা হয়েছে। ঢাকা মহানগর হাকিম সত্যব্রত শিকদার ইতিমধ্যেই এটি দেখেছেন।

মামলাটি বিচারের লক্ষ্যে সোমবার (২ সেপ্টেম্বর) এর নথি ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতে পাঠানো হয়েছে। আদালত সূত্র এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে।

চার্জশিটে বলা হয়, যমুনা সেতু রক্ষণাবেক্ষণ ও টোল আদায়ের জন্য আহ্বানকৃত টেন্ডারে অংশ নিয়ে পিটি জাসা মার্গা ও নেট ওয়ান সলিউশন লিমিটেড সর্বনিম্ন দরদাতা হয়। তারা মোট ৫১ কোটি ১৪ লাখ টাকা দর দেয়। সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির অনুমোদনের পর ২০০৩ সালের ২৫ জুন তাদের লেটার অব অ্যাকসেপ্টটেন্স দেয়া হয়।

বিষয়টি যমুনা বহুমুখী সেতু কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়। ২০০৪ সালের ৩১ মার্চ যমুনা বহুমুখী সেতুর রক্ষণাবেক্ষণ, পরিচালনা ও টোল আদায়ের জন্য মার্গানেট ওয়ান লিমিটেডকে কার্যাদেশ দেয়া হয়। ইন্দোনেশীয় প্রতিষ্ঠান পিটি জাসা মার্গা ও বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান নেট ওয়ান সলিউশন লিমিটেড যৌথভাবে ‘মার্গানেট ওয়ান লিমিটেড’ নাম দিয়ে জয়েন স্টক কোম্পানিতে নিবন্ধিত হয়।

সর্বনিম্ন দরদাতা হিসেবে কাজ শুরুর পর ২০০৪ সালের আগস্ট মাসে সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা মার্গানেট ওয়ান লিমিটেডের তৎকালীন চেয়ারম্যান সৈয়দ আহমেদ ফারুককে টেলিফোন করে মাসিক ৫০ হাজার টাকা উৎকোচ দাবি করেন। ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা বলেন, তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সিগমা হুদার মালিকানাধীন পত্রিকা ‘খবরের অন্তরালে’ (সাপ্তাহিক পত্রিকা) পরিচালনার জন্য অনেক টাকার প্রয়োজন।

উৎকোচের ওই টাকা দিয়ে খবরের অন্তরালে মার্গানেট ওয়ান লিমিটেডের নামে বিজ্ঞাপন ছাপা হলে কেউ সন্দেহ করবে না। নাজমুল হুদার দাবিকৃত মাসিক ৫০ হাজার টাকা উৎকোচ দেয়া মার্গানেট ওয়ান লিমিটেডের পক্ষে সম্ভব নয়। এছাড়া মার্গানেট ওয়ান লিমিটেড ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান হওয়ায় বিজ্ঞাপন প্রচারের প্রয়োজন নেই বলে নাজমুল হুদাকে জানানো হয়। এতে নাজমুল হুদা খুবই রাগান্বিত হন এবং মাসিক ভিত্তিতে ওই টাকা না দিলে মার্গানেট ওয়ান লিমিটেডকে বাংলাদেশে কালো তালিকাভুক্ত করা হবে।

একই সঙ্গে তাদের দেয়া কার্যাদেশ বাতিল করা হবে বলে হুমকি দেন। নাজমুল হুদার এমন হুমকির বিষয়টি মার্গানেট ওয়ান লিমিটেডের তৎকালীন চেয়ারম্যান প্রতিষ্ঠানের অন্য পরিচালকদের জানান এবং পরিচালনা পর্ষদে উপস্থাপন করেন। পরিচালনা পর্ষদ তাদের প্রতিষ্ঠানের আর্থিক বিনিয়োগের দিক বিবেচনা এবং নির্বিঘ্নে ব্যবসার স্বার্থে নাজমুল হুদাকে উৎকোচ দিতে রাজি হয়।

তবে মাসিক উৎকোচের পরিমাণ ৫০ হাজার টাকা থেকে কমানোর অনুরোধও করেন। পরিচালনা পরিষদের আলোচনায় উপস্থিত ছিলেন মার্গানেট ওয়ান লিমিটেডের তৎকালীন চেয়ারম্যান (বর্তমানে সিইও) সৈয়দ আহমেদ ফারুক ও চার পরিচালক- আর এ হাওলাদার, আনোয়ারুল হক, এসএমএ মান্নান এবং মো. মোবারক হোসেন।

চার্জশিটে আরও বলা হয়, পরিচালনা পর্ষদের অনুরোধের ভিত্তিতে মার্গানেট ওয়ান লিমিটেড চেয়ারম্যান সৈয়দ আহমেদ ফারুক সিগমা হুদার মালিকানাধীন খবরের অন্তরালে বিজ্ঞাপন বিল বাবদ প্রথম মাসে ৫০ হাজার টাকা দেন। পরে ২৫ হাজার টাকা করে দেয়া শুরু করেন। এভাবে মার্গানেট ওয়ান লিমিটেড কর্তৃপক্ষ হুমকির মুখে বাধ্য হয়ে ২০০৪ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে ২০০৬ সালের ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত মোট ১৯টি চেকের মাধ্যমে ৬ লাখ টাকা পরিশোধ করেন।

খবরের অন্তরালে পত্রিকার নামে বিজ্ঞাপন বিলে রূপান্তর করে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের নামে প্রাইম ব্যাংকের মতিঝিল শাখার চলতি হিসাব থেকে এই টাকা পরিশোধ করা হয়। মার্গানেট ওয়ান লিমিটেডের চেয়ারম্যানের কাছ থেকে জব্দকৃত রেকর্ডপত্রে ওই পত্রিকার নামে চেক দেয়ার প্রমাণ পাওয়া যায়। খবরের অন্তরালে পত্রিকার ব্যাংক হিসাবে হিসাব পরিচালনাকারী সিগমা হুদার নমুনা স্বাক্ষর ও পাসপোর্ট সাইজের ছবি রয়েছে।

হিসাব খোলার আবেদন, স্বাক্ষর কার্ড ও ছবিতে প্রমাণ হয় যে হিসাবটির মালিক সিগমা হুদা। এভাবে ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা ও অ্যাডভোকেট সিগমা হুদা পরস্পর যোগসাজশে মার্গানেট ওয়ান লিমিটেড থেকে ১৯টি চেকের মাধ্যমে মোট ছয় লাখ টাকা উৎকোচ গ্রহণ করেছেন। দণ্ডবিধির ১৬১/১৬৫(ক) ধারা এবং ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় নাজমুল হুদা দম্পতির বিরুদ্ধে এ চার্জশিট দেয়া হয়েছে।

এর আগে ঘুষ গ্রহণের ওই অভিযোগে ২০০৮ সালের ১৮ জুন রাজধানীর মতিঝিল থানায় দুদকের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ বেলাল হোসেন মামলাটি দায়ের করেন। মামলা তদন্তকালীন চার্জশিটভুক্ত সাক্ষী মার্গানেট ওয়ান লিমিটেডের তৎকালীন চেয়ারম্যান (বর্তমানে সিইও) সৈয়দ আহমেদ ফারুক ও চার পরিচালক- আর এ হাওলাদার, আনোয়ারুল হক, এসএমএ মান্নান এবং মো. মোবারক হোসেন আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী নাজমুল হুদা দম্পতির বিরুদ্ধে দুদকের চার্জশিট

প্রতিবেদক নাম: স্টাফ রিপোর্টার: ,

প্রকাশের সময়ঃ ০৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১২:১২ এএম

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান থেকে ঘুষ গ্রহণ মামলায় সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা ও তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সিগমা হুদার বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল হয়েছে।

তদন্ত শেষে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সহকারী পরিচালক মো. মনিরুল ইসলাম এ চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দাখিল করেন। অভিযোগপত্রটি দাখিলের ফলে ১১ বছর আগে দায়ের করা এ দুর্নীতির মামলায় অবশেষে বিচারের মুখোমুখি হচ্ছেন এ দম্পতি।

সম্প্রতি আদালতের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ চার্জশিট দাখিল করা হয়েছে। ঢাকা মহানগর হাকিম সত্যব্রত শিকদার ইতিমধ্যেই এটি দেখেছেন।

মামলাটি বিচারের লক্ষ্যে সোমবার (২ সেপ্টেম্বর) এর নথি ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতে পাঠানো হয়েছে। আদালত সূত্র এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে।

চার্জশিটে বলা হয়, যমুনা সেতু রক্ষণাবেক্ষণ ও টোল আদায়ের জন্য আহ্বানকৃত টেন্ডারে অংশ নিয়ে পিটি জাসা মার্গা ও নেট ওয়ান সলিউশন লিমিটেড সর্বনিম্ন দরদাতা হয়। তারা মোট ৫১ কোটি ১৪ লাখ টাকা দর দেয়। সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির অনুমোদনের পর ২০০৩ সালের ২৫ জুন তাদের লেটার অব অ্যাকসেপ্টটেন্স দেয়া হয়।

বিষয়টি যমুনা বহুমুখী সেতু কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়। ২০০৪ সালের ৩১ মার্চ যমুনা বহুমুখী সেতুর রক্ষণাবেক্ষণ, পরিচালনা ও টোল আদায়ের জন্য মার্গানেট ওয়ান লিমিটেডকে কার্যাদেশ দেয়া হয়। ইন্দোনেশীয় প্রতিষ্ঠান পিটি জাসা মার্গা ও বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান নেট ওয়ান সলিউশন লিমিটেড যৌথভাবে ‘মার্গানেট ওয়ান লিমিটেড’ নাম দিয়ে জয়েন স্টক কোম্পানিতে নিবন্ধিত হয়।

সর্বনিম্ন দরদাতা হিসেবে কাজ শুরুর পর ২০০৪ সালের আগস্ট মাসে সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা মার্গানেট ওয়ান লিমিটেডের তৎকালীন চেয়ারম্যান সৈয়দ আহমেদ ফারুককে টেলিফোন করে মাসিক ৫০ হাজার টাকা উৎকোচ দাবি করেন। ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা বলেন, তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সিগমা হুদার মালিকানাধীন পত্রিকা ‘খবরের অন্তরালে’ (সাপ্তাহিক পত্রিকা) পরিচালনার জন্য অনেক টাকার প্রয়োজন।

উৎকোচের ওই টাকা দিয়ে খবরের অন্তরালে মার্গানেট ওয়ান লিমিটেডের নামে বিজ্ঞাপন ছাপা হলে কেউ সন্দেহ করবে না। নাজমুল হুদার দাবিকৃত মাসিক ৫০ হাজার টাকা উৎকোচ দেয়া মার্গানেট ওয়ান লিমিটেডের পক্ষে সম্ভব নয়। এছাড়া মার্গানেট ওয়ান লিমিটেড ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান হওয়ায় বিজ্ঞাপন প্রচারের প্রয়োজন নেই বলে নাজমুল হুদাকে জানানো হয়। এতে নাজমুল হুদা খুবই রাগান্বিত হন এবং মাসিক ভিত্তিতে ওই টাকা না দিলে মার্গানেট ওয়ান লিমিটেডকে বাংলাদেশে কালো তালিকাভুক্ত করা হবে।

একই সঙ্গে তাদের দেয়া কার্যাদেশ বাতিল করা হবে বলে হুমকি দেন। নাজমুল হুদার এমন হুমকির বিষয়টি মার্গানেট ওয়ান লিমিটেডের তৎকালীন চেয়ারম্যান প্রতিষ্ঠানের অন্য পরিচালকদের জানান এবং পরিচালনা পর্ষদে উপস্থাপন করেন। পরিচালনা পর্ষদ তাদের প্রতিষ্ঠানের আর্থিক বিনিয়োগের দিক বিবেচনা এবং নির্বিঘ্নে ব্যবসার স্বার্থে নাজমুল হুদাকে উৎকোচ দিতে রাজি হয়।

তবে মাসিক উৎকোচের পরিমাণ ৫০ হাজার টাকা থেকে কমানোর অনুরোধও করেন। পরিচালনা পরিষদের আলোচনায় উপস্থিত ছিলেন মার্গানেট ওয়ান লিমিটেডের তৎকালীন চেয়ারম্যান (বর্তমানে সিইও) সৈয়দ আহমেদ ফারুক ও চার পরিচালক- আর এ হাওলাদার, আনোয়ারুল হক, এসএমএ মান্নান এবং মো. মোবারক হোসেন।

চার্জশিটে আরও বলা হয়, পরিচালনা পর্ষদের অনুরোধের ভিত্তিতে মার্গানেট ওয়ান লিমিটেড চেয়ারম্যান সৈয়দ আহমেদ ফারুক সিগমা হুদার মালিকানাধীন খবরের অন্তরালে বিজ্ঞাপন বিল বাবদ প্রথম মাসে ৫০ হাজার টাকা দেন। পরে ২৫ হাজার টাকা করে দেয়া শুরু করেন। এভাবে মার্গানেট ওয়ান লিমিটেড কর্তৃপক্ষ হুমকির মুখে বাধ্য হয়ে ২০০৪ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে ২০০৬ সালের ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত মোট ১৯টি চেকের মাধ্যমে ৬ লাখ টাকা পরিশোধ করেন।

খবরের অন্তরালে পত্রিকার নামে বিজ্ঞাপন বিলে রূপান্তর করে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের নামে প্রাইম ব্যাংকের মতিঝিল শাখার চলতি হিসাব থেকে এই টাকা পরিশোধ করা হয়। মার্গানেট ওয়ান লিমিটেডের চেয়ারম্যানের কাছ থেকে জব্দকৃত রেকর্ডপত্রে ওই পত্রিকার নামে চেক দেয়ার প্রমাণ পাওয়া যায়। খবরের অন্তরালে পত্রিকার ব্যাংক হিসাবে হিসাব পরিচালনাকারী সিগমা হুদার নমুনা স্বাক্ষর ও পাসপোর্ট সাইজের ছবি রয়েছে।

হিসাব খোলার আবেদন, স্বাক্ষর কার্ড ও ছবিতে প্রমাণ হয় যে হিসাবটির মালিক সিগমা হুদা। এভাবে ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা ও অ্যাডভোকেট সিগমা হুদা পরস্পর যোগসাজশে মার্গানেট ওয়ান লিমিটেড থেকে ১৯টি চেকের মাধ্যমে মোট ছয় লাখ টাকা উৎকোচ গ্রহণ করেছেন। দণ্ডবিধির ১৬১/১৬৫(ক) ধারা এবং ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় নাজমুল হুদা দম্পতির বিরুদ্ধে এ চার্জশিট দেয়া হয়েছে।

এর আগে ঘুষ গ্রহণের ওই অভিযোগে ২০০৮ সালের ১৮ জুন রাজধানীর মতিঝিল থানায় দুদকের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ বেলাল হোসেন মামলাটি দায়ের করেন। মামলা তদন্তকালীন চার্জশিটভুক্ত সাক্ষী মার্গানেট ওয়ান লিমিটেডের তৎকালীন চেয়ারম্যান (বর্তমানে সিইও) সৈয়দ আহমেদ ফারুক ও চার পরিচালক- আর এ হাওলাদার, আনোয়ারুল হক, এসএমএ মান্নান এবং মো. মোবারক হোসেন আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।