২৩, সেপ্টেম্বর, ২০১৯, সোমবার | | ২৩ মুহররম ১৪৪১


উকুন তাড়ানোর সহজ পদ্ধতি জেনে নিন

রিপোর্টার নামঃ লাইফস্টাইল।। প্রতিদিনের কাগজ | আপডেট: ০২ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০৯:০০ পিএম

উকুন তাড়ানোর সহজ পদ্ধতি জেনে নিন
উকুন তাড়ানোর সহজ পদ্ধতি জেনে নিন

উকুন এমনই এক পোকা যার বসবাস আমাদের চুলে! ভেবে দেখুন তো, আপনারই মাথায় ঘর-সংসার পেতে বসেছে একদল পোকা! ভাবতেই কেমন গা ঘিনঘিন লাগছে না? এই পোকাটি শুধু অস্বস্তিদায়কই নয়, বিভিন্ন অসুখেরও কারণ হতে পারে।

তাই শুরুতেই উকুনকে প্রতিরোধ না করলে তা একটি বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়াতে পারে। আবার উকুন মারার জন্য ক্ষতিকারক কেমিক‍্যাল ব্যাবহার করলে তা চুলের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। তাই কিছু সহজ উপায় জেনে নিন উকুন দূর করার-

নারিকেল তেল: উকুন তাড়ানোর জন্য কিন্তু নারিকেল তেলের কোনো জুড়ি নেই। নারিকেল তেল উকুনের শ্বাসরোধ করতে সাহায্য করে। রাতে ৩-৪ চামচ নারিকেল তেল এবং কর্পূর গরম করে তা চুলে এবং মাথার তালুতে ভালো করে লাগাতে হবে। সকালবেলা ঘুম থেকে উঠে শ্যাম্পু করতে হবে। মোটামুটি সপ্তাহে ৫ দিন নিয়ম করে এই পদ্ধতি অনুসরণ করার পর উকুনমুক্ত হতে পারবেন।

লেবুর রস: লেবুর রসে আ্যাসিড থাকে যা উকুন তাড়াতে এবং আটকাতে উপযোগী। লেবুর রসের সাথে আদা বেটে সেই মিশ্রণটি চুলে প্রায় আধ ঘণ্টা রেখে দিতে হবে। এরপর পানি এবং শ্যাম্পু দিয়ে মাথা ধুয়ে ফেলতে হবে। এই মিশ্রণটি পর পর ৪-৫ দিন চুলে লাগালে পুরোপুরি উকুন তাড়ানো যায়।

ভিনেগার: উকুনকে প্রতিরোধ করার জন্য ভিনেগার হলো এক মোক্ষম উপায়। ভিনেগারে প্রচুর আসিটিক আ্যাসিড থাকে যা আমাদের চুলে হওয়া উকুনকে মারতে সাহায্য করে। ভিনিগার উকুনের ডিম বা নিটকে আমাদের চুলের থেকে বিলীন করে দেয়। সমান পরিমাণ ভিনেগার আর মিনারেল অয়েল মিশিয়ে ঘুমোনোর আগে তা আমাদের মাথার তালুতে এবং চুলে লাগিয়ে রাখতে হবে। আবার সকালে ঘুম থেকে উঠে শ্যাম্পু করতে হবে। মোটামুটি সপ্তাহে ২-৩ বার এই মিশ্রণটি লাগালে কিছু সপ্তাহের মধ্যেই উকুন থেকে বাঁচা সম্ভব।

পেঁয়াজ: পেঁয়াজ একটি খুবই সহজ এবং ঘরোয়া উপায়ে যা দিয়ে উকুন তাড়ানো যায়। কিছুটা পরিমানে পেঁয়াজ বেটে রাখতে হবে। তারপর ছাকনি দিয়ে তার রস বের করেতা আমাদের চুলে এবং মাথার তালুতে লাগাতে হবে। এরপর মাথা ঢেকে তা মোটামুটি ২ ঘণ্টার জন্য রেখে দিতে হবে। সময় হয়ে গেলে মাথায় হালকা গরম পানি এবং শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে। এই পদ্ধতি তা প্রথমে পর পর ৩ দিন অনুসরণ করে তারপর সপ্তাহে একদিন লাগাতে হবে। এইভাবে যতদিন না আমরা পুরো উকুন মুক্ত হচ্ছেন ততদিন মাসে ১ দিন করে লাগাতে হবে।

মেয়োনিজ: মেয়োনিজ আরেকটি সহজ উপায় যা উকুন মারতে সাহায্য করে। মেয়োনিজ চুলে লাগালে মেয়োনিজ উকুনকে শ্বাসরোধ করে দেয় এবং অবশেষে উকুনগুলো মারা যায়। প্রথমে চুলে মেয়োনিজ লাগিয়ে প্রায় ৫-৬ ঘন্টা সেটা রেখে দিতে হবে। ৫-৬ ঘণ্টা হয়ে যাওয়ার পর শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধোয়ার পর হেয়ার ড্রাইয়ের দিয়ে চুল শুকোতে লাগবে। এর পর সরু দাঁতের চিরুনি দিয়ে চুলের উকুন এবং নিটগুলো ঝেড়ে ফেলতে হবে। এই পদ্ধতিটি সপ্তাহে একবার করে ২ মাস অনুসরণ করতে হবে পুরোপুরি উকুন তাড়ানোর জন্য।

উল্লেখ করা প্রত্যেকটি মিশ্রণ লাগিয়ে কিন্তু অবশ্যই শাওয়ার ক‍্যাপ বা কোনো প্লাস্টিক দিয়ে আমাদের চুল ঢেকে রাখতে হবে। যেমন দিন উল্লেখ করা আছে ঠিক সেই সময় মতই আমাদের উল্লেখিত মিশ্রণটি লাগাতে হবে। যেকোনো একটি পদ্ধতিই উকুন মারতে সক্ষম।

উকুন তাড়ানোর সহজ পদ্ধতি জেনে নিন

প্রতিবেদক নাম: লাইফস্টাইল।। প্রতিদিনের কাগজ ,

প্রকাশের সময়ঃ ০২ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০৯:০০ পিএম

উকুন এমনই এক পোকা যার বসবাস আমাদের চুলে! ভেবে দেখুন তো, আপনারই মাথায় ঘর-সংসার পেতে বসেছে একদল পোকা! ভাবতেই কেমন গা ঘিনঘিন লাগছে না? এই পোকাটি শুধু অস্বস্তিদায়কই নয়, বিভিন্ন অসুখেরও কারণ হতে পারে।

তাই শুরুতেই উকুনকে প্রতিরোধ না করলে তা একটি বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়াতে পারে। আবার উকুন মারার জন্য ক্ষতিকারক কেমিক‍্যাল ব্যাবহার করলে তা চুলের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। তাই কিছু সহজ উপায় জেনে নিন উকুন দূর করার-

নারিকেল তেল: উকুন তাড়ানোর জন্য কিন্তু নারিকেল তেলের কোনো জুড়ি নেই। নারিকেল তেল উকুনের শ্বাসরোধ করতে সাহায্য করে। রাতে ৩-৪ চামচ নারিকেল তেল এবং কর্পূর গরম করে তা চুলে এবং মাথার তালুতে ভালো করে লাগাতে হবে। সকালবেলা ঘুম থেকে উঠে শ্যাম্পু করতে হবে। মোটামুটি সপ্তাহে ৫ দিন নিয়ম করে এই পদ্ধতি অনুসরণ করার পর উকুনমুক্ত হতে পারবেন।

লেবুর রস: লেবুর রসে আ্যাসিড থাকে যা উকুন তাড়াতে এবং আটকাতে উপযোগী। লেবুর রসের সাথে আদা বেটে সেই মিশ্রণটি চুলে প্রায় আধ ঘণ্টা রেখে দিতে হবে। এরপর পানি এবং শ্যাম্পু দিয়ে মাথা ধুয়ে ফেলতে হবে। এই মিশ্রণটি পর পর ৪-৫ দিন চুলে লাগালে পুরোপুরি উকুন তাড়ানো যায়।

ভিনেগার: উকুনকে প্রতিরোধ করার জন্য ভিনেগার হলো এক মোক্ষম উপায়। ভিনেগারে প্রচুর আসিটিক আ্যাসিড থাকে যা আমাদের চুলে হওয়া উকুনকে মারতে সাহায্য করে। ভিনিগার উকুনের ডিম বা নিটকে আমাদের চুলের থেকে বিলীন করে দেয়। সমান পরিমাণ ভিনেগার আর মিনারেল অয়েল মিশিয়ে ঘুমোনোর আগে তা আমাদের মাথার তালুতে এবং চুলে লাগিয়ে রাখতে হবে। আবার সকালে ঘুম থেকে উঠে শ্যাম্পু করতে হবে। মোটামুটি সপ্তাহে ২-৩ বার এই মিশ্রণটি লাগালে কিছু সপ্তাহের মধ্যেই উকুন থেকে বাঁচা সম্ভব।

পেঁয়াজ: পেঁয়াজ একটি খুবই সহজ এবং ঘরোয়া উপায়ে যা দিয়ে উকুন তাড়ানো যায়। কিছুটা পরিমানে পেঁয়াজ বেটে রাখতে হবে। তারপর ছাকনি দিয়ে তার রস বের করেতা আমাদের চুলে এবং মাথার তালুতে লাগাতে হবে। এরপর মাথা ঢেকে তা মোটামুটি ২ ঘণ্টার জন্য রেখে দিতে হবে। সময় হয়ে গেলে মাথায় হালকা গরম পানি এবং শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে। এই পদ্ধতি তা প্রথমে পর পর ৩ দিন অনুসরণ করে তারপর সপ্তাহে একদিন লাগাতে হবে। এইভাবে যতদিন না আমরা পুরো উকুন মুক্ত হচ্ছেন ততদিন মাসে ১ দিন করে লাগাতে হবে।

মেয়োনিজ: মেয়োনিজ আরেকটি সহজ উপায় যা উকুন মারতে সাহায্য করে। মেয়োনিজ চুলে লাগালে মেয়োনিজ উকুনকে শ্বাসরোধ করে দেয় এবং অবশেষে উকুনগুলো মারা যায়। প্রথমে চুলে মেয়োনিজ লাগিয়ে প্রায় ৫-৬ ঘন্টা সেটা রেখে দিতে হবে। ৫-৬ ঘণ্টা হয়ে যাওয়ার পর শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধোয়ার পর হেয়ার ড্রাইয়ের দিয়ে চুল শুকোতে লাগবে। এর পর সরু দাঁতের চিরুনি দিয়ে চুলের উকুন এবং নিটগুলো ঝেড়ে ফেলতে হবে। এই পদ্ধতিটি সপ্তাহে একবার করে ২ মাস অনুসরণ করতে হবে পুরোপুরি উকুন তাড়ানোর জন্য।

উল্লেখ করা প্রত্যেকটি মিশ্রণ লাগিয়ে কিন্তু অবশ্যই শাওয়ার ক‍্যাপ বা কোনো প্লাস্টিক দিয়ে আমাদের চুল ঢেকে রাখতে হবে। যেমন দিন উল্লেখ করা আছে ঠিক সেই সময় মতই আমাদের উল্লেখিত মিশ্রণটি লাগাতে হবে। যেকোনো একটি পদ্ধতিই উকুন মারতে সক্ষম।