১৮, আগস্ট, ২০১৯, রোববার | | ১৬ জ্বিলহজ্জ ১৪৪০


পথশিশুদের নাগরিক অধিকার নিশ্চিতে আন্তরিকতার অভাব

রিপোর্টার নামঃ প্রতিদিনের কাগজ অনলাইন | আপডেট: ১২ জুলাই ২০১৮, ০৮:৩০ পিএম

পথশিশুদের নাগরিক অধিকার নিশ্চিতে আন্তরিকতার অভাব
পথশিশুদের নাগরিক অধিকার নিশ্চিতে আন্তরিকতার অভাব

অবহেলা, লাঞ্ছনা, অধিকার বঞ্চিত হয়েই বড় হচ্ছে পথশিশুরা। তাদের নাগরিক অধিকার নিশ্চিতে রাষ্ট্রের তদারকি বিভাগ থাকলেও অভাব রয়েছে আন্তরিকতার। অর্থনীতিবিদ ও গবেষকরা বলছেন, স্বনির্ভর পরিবারের শিশুদের মতো তাদের স্বাভাবিক জীবন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে না পারলে, শুধু উন্নয়নই পিছিয়ে পড়বে না, বাড়বে সামাজিক অপরাধও।

বাবা-মা মারা যাওয়ার পর মানুষের দেয়া নামেই বড় হচ্ছে পারভেজ নামের এক শিশু। তার মতো জীবন চলে অনেকের। খাওয়া-থাকা’র বাহিরে কিছুই চাওয়ার নেই তাদের। এদের মধ্যে অনেকের বাবা-মা থাকলেও পরিবার বিচ্ছিন্ন থাকায় অভ্যস্ত স্বাধীন জীবনে। পারিবারিক পরিবেশের বাহিরে তাদের লাইফস্টাইল। আবাসস্থল স্টেশন হলেও সেখানেও নির্যাতন পোহাতে হয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে। অনেক সময় রাজনীতির বলির পাঠা হয়ে জেলেও যেতে হয়।

অভাব মেটাতে অনেক শিশুই চলে যায় এতিমখানায়। যেখানে সমসাময়িক শিক্ষা না পাওয়ায় বেকারত্বের ভার বইতে হয় জীবনভর। এজন্য পথশিশুদের গড়ে তুলতে সরকারকে দীর্ঘমেয়াদী কর্মসূচী নেয়ার পরামর্শ পিআরআই’র নির্বাহী পরিচালক আহসান মনসুরের। তিনি বলেন, তাদের যথাযথ শিক্ষা দেয়ার জন্য সরকারের একটি পদক্ষেপ নেয়া প্রয়োজন।
গবেষকরা বলছেন, কাউকে পিছিয়ে রেখে উন্নয়ন ধরে রাখা চ্যালেঞ্জিং। পথশিশুদের সুরক্ষায় সমন্বয়ের মাধ্যমে সরকারের পাশাপাশি এগিয়ে আসতে হবে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকেও।

মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক শামীমা আরা বলেন, শিশুদের জন্য কাজ করার জন্য আলাদা একটি ডিপার্টমেন্ট দরকার, যারা শুধুমাত্র শিশুদের নিয়েই কাজ করবে।
নোংরা পরিবেশ ও কাপড়ে বেড়ে উঠা এবং অস্বাস্থ্যকর খাবারে নানা রোগে আক্রান্তও হচ্ছে এসব শিশুরা।

পথশিশুদের নাগরিক অধিকার নিশ্চিতে আন্তরিকতার অভাব

প্রতিবেদক নাম: প্রতিদিনের কাগজ অনলাইন ,

প্রকাশের সময়ঃ ১২ জুলাই ২০১৮, ০৮:৩০ পিএম

অবহেলা, লাঞ্ছনা, অধিকার বঞ্চিত হয়েই বড় হচ্ছে পথশিশুরা। তাদের নাগরিক অধিকার নিশ্চিতে রাষ্ট্রের তদারকি বিভাগ থাকলেও অভাব রয়েছে আন্তরিকতার। অর্থনীতিবিদ ও গবেষকরা বলছেন, স্বনির্ভর পরিবারের শিশুদের মতো তাদের স্বাভাবিক জীবন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে না পারলে, শুধু উন্নয়নই পিছিয়ে পড়বে না, বাড়বে সামাজিক অপরাধও।

বাবা-মা মারা যাওয়ার পর মানুষের দেয়া নামেই বড় হচ্ছে পারভেজ নামের এক শিশু। তার মতো জীবন চলে অনেকের। খাওয়া-থাকা’র বাহিরে কিছুই চাওয়ার নেই তাদের। এদের মধ্যে অনেকের বাবা-মা থাকলেও পরিবার বিচ্ছিন্ন থাকায় অভ্যস্ত স্বাধীন জীবনে। পারিবারিক পরিবেশের বাহিরে তাদের লাইফস্টাইল। আবাসস্থল স্টেশন হলেও সেখানেও নির্যাতন পোহাতে হয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে। অনেক সময় রাজনীতির বলির পাঠা হয়ে জেলেও যেতে হয়।

অভাব মেটাতে অনেক শিশুই চলে যায় এতিমখানায়। যেখানে সমসাময়িক শিক্ষা না পাওয়ায় বেকারত্বের ভার বইতে হয় জীবনভর। এজন্য পথশিশুদের গড়ে তুলতে সরকারকে দীর্ঘমেয়াদী কর্মসূচী নেয়ার পরামর্শ পিআরআই’র নির্বাহী পরিচালক আহসান মনসুরের। তিনি বলেন, তাদের যথাযথ শিক্ষা দেয়ার জন্য সরকারের একটি পদক্ষেপ নেয়া প্রয়োজন।
গবেষকরা বলছেন, কাউকে পিছিয়ে রেখে উন্নয়ন ধরে রাখা চ্যালেঞ্জিং। পথশিশুদের সুরক্ষায় সমন্বয়ের মাধ্যমে সরকারের পাশাপাশি এগিয়ে আসতে হবে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকেও।

মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক শামীমা আরা বলেন, শিশুদের জন্য কাজ করার জন্য আলাদা একটি ডিপার্টমেন্ট দরকার, যারা শুধুমাত্র শিশুদের নিয়েই কাজ করবে।
নোংরা পরিবেশ ও কাপড়ে বেড়ে উঠা এবং অস্বাস্থ্যকর খাবারে নানা রোগে আক্রান্তও হচ্ছে এসব শিশুরা।