২২, সেপ্টেম্বর, ২০১৯, রোববার | | ২২ মুহররম ১৪৪১


ভারতীয় রুপির সঙ্গে বাংলাদেশি টাকার পার্থক্য মাত্র ১৪ পয়সা

রিপোর্টার নামঃ স্টাফ রিপোর্টার: | আপডেট: ২৭ আগস্ট ২০১৯, ০১:৩৯ পিএম

ভারতীয় রুপির সঙ্গে বাংলাদেশি টাকার পার্থক্য মাত্র ১৪ পয়সা
ভারতীয় রুপির সঙ্গে বাংলাদেশি টাকার পার্থক্য মাত্র ১৪ পয়সা

জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা সম্বলিত ৩৭০ ধারা তুলে নেয়ার প্রতিক্রিয়ায় ভারতের সঙ্গে সব ধরনের রাজনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক ছিন্ন করেছেন ইমরান। এতে দু’দেশেরই ক্ষতি হচ্ছে।

এ কারণে ভারতের অর্থনীতি ভালো নেই; মন্দা ভাব ফুটে উঠছে অনেক কিছুতেই। যদিও দেশটির সরকার তা স্বীকার করছে না। বড় বড় বেসরকারি সংস্থায় কর্মী ছাঁটাইয়ের হিড়িক পড়েছে। যার ফলে বেকারত্বের হার বেড়েই চলেছে। এতে মানুষের ক্রয়ক্ষমাতও হ্রাস পাচ্ছে। আর এসবের সরাসরি প্রভাব পড়ছে মুদ্রার দরে।

ভারতীয় রুপির রেকর্ড দরপতন ঘটেছে। বর্তমানে রুপিকে ধরে ফেলার উপক্রম করেছে বাংলাদেশি টাকা। ১০০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে ৮৬ রুপি। যা সাম্প্রতিক সময়ে সর্বোচ্চ। অপরদিকে ১০০ রুপির দাম গিয়ে দাঁড়িয়েছে ১১৫ টাকার সামান্য বেশি। আবার লেনদেন হুন্ডির মাধ্যমে হলে এর বেশিও মিলছে।

১৯৭১-এ বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর এটিই সর্বনিম্ন। ৭১-এ বাংলাদেশি টাকা এবং রুপির দর প্রায় সমান ছিল। তারপর দিনদিন পড়তে থাকে বাংলাদেশি টাকার দাম।

জানা যায়, পশ্চিমবঙ্গের কলকাতাসহ ভারতের বড় বড় শহরের শপিং মলে বাংলাদেশিদের কেনাকাটা বেড়েছে। ভারতে পাচার হয়ে যাচ্ছে কোটি কোটি টাকা। বেড়েছে চোরাচালানও। বিশ্বে বৈদেশিক মুদ্রার বাজারে যে ওঠানামা চলছে তাতে বাংলাদেশি টাকা ডলারের বিপরীতে বেশি দৃঢ়তা দেখাতে পেরেছে বলেই রুপির তুলনায় তার দর বেড়েছে। এর ফলে ১ মার্কিন ডলার প্রতি ভারতীয় রুপির দাম ৭২ টাকা ৩ পয়সা।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো বলছে, দেশটির মুদ্রার দামের অবনতি শুরু হয় গত আগস্ট থেকে। সোমবার দিনের শুরুতেই ডলারপ্রতি ভারতীয় রুপির দাম ৪২ পয়সা কমে দাঁড়ায় ৭২.০৮। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সেই নিম্নমুখী প্রবণতাও বজায় থাকে। এদিকে বাংলাদেশের শেয়ার বাজারের কারবার শুরুর কিছুক্ষণের মধ্যেই টাকার দামে পতন ঘটে। ৫৯ পয়সা কমে গিয়ে এক সময় ১ ডলারের দাম হয় ৭২.২৫ টাকা।

মুদ্রা বিনিময় কেন্দ্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা বলছে, আগস্ট মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকে ভারতে রুপির মান নিম্নমুখী হতে শুরু করে। ফলে রুপির বিপরীতে টাকার মূল্যমান বাড়তে থাকে। ডলারের দাম বৃদ্ধি ও সংকট, জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধিসহ ভারতের অভ্যন্তরীণ বাজারে রুপির এই দরপতনে বাংলাদেশি টাকার মান বেড়েছে।

ভারতীয় রুপির সঙ্গে বাংলাদেশি টাকার পার্থক্য মাত্র ১৪ পয়সা

প্রতিবেদক নাম: স্টাফ রিপোর্টার: ,

প্রকাশের সময়ঃ ২৭ আগস্ট ২০১৯, ০১:৩৯ পিএম

জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা সম্বলিত ৩৭০ ধারা তুলে নেয়ার প্রতিক্রিয়ায় ভারতের সঙ্গে সব ধরনের রাজনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক ছিন্ন করেছেন ইমরান। এতে দু’দেশেরই ক্ষতি হচ্ছে।

এ কারণে ভারতের অর্থনীতি ভালো নেই; মন্দা ভাব ফুটে উঠছে অনেক কিছুতেই। যদিও দেশটির সরকার তা স্বীকার করছে না। বড় বড় বেসরকারি সংস্থায় কর্মী ছাঁটাইয়ের হিড়িক পড়েছে। যার ফলে বেকারত্বের হার বেড়েই চলেছে। এতে মানুষের ক্রয়ক্ষমাতও হ্রাস পাচ্ছে। আর এসবের সরাসরি প্রভাব পড়ছে মুদ্রার দরে।

ভারতীয় রুপির রেকর্ড দরপতন ঘটেছে। বর্তমানে রুপিকে ধরে ফেলার উপক্রম করেছে বাংলাদেশি টাকা। ১০০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে ৮৬ রুপি। যা সাম্প্রতিক সময়ে সর্বোচ্চ। অপরদিকে ১০০ রুপির দাম গিয়ে দাঁড়িয়েছে ১১৫ টাকার সামান্য বেশি। আবার লেনদেন হুন্ডির মাধ্যমে হলে এর বেশিও মিলছে।

১৯৭১-এ বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর এটিই সর্বনিম্ন। ৭১-এ বাংলাদেশি টাকা এবং রুপির দর প্রায় সমান ছিল। তারপর দিনদিন পড়তে থাকে বাংলাদেশি টাকার দাম।

জানা যায়, পশ্চিমবঙ্গের কলকাতাসহ ভারতের বড় বড় শহরের শপিং মলে বাংলাদেশিদের কেনাকাটা বেড়েছে। ভারতে পাচার হয়ে যাচ্ছে কোটি কোটি টাকা। বেড়েছে চোরাচালানও। বিশ্বে বৈদেশিক মুদ্রার বাজারে যে ওঠানামা চলছে তাতে বাংলাদেশি টাকা ডলারের বিপরীতে বেশি দৃঢ়তা দেখাতে পেরেছে বলেই রুপির তুলনায় তার দর বেড়েছে। এর ফলে ১ মার্কিন ডলার প্রতি ভারতীয় রুপির দাম ৭২ টাকা ৩ পয়সা।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো বলছে, দেশটির মুদ্রার দামের অবনতি শুরু হয় গত আগস্ট থেকে। সোমবার দিনের শুরুতেই ডলারপ্রতি ভারতীয় রুপির দাম ৪২ পয়সা কমে দাঁড়ায় ৭২.০৮। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সেই নিম্নমুখী প্রবণতাও বজায় থাকে। এদিকে বাংলাদেশের শেয়ার বাজারের কারবার শুরুর কিছুক্ষণের মধ্যেই টাকার দামে পতন ঘটে। ৫৯ পয়সা কমে গিয়ে এক সময় ১ ডলারের দাম হয় ৭২.২৫ টাকা।

মুদ্রা বিনিময় কেন্দ্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা বলছে, আগস্ট মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকে ভারতে রুপির মান নিম্নমুখী হতে শুরু করে। ফলে রুপির বিপরীতে টাকার মূল্যমান বাড়তে থাকে। ডলারের দাম বৃদ্ধি ও সংকট, জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধিসহ ভারতের অভ্যন্তরীণ বাজারে রুপির এই দরপতনে বাংলাদেশি টাকার মান বেড়েছে।