২৩, সেপ্টেম্বর, ২০১৯, সোমবার | | ২৩ মুহররম ১৪৪১


রুয়েট ছাত্রীকে চলন্ত অটোতে শ্লীলতাহানি

রিপোর্টার নামঃ স্টাফ রিপোর্টার: | আপডেট: ২০ আগস্ট ২০১৯, ০১:৪৭ এএম

রুয়েট ছাত্রীকে চলন্ত অটোতে শ্লীলতাহানি
রুয়েট ছাত্রীকে চলন্ত অটোতে শ্লীলতাহানি

শ্লীলতাহানির পর ইজিবাইক থেকে রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) এক ছাত্রীকে রাস্তায় ছুঁড়ে ফেললো বখাটের দল। সোমবার রাজশাহী নগরীতে এমন ঘটনা ঘটে।

ইলেক্ট্রিক্যাল অ্যান্ড কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের এই ছাত্রী নগরীর উপশহর এলাকার বাসিন্দা। আজকে দুপুরে ইজিবাইকে করে বাসায় ফিরছিলেন ওই ছাত্রী।

এ নিয়ে থানায় কোনো অভিযোগ দেননি তিনি। তবে ভুক্তভোগী ওই ছাত্রী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেন। এরপর মুহূর্তেই সেটি ভাইরাল হয়ে যায়।

ওই ছাত্রী (সানজানা তাহাসীন) লেখেন- ‘আমার বাসা উপশহর। বাসা দূর বলে আমি সাধারণত রুয়েট থেকে রেইলগেট পর্যন্ত অটোতে করে আসি। আজকেও প্রতিদিনের মতো অটো নিলাম, সাথে ছিল দুইজন অপরিচিত রুয়েটিয়ান ভাইয়া আর একজন ভদ্রলোক।

রুয়েটিয়ান ভাই দুইজন চিশতিয়ার সামনে নেমে গেলেন। ভদ্রা পার হয়ে কিছুদূর যাওয়ার পর হঠাৎ অটোওয়ালা অটো থামায় দিলো, সামনে থাকা ভদ্রলোককে বললো, আপনি নেমে যান, আমি নিজস্ব লোক তুলবো!

আমি কিছু বুঝে উঠার আগেই ওই ভদ্রলোককে জোরপূর্বক নামিয়ে চারজন গুন্ডা নিয়ে অটো চালানো শুরু হয়ে গেলো! ভদ্রা থেকে রেলস্টেশন পর্যন্ত রাস্তা মোটামুটি নির্জন, ইচ্ছামতো সেই চারজন আমাকে স্পর্শ করা শুরু করলো।

 

হাজারবার অটো থামানোর জন্য চিৎকার করার পরও অটোওয়ালা পশুর মতো হাসতে থাকলো…পরে নগরভবনের সামনে পুলিশ দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে ভয় পেয়ে তারা অটো থেকে ধাক্কা মেরে আমাকে ফেলে দিয়ে দ্রুত চলে গেল!!! যতক্ষণে নিজের পায়ে দাঁড়াতে পেরেছি ততক্ষণে অটো বহুদূর….

কাহিনীটা শুধু শেয়ার করলাম। এইটা বাংলাদেশে, কোনো বিচারের আশা আমি করছি না।’ এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন লোকজন। অভিযুক্তদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি উঠেছে।

এর আগে গত ১০ আগস্ট রাতে নগরীর মনিচত্বর এলাকায় বখাটেদের হামলার শিকার হন রুয়েটের ইলেক্ট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেক্ট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের সহকারী অধ্যাপক রাশিদুল ইসলাম।

‘প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক’ প্রাপ্ত এই শিক্ষক শ্লীলতাহানির শিকার স্ত্রীকে বাঁচাতে গিয়ে হামলার মুখে পড়েন। এ নিয়ে তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্ট দেন।

সেখানে তিনি বলেন, আশপাশে অনেক মানুষ দাঁড়িয়ে দেখলেও কেউ তাকে বাঁচাতে এগিয়ে আসেননি। তার এই পোস্ট ভাইরাল হয়ে যায়। অবশেষে ঘটনার ছয়দিন পর থানায় মামলা করলেন ভুক্তভোগী শিক্ষকের স্ত্রী।

১৬ আগস্ট এ নিয়ে নগরীর বোয়ালিয়া মডেল থানায় মামলা হলেও জড়িত আট বখাটেকে আটক করতে পারেনি পুলিশ। এ নিয়ে সোমবার বিক্ষোভ করেছেন রুয়েট শিক্ষার্থীরা।

রুয়েট ছাত্রীকে চলন্ত অটোতে শ্লীলতাহানি

প্রতিবেদক নাম: স্টাফ রিপোর্টার: ,

প্রকাশের সময়ঃ ২০ আগস্ট ২০১৯, ০১:৪৭ এএম

শ্লীলতাহানির পর ইজিবাইক থেকে রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) এক ছাত্রীকে রাস্তায় ছুঁড়ে ফেললো বখাটের দল। সোমবার রাজশাহী নগরীতে এমন ঘটনা ঘটে।

ইলেক্ট্রিক্যাল অ্যান্ড কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের এই ছাত্রী নগরীর উপশহর এলাকার বাসিন্দা। আজকে দুপুরে ইজিবাইকে করে বাসায় ফিরছিলেন ওই ছাত্রী।

এ নিয়ে থানায় কোনো অভিযোগ দেননি তিনি। তবে ভুক্তভোগী ওই ছাত্রী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেন। এরপর মুহূর্তেই সেটি ভাইরাল হয়ে যায়।

ওই ছাত্রী (সানজানা তাহাসীন) লেখেন- ‘আমার বাসা উপশহর। বাসা দূর বলে আমি সাধারণত রুয়েট থেকে রেইলগেট পর্যন্ত অটোতে করে আসি। আজকেও প্রতিদিনের মতো অটো নিলাম, সাথে ছিল দুইজন অপরিচিত রুয়েটিয়ান ভাইয়া আর একজন ভদ্রলোক।

রুয়েটিয়ান ভাই দুইজন চিশতিয়ার সামনে নেমে গেলেন। ভদ্রা পার হয়ে কিছুদূর যাওয়ার পর হঠাৎ অটোওয়ালা অটো থামায় দিলো, সামনে থাকা ভদ্রলোককে বললো, আপনি নেমে যান, আমি নিজস্ব লোক তুলবো!

আমি কিছু বুঝে উঠার আগেই ওই ভদ্রলোককে জোরপূর্বক নামিয়ে চারজন গুন্ডা নিয়ে অটো চালানো শুরু হয়ে গেলো! ভদ্রা থেকে রেলস্টেশন পর্যন্ত রাস্তা মোটামুটি নির্জন, ইচ্ছামতো সেই চারজন আমাকে স্পর্শ করা শুরু করলো।

 

হাজারবার অটো থামানোর জন্য চিৎকার করার পরও অটোওয়ালা পশুর মতো হাসতে থাকলো…পরে নগরভবনের সামনে পুলিশ দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে ভয় পেয়ে তারা অটো থেকে ধাক্কা মেরে আমাকে ফেলে দিয়ে দ্রুত চলে গেল!!! যতক্ষণে নিজের পায়ে দাঁড়াতে পেরেছি ততক্ষণে অটো বহুদূর….

কাহিনীটা শুধু শেয়ার করলাম। এইটা বাংলাদেশে, কোনো বিচারের আশা আমি করছি না।’ এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন লোকজন। অভিযুক্তদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি উঠেছে।

এর আগে গত ১০ আগস্ট রাতে নগরীর মনিচত্বর এলাকায় বখাটেদের হামলার শিকার হন রুয়েটের ইলেক্ট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেক্ট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের সহকারী অধ্যাপক রাশিদুল ইসলাম।

‘প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক’ প্রাপ্ত এই শিক্ষক শ্লীলতাহানির শিকার স্ত্রীকে বাঁচাতে গিয়ে হামলার মুখে পড়েন। এ নিয়ে তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্ট দেন।

সেখানে তিনি বলেন, আশপাশে অনেক মানুষ দাঁড়িয়ে দেখলেও কেউ তাকে বাঁচাতে এগিয়ে আসেননি। তার এই পোস্ট ভাইরাল হয়ে যায়। অবশেষে ঘটনার ছয়দিন পর থানায় মামলা করলেন ভুক্তভোগী শিক্ষকের স্ত্রী।

১৬ আগস্ট এ নিয়ে নগরীর বোয়ালিয়া মডেল থানায় মামলা হলেও জড়িত আট বখাটেকে আটক করতে পারেনি পুলিশ। এ নিয়ে সোমবার বিক্ষোভ করেছেন রুয়েট শিক্ষার্থীরা।