২৩, সেপ্টেম্বর, ২০১৯, সোমবার | | ২৩ মুহররম ১৪৪১


লালমনিরহাটে ৮৪ জন ডেঙ্গু রোগী সনাক্ত, মৃত্যু-এক

ডেঙ্গু মশা নিয়ে আতঙ্কিত না হয়ে, ডেঙ্গু প্রতিরোধে সকলকে সচেতন হতে হবে।

রিপোর্টার নামঃ মোঃ ইউনুস আলী, লালমনিরহাট প্রতিনিধি: | আপডেট: ১৯ আগস্ট ২০১৯, ১২:৩২ এএম

লালমনিরহাটে ৮৪ জন ডেঙ্গু রোগী সনাক্ত, মৃত্যু-এক
লালমনিরহাটে ৮৪ জন ডেঙ্গু রোগী সনাক্ত, মৃত্যু-এক

গত জুলাই মাস থেকে আগস্ট মাসের ১৮ তারিখ পর্যন্ত লালমনিরহাট জেলায় ৮৪ জন ডেঙ্গু রোগী সনাক্ত করা হয়েছে বলে জেলা স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জনা গেছে। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের মতে, ডেঙ্গু মশা নিয়ে আতঙ্কিত না হয়ে, ডেঙ্গু প্রতিরোধে সকলকে সচেতন হতে হবে।

রোববার (১৮ আগষ্ট) সূত্রটি জানায়, বর্তমানে সদর হাসপাতালে ১১ জন ডেঙ্গু রোগী চিৎিসাধীন রয়েছে। জেলায় ৪৩ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ্য হয়ে বাড়িতে ফিরে গেছে। ৩০ জন রোগীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে। সেখানেই অনেকেই চিকিৎসাধীন রয়েছে। কেউবা সুস্থ্য হয়ে বাড়িতে ফিরে গেছে।

সদর উপজেলার কালমাটি বাকডোকরা গ্রামের মনিরুল ইসলাম (৩৪), পিতা মৃত: খইমুদ্দিন, ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করে।

সিভিল সার্জন ডাঃ কাশেম আলী জানান, মনিরুল ইসলাম ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়ে ঢাকা থেকে লালমনিরহাট আসে। চিকিৎসা নিয়ে বাড়িতে ফিরে যায়। সে কয়েক দিন পর আবারও ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়ে মুমুর্ষ অবস্থায় সদর হাসপাতালে ভর্তি হয়। এবারে সে ডেঙ্গু শক সিড্রোমে আক্রান্ত হয়। লালমনিরহাট সদর হাসপাতালে আইসিইউ না থাকায় তাকে ১১ আগস্ট রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু ঘটে।

বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক জানান, লালমনিরহাটেও ডেঙ্গু মশার আগমন ঘটেছে। তাই আতঙ্কিত না হয়ে, ডেঙ্গু প্রতিরোধে সকলকে সচেতন হতে হবে।

লালমনিরহাটে ৮৪ জন ডেঙ্গু রোগী সনাক্ত, মৃত্যু-এক

প্রতিবেদক নাম: মোঃ ইউনুস আলী, লালমনিরহাট প্রতিনিধি: ,

প্রকাশের সময়ঃ ১৯ আগস্ট ২০১৯, ১২:৩২ এএম

গত জুলাই মাস থেকে আগস্ট মাসের ১৮ তারিখ পর্যন্ত লালমনিরহাট জেলায় ৮৪ জন ডেঙ্গু রোগী সনাক্ত করা হয়েছে বলে জেলা স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জনা গেছে। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের মতে, ডেঙ্গু মশা নিয়ে আতঙ্কিত না হয়ে, ডেঙ্গু প্রতিরোধে সকলকে সচেতন হতে হবে।

রোববার (১৮ আগষ্ট) সূত্রটি জানায়, বর্তমানে সদর হাসপাতালে ১১ জন ডেঙ্গু রোগী চিৎিসাধীন রয়েছে। জেলায় ৪৩ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ্য হয়ে বাড়িতে ফিরে গেছে। ৩০ জন রোগীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে। সেখানেই অনেকেই চিকিৎসাধীন রয়েছে। কেউবা সুস্থ্য হয়ে বাড়িতে ফিরে গেছে।

সদর উপজেলার কালমাটি বাকডোকরা গ্রামের মনিরুল ইসলাম (৩৪), পিতা মৃত: খইমুদ্দিন, ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করে।

সিভিল সার্জন ডাঃ কাশেম আলী জানান, মনিরুল ইসলাম ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়ে ঢাকা থেকে লালমনিরহাট আসে। চিকিৎসা নিয়ে বাড়িতে ফিরে যায়। সে কয়েক দিন পর আবারও ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়ে মুমুর্ষ অবস্থায় সদর হাসপাতালে ভর্তি হয়। এবারে সে ডেঙ্গু শক সিড্রোমে আক্রান্ত হয়। লালমনিরহাট সদর হাসপাতালে আইসিইউ না থাকায় তাকে ১১ আগস্ট রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু ঘটে।

বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক জানান, লালমনিরহাটেও ডেঙ্গু মশার আগমন ঘটেছে। তাই আতঙ্কিত না হয়ে, ডেঙ্গু প্রতিরোধে সকলকে সচেতন হতে হবে।