১৭, আগস্ট, ২০১৯, শনিবার | | ১৫ জ্বিলহজ্জ ১৪৪০


মিয়ানমারে ভয়াবহ ভূমিধসে নিহত ৫১

রিপোর্টার নামঃ আন্তর্জাতিক ডেস্ক: | আপডেট: ১২ আগস্ট ২০১৯, ০৬:৩৯ পিএম

মিয়ানমারে ভয়াবহ ভূমিধসে নিহত ৫১
মিয়ানমারে ভয়াবহ ভূমিধসে নিহত ৫১

মিয়ানমারের পূর্বাঞ্চলীয় একটি গ্রামে ভয়াবহ ভূমিধসে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৫১ জনে দাঁড়িয়েছে। ভূমিধসের ঘটনায় আহত আরও বেশ কিছু মানুষের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তারা এখন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

ফ্রান্সভিত্তিক বার্তা সংস্থা এএফপি এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, শুক্রবারের ওই ভূমিধসের পর নিহতের সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। সর্বশেষ পাওয়া তথ্য অনুযায়ী তারা ভূমিধসের ঘটনায় ৫১ জন নিহত হয়েছে বলে জানতে পেরেছে।

প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, গত সপ্তাহ ধরে চলা টানা ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে শুক্রবার দেশটির মোন প্রদেশের একটি পর্বতের সমতলে অবস্থিত একটি গ্রামে ভূমিধসের ঘটনা ঘটে। গ্রামটির নাম থায়ি পেয়ার কোনি।

পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত হওয়ায় ভূমিধসের কারণে গ্রামটির মোট ১৬টি বাড়ি এবং বৌদ্ধ ধর্মবালম্বীরদের একটি মঠ মাটির নিচে চাপা পড়ে। ঘটনার পরপরই দেশটির উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা কাদার ভেতর থেকে একে একে মরদেহ বের করতে থাকে।

উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা মাটির নিচে চাপা পড়া অনেক জীবিত মানুষকেও বের করে আনে। যদিও তাদের মধ্যে অনেকের অবস্থা ছিল আশঙ্কাজনক। রাতভর উদ্ধার কার্যক্রম চালায় তারা। স্থানীয় প্রশাসক মিয়ো মিন তুন বলেন, ‘এ পর্যন্ত আমরা ৫১ জনের মরদেহ এবং ৪৭ জন আহত মানুষকে উদ্ধার করেছি।’

মিয়ানমারে ভয়াবহ ভূমিধসে নিহত ৫১

প্রতিবেদক নাম: আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ,

প্রকাশের সময়ঃ ১২ আগস্ট ২০১৯, ০৬:৩৯ পিএম

মিয়ানমারের পূর্বাঞ্চলীয় একটি গ্রামে ভয়াবহ ভূমিধসে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৫১ জনে দাঁড়িয়েছে। ভূমিধসের ঘটনায় আহত আরও বেশ কিছু মানুষের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তারা এখন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

ফ্রান্সভিত্তিক বার্তা সংস্থা এএফপি এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, শুক্রবারের ওই ভূমিধসের পর নিহতের সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। সর্বশেষ পাওয়া তথ্য অনুযায়ী তারা ভূমিধসের ঘটনায় ৫১ জন নিহত হয়েছে বলে জানতে পেরেছে।

প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, গত সপ্তাহ ধরে চলা টানা ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে শুক্রবার দেশটির মোন প্রদেশের একটি পর্বতের সমতলে অবস্থিত একটি গ্রামে ভূমিধসের ঘটনা ঘটে। গ্রামটির নাম থায়ি পেয়ার কোনি।

পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত হওয়ায় ভূমিধসের কারণে গ্রামটির মোট ১৬টি বাড়ি এবং বৌদ্ধ ধর্মবালম্বীরদের একটি মঠ মাটির নিচে চাপা পড়ে। ঘটনার পরপরই দেশটির উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা কাদার ভেতর থেকে একে একে মরদেহ বের করতে থাকে।

উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা মাটির নিচে চাপা পড়া অনেক জীবিত মানুষকেও বের করে আনে। যদিও তাদের মধ্যে অনেকের অবস্থা ছিল আশঙ্কাজনক। রাতভর উদ্ধার কার্যক্রম চালায় তারা। স্থানীয় প্রশাসক মিয়ো মিন তুন বলেন, ‘এ পর্যন্ত আমরা ৫১ জনের মরদেহ এবং ৪৭ জন আহত মানুষকে উদ্ধার করেছি।’