১৭, আগস্ট, ২০১৯, শনিবার | | ১৫ জ্বিলহজ্জ ১৪৪০


খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করতে বিএসএমএমইউতে পরিবারের ৬ সদস্য

রিপোর্টার নামঃ স্টাফ রিপোর্টার: | আপডেট: ১২ আগস্ট ২০১৯, ০৬:৩০ পিএম

খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করতে বিএসএমএমইউতে পরিবারের ৬ সদস্য
খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করতে বিএসএমএমইউতে পরিবারের ৬ সদস্য

কারা কর্তৃপক্ষের অনুমতি সাপেক্ষে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সাথে দেখা করতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালে গেছেন পরিবারের ৬ সদস্য। সোমবার (১২ আগস্ট) পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে দুপুরে তারা সাক্ষাৎ করতে বিএসএমএমইউতে যান।

সাক্ষাৎ করতে যাওয়া পরিবারের ৬ সদস্য হলেন- বেগম খালেদা জিয়ার পুত্রবুধূ শর্মিলা রহমান, নাতনী জাফিরা রহমান, নাতনী জাহিরা রহমান, ভাই শামীম ইস্কানদার, ভাবী কানিজ ফাতেমা এবং ভাতিজা অভিক ইস্কানদার।

সোমবার দুপুর ২টা ১২ মিনিটে তারা বিএসএমএমইউ হাসপাতালে কেবিন ব্লকের ৬ তলায় বেগম খালেদার সঙ্গে দেখা করতে যান। এ সময় তারা খালেদা জিয়ার জন্য বাসায় তৈরি খাবারও সঙ্গে নিয়ে যান।

বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা এ তথ্য নিশ্চিত করেন জানান, বেগম খালেদা জিয়ার পরিবারের ৬ সদস্য দুপুর ২টা ১২ মিনিটে এসেছেন। বিকেল চারটায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত তারা কেবিনেই অবস্থান করছেন বলে জানান তিনি।

খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করতে বিএসএমএমইউতে পরিবারের ৬ সদস্য

প্রতিবেদক নাম: স্টাফ রিপোর্টার: ,

প্রকাশের সময়ঃ ১২ আগস্ট ২০১৯, ০৬:৩০ পিএম

কারা কর্তৃপক্ষের অনুমতি সাপেক্ষে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সাথে দেখা করতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালে গেছেন পরিবারের ৬ সদস্য। সোমবার (১২ আগস্ট) পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে দুপুরে তারা সাক্ষাৎ করতে বিএসএমএমইউতে যান।

সাক্ষাৎ করতে যাওয়া পরিবারের ৬ সদস্য হলেন- বেগম খালেদা জিয়ার পুত্রবুধূ শর্মিলা রহমান, নাতনী জাফিরা রহমান, নাতনী জাহিরা রহমান, ভাই শামীম ইস্কানদার, ভাবী কানিজ ফাতেমা এবং ভাতিজা অভিক ইস্কানদার।

সোমবার দুপুর ২টা ১২ মিনিটে তারা বিএসএমএমইউ হাসপাতালে কেবিন ব্লকের ৬ তলায় বেগম খালেদার সঙ্গে দেখা করতে যান। এ সময় তারা খালেদা জিয়ার জন্য বাসায় তৈরি খাবারও সঙ্গে নিয়ে যান।

বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা এ তথ্য নিশ্চিত করেন জানান, বেগম খালেদা জিয়ার পরিবারের ৬ সদস্য দুপুর ২টা ১২ মিনিটে এসেছেন। বিকেল চারটায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত তারা কেবিনেই অবস্থান করছেন বলে জানান তিনি।