১৭, আগস্ট, ২০১৯, শনিবার | | ১৫ জ্বিলহজ্জ ১৪৪০


কাশ্মীর ইস্যুতে রাশিয়াকে পাশে পেল ভারত

রিপোর্টার নামঃ আন্তর্জাতিক ডেস্ক: | আপডেট: ১০ আগস্ট ২০১৯, ০২:৪৭ পিএম

কাশ্মীর ইস্যুতে রাশিয়াকে পাশে পেল ভারত
কাশ্মীর ইস্যুতে রাশিয়াকে পাশে পেল ভারত

কাশ্মীর ইস্যুতে রাশিয়াকে পাশে পাচ্ছে ভারত। কাশ্মীর নিয়ে ভারত যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে তার প্রতি সমর্থন জানিয়েছে মস্কো। এর আগে কাশ্মীর ইস্যুতে ভারত-পাকিস্তানের উত্তাপে ইসলামাবাদের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে চীন। এক ঘোষণায় চীনের তরফ থেকে জানানো হয়েছে যে, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পাকিস্তানকে ন্যায়বিচার পাইয়ে দিতে পাশে থাকবে বেইজিং। গত সোমবার সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিলের মাধ্যমে কাশ্মীরের ওপর থেকে বিশেষ মর্যাদা তুলে নেয় ভারত।

তবে আরেক পরাশক্তির দেশ যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি কোন দেশকে সমর্থন না জানিয়ে বলেছে, পুরো পরিস্থিতি নজরে রাখা হচ্ছে। কিন্তু রাশিয়ায়ই প্রথম দেশ হিসেবে সরাসরি ভারতের সিদ্ধান্তের সমর্থন জানিয়েছে।

রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, মস্কো চায় ভারত এবং পাকিস্তানের মধ্যে সমস্যা মিটে যাক। রাশিয়া আশা করছে, দু'দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক এবং কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে এই সমস্যার সমাধান হবে।

ওই বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে যে, মস্কো মনে করে কাশ্মীর নিয়ে ভারতের নতুন সিদ্ধান্ত দু'দেশের পারস্পরিক আলোচনায় সমাধান করা সম্ভব হবে। দু'দেশই দেখবে কাশ্মীরবাসীর যেন কোনও সমস্যা না হয়। এর আগে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তরফ থেকে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছিল যে, ভারতের পক্ষ থেকে বিভিন্ন দেশে দূত পাঠিয়ে কাশ্মীর নিয়ে সিদ্ধান্তের বিষয়ে ভারতের অবস্থান স্পষ্ট করা হয়েছে। এমনকি যুক্তরাষ্ট্রকেও ভারতের অবস্থান সম্পর্কে জানানো হয়েছে।

অপরদিকে, চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, কাশ্মীর ইস্যুতে পাকিস্তানের ‘বৈধ অধিকার ও স্বার্থের’ প্রতি সমর্থন দিয়ে যাবে চীন। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং-ই জানিয়েছেন, কাশ্মীরে উত্তেজনা বৃদ্ধির বিষয়ে চীন গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। চীন বিশ্বাস করে যে, কাশ্মীর ইস্যুতে একতরফা সিদ্ধান্ত পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলবে। এটা কখনোই করা উচিত হবে না।

বেইজিং এক বিবৃতিতে ভারত এবং পাকিস্তানকে ঐতিহাসিক ক্ষোভ কাটিয়ে সঠিকভাবে এই সমস্যা সমাধানের আহ্বান জানিয়েছে। এক তরফা সিদ্ধান্ত এড়িয়ে একটি নতুন শান্তিপূর্ণ উপায়ে এই সমস্যা সমাধানের আহ্বান জানিয়েছে চীন। জাতিসংঘের দলিলপত্র, নিরাপত্তা পরিষদের বিশ্লেষণ এবং দ্বিপাক্ষিক চুক্তি অনুসারে সুরাহা হওয়া উচিত বলে ওই বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

কাশ্মীর ইস্যুতে রাশিয়াকে পাশে পেল ভারত

প্রতিবেদক নাম: আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ,

প্রকাশের সময়ঃ ১০ আগস্ট ২০১৯, ০২:৪৭ পিএম

কাশ্মীর ইস্যুতে রাশিয়াকে পাশে পাচ্ছে ভারত। কাশ্মীর নিয়ে ভারত যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে তার প্রতি সমর্থন জানিয়েছে মস্কো। এর আগে কাশ্মীর ইস্যুতে ভারত-পাকিস্তানের উত্তাপে ইসলামাবাদের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে চীন। এক ঘোষণায় চীনের তরফ থেকে জানানো হয়েছে যে, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পাকিস্তানকে ন্যায়বিচার পাইয়ে দিতে পাশে থাকবে বেইজিং। গত সোমবার সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিলের মাধ্যমে কাশ্মীরের ওপর থেকে বিশেষ মর্যাদা তুলে নেয় ভারত।

তবে আরেক পরাশক্তির দেশ যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি কোন দেশকে সমর্থন না জানিয়ে বলেছে, পুরো পরিস্থিতি নজরে রাখা হচ্ছে। কিন্তু রাশিয়ায়ই প্রথম দেশ হিসেবে সরাসরি ভারতের সিদ্ধান্তের সমর্থন জানিয়েছে।

রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, মস্কো চায় ভারত এবং পাকিস্তানের মধ্যে সমস্যা মিটে যাক। রাশিয়া আশা করছে, দু'দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক এবং কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে এই সমস্যার সমাধান হবে।

ওই বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে যে, মস্কো মনে করে কাশ্মীর নিয়ে ভারতের নতুন সিদ্ধান্ত দু'দেশের পারস্পরিক আলোচনায় সমাধান করা সম্ভব হবে। দু'দেশই দেখবে কাশ্মীরবাসীর যেন কোনও সমস্যা না হয়। এর আগে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তরফ থেকে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছিল যে, ভারতের পক্ষ থেকে বিভিন্ন দেশে দূত পাঠিয়ে কাশ্মীর নিয়ে সিদ্ধান্তের বিষয়ে ভারতের অবস্থান স্পষ্ট করা হয়েছে। এমনকি যুক্তরাষ্ট্রকেও ভারতের অবস্থান সম্পর্কে জানানো হয়েছে।

অপরদিকে, চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, কাশ্মীর ইস্যুতে পাকিস্তানের ‘বৈধ অধিকার ও স্বার্থের’ প্রতি সমর্থন দিয়ে যাবে চীন। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং-ই জানিয়েছেন, কাশ্মীরে উত্তেজনা বৃদ্ধির বিষয়ে চীন গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। চীন বিশ্বাস করে যে, কাশ্মীর ইস্যুতে একতরফা সিদ্ধান্ত পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলবে। এটা কখনোই করা উচিত হবে না।

বেইজিং এক বিবৃতিতে ভারত এবং পাকিস্তানকে ঐতিহাসিক ক্ষোভ কাটিয়ে সঠিকভাবে এই সমস্যা সমাধানের আহ্বান জানিয়েছে। এক তরফা সিদ্ধান্ত এড়িয়ে একটি নতুন শান্তিপূর্ণ উপায়ে এই সমস্যা সমাধানের আহ্বান জানিয়েছে চীন। জাতিসংঘের দলিলপত্র, নিরাপত্তা পরিষদের বিশ্লেষণ এবং দ্বিপাক্ষিক চুক্তি অনুসারে সুরাহা হওয়া উচিত বলে ওই বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।