২২, আগস্ট, ২০১৯, বৃহস্পতিবার | | ২০ জ্বিলহজ্জ ১৪৪০


বীর মুক্তিযোদ্ধা মোতাহার হোসেন কলেজের পক্ষ থেকে "ঈদ-উল আজহার শুভেচ্ছে"

ঈদ মোবারক

রিপোর্টার নামঃ মোঃ ইউনুস আলী, লালমনিরহাট প্রতিনিধি : | আপডেট: ১০ আগস্ট ২০১৯, ১২:২৪ এএম

বীর মুক্তিযোদ্ধা মোতাহার হোসেন কলেজের পক্ষ থেকে
বীর মুক্তিযোদ্ধা মোতাহার হোসেন কলেজের পক্ষ থেকে "ঈদ-উল আজহার শুভেচ্ছে"

পবিত্র ঈদ-উল-আজহা উপলক্ষে লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার "বীর মুক্তিযোদ্ধা মোতাহার হোসেন কলেজের" সকল ছাত্রছাত্রী, শিক্ষক, শুভাকাঙ্ক্ষী, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও দেশ-বিদেশের সকলকেই শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন, অধ্যক্ষ আবু বকর সিদ্দিক শ্যামল।

আনুগত্যের উজ্জ্বল মহিমায় ভাস্বর ঈদ উল আজহা।ঈদুল আজহার উদ্দেশ্য স্রষ্টার সন্তুষ্টির জন্য নিজেকে উৎসর্গ করতে প্রস্তুত থাকা। কুরবানীর সঠিক তাৎপর্যকে উপলব্ধি করে যদি ধর্মপ্রাণ মানুষ কুরবানী দেয়, তাহলে ঈদ-উল-আজহার প্রকৃত উদ্দেশ্য সার্থক হবে।

এই বিশেষ দিনটিকে কেন্দ্র করে গাঢ় হয় পরস্পরের প্রতি আমাদের সহমর্মিতা, ভালবাসা এবং শ্রদ্ধাবোধ। আল্লাহ্‌তায়ালা ধনী-গরীব সবার মাঝেই ঈদের আনন্দ সমান-ভাবে বন্টনের যে শিক্ষা দিয়েছেন তা সঠিকভাবে পালনের মাধ্যমে এর তাৎপর্যকে তুলে ধরতে হবে।

এই পবিত্র দিনে বীর মুক্তিযোদ্ধা মোতাহার হোসেন কলেজের সকল ছাত্রছাত্রী, শিক্ষক, পরিচালকমন্ডলী ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি আহবান, ত্যাগের মহিমায় উজ্জল ঈদুল আজহার দিনে আনন্দ উৎসবে ভরে উঠুক সকলের মনপ্রাণ। সকল ভেদাভেদ ভুলে গিয়ে, গরীব দুঃখীদের পাশে দাঁড়াই। পবিত্র ঈদ-উল-আযহা সবার জন্য বয়ে আনুক অনাবিল সুখ ও প্রশান্তি।

উল্লেখ্য  চার হাজার বছর আগে হযরত ইব্রাহিম (আ.) মহান আল্লাহ তায়ালার ইঙ্গিতে তার সবচেয়ে প্রিয় পুত্র ইসমাঈল (আ.)কে কুরবানি দেয়ার সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু আল্লাহ অপার কুদরতের মহিমায় ইসমাঈল (আ.)-এর বদলে কুরবানি হয়ে যায় একটি দুম্বা। সেখান থেকেই নিজের প্রিয় বস্তু আল্লাহর জন্য উৎসর্গ করার শিক্ষা নিয়ে শুরু হয় কুরবানির প্রচলন। প্রতি বছর বাংলাদেশের কোটি কোটি মুসলমান আল্লাহর সান্নিধ্য ও করুণা লাভের প্রত্যাশায় কুরবানি করে থাকেন। 

এবিষয়ে ঐ কলেজের অধ্যক্ষ আবু বকর সিদ্দিক শ্যামল বলেন, পবিত্র ঈদ-উল-আজহা উপলক্ষে সকলকে জানাই, আন্তরিক শুভেচ্ছা, অভিনন্দন ও ঈদ মোবারক। আমি সকলের অব্যাহত সুখ, শান্তি সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করি। ঈদকে দ্বারাই মহান আল্লাহ তাঁর বান্দাকে নিয়ামাত কিংবা অনুগ্রহে ধন্য করে থাকে। মহান আল্লাহ পাক মুসলিম উম্মাদের প্রতি নিয়ামাত হিসেবেই ঈদ দান করেছে। তাই এই পবিত্র দিনে বাংলাদেশের প্রতিটি গৃহে প্রবাহিত হোক শান্তির অমীয় ধারা। আমি এই কামনা করি। 

বীর মুক্তিযোদ্ধা মোতাহার হোসেন কলেজের পক্ষ থেকে "ঈদ-উল আজহার শুভেচ্ছে"

প্রতিবেদক নাম: মোঃ ইউনুস আলী, লালমনিরহাট প্রতিনিধি : ,

প্রকাশের সময়ঃ ১০ আগস্ট ২০১৯, ১২:২৪ এএম

পবিত্র ঈদ-উল-আজহা উপলক্ষে লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার "বীর মুক্তিযোদ্ধা মোতাহার হোসেন কলেজের" সকল ছাত্রছাত্রী, শিক্ষক, শুভাকাঙ্ক্ষী, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও দেশ-বিদেশের সকলকেই শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন, অধ্যক্ষ আবু বকর সিদ্দিক শ্যামল।

আনুগত্যের উজ্জ্বল মহিমায় ভাস্বর ঈদ উল আজহা।ঈদুল আজহার উদ্দেশ্য স্রষ্টার সন্তুষ্টির জন্য নিজেকে উৎসর্গ করতে প্রস্তুত থাকা। কুরবানীর সঠিক তাৎপর্যকে উপলব্ধি করে যদি ধর্মপ্রাণ মানুষ কুরবানী দেয়, তাহলে ঈদ-উল-আজহার প্রকৃত উদ্দেশ্য সার্থক হবে।

এই বিশেষ দিনটিকে কেন্দ্র করে গাঢ় হয় পরস্পরের প্রতি আমাদের সহমর্মিতা, ভালবাসা এবং শ্রদ্ধাবোধ। আল্লাহ্‌তায়ালা ধনী-গরীব সবার মাঝেই ঈদের আনন্দ সমান-ভাবে বন্টনের যে শিক্ষা দিয়েছেন তা সঠিকভাবে পালনের মাধ্যমে এর তাৎপর্যকে তুলে ধরতে হবে।

এই পবিত্র দিনে বীর মুক্তিযোদ্ধা মোতাহার হোসেন কলেজের সকল ছাত্রছাত্রী, শিক্ষক, পরিচালকমন্ডলী ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি আহবান, ত্যাগের মহিমায় উজ্জল ঈদুল আজহার দিনে আনন্দ উৎসবে ভরে উঠুক সকলের মনপ্রাণ। সকল ভেদাভেদ ভুলে গিয়ে, গরীব দুঃখীদের পাশে দাঁড়াই। পবিত্র ঈদ-উল-আযহা সবার জন্য বয়ে আনুক অনাবিল সুখ ও প্রশান্তি।

উল্লেখ্য  চার হাজার বছর আগে হযরত ইব্রাহিম (আ.) মহান আল্লাহ তায়ালার ইঙ্গিতে তার সবচেয়ে প্রিয় পুত্র ইসমাঈল (আ.)কে কুরবানি দেয়ার সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু আল্লাহ অপার কুদরতের মহিমায় ইসমাঈল (আ.)-এর বদলে কুরবানি হয়ে যায় একটি দুম্বা। সেখান থেকেই নিজের প্রিয় বস্তু আল্লাহর জন্য উৎসর্গ করার শিক্ষা নিয়ে শুরু হয় কুরবানির প্রচলন। প্রতি বছর বাংলাদেশের কোটি কোটি মুসলমান আল্লাহর সান্নিধ্য ও করুণা লাভের প্রত্যাশায় কুরবানি করে থাকেন। 

এবিষয়ে ঐ কলেজের অধ্যক্ষ আবু বকর সিদ্দিক শ্যামল বলেন, পবিত্র ঈদ-উল-আজহা উপলক্ষে সকলকে জানাই, আন্তরিক শুভেচ্ছা, অভিনন্দন ও ঈদ মোবারক। আমি সকলের অব্যাহত সুখ, শান্তি সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করি। ঈদকে দ্বারাই মহান আল্লাহ তাঁর বান্দাকে নিয়ামাত কিংবা অনুগ্রহে ধন্য করে থাকে। মহান আল্লাহ পাক মুসলিম উম্মাদের প্রতি নিয়ামাত হিসেবেই ঈদ দান করেছে। তাই এই পবিত্র দিনে বাংলাদেশের প্রতিটি গৃহে প্রবাহিত হোক শান্তির অমীয় ধারা। আমি এই কামনা করি।