১৭, আগস্ট, ২০১৯, শনিবার | | ১৫ জ্বিলহজ্জ ১৪৪০


বানের জলে ভাসছে কেরালা, ২২ জনের মৃত্যু

রিপোর্টার নামঃ আন্তর্জাতিক ডেস্ক: | আপডেট: ০৯ আগস্ট ২০১৯, ১০:৩৬ পিএম

বানের জলে ভাসছে কেরালা, ২২ জনের মৃত্যু
বানের জলে ভাসছে কেরালা, ২২ জনের মৃত্যু

টানা ভারী বর্ষণ এবং নদী-খালের পানি বিপৎসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় ভয়াবহ বন্যার কবলে পড়েছে ভারতের দক্ষিণাঞ্চলীয় কেরালা প্রদেশ। প্রদেশটির বন্যা ও ভূমিধসে গত বৃহস্পতিবার থেকে অন্তত ২২ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রাদেশিক সরকার।

ভারতীয় টেলিভিশন এনডিটিভি এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, টানা বৃষ্টির কারণে কেরালার সামগ্রিক অবস্থা ক্রমশই খারাপ হচ্ছে। বন্যার কবলে পড়ে সবচেয়ে খারাপ অবস্থা কোচির। আগামী রোববার বিকাল তিনটা পর্যন্ত কোচি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমান চলাচল বন্ধ করা হয়েছে।

কেরালার ওপর দিয়ে প্রবাহিত পেরিয়ার নদী এবং কোচি বিমানবন্দরের পাশের একটি খালের পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। প্রতিদিন তা বাড়ছেই। বন্যার কবলে পড়ে ২২ জনের প্রাণহানি ছাড়াও আহত হয়েছেন কমপক্ষে ৩৫০ জন মানুষ।

আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী কেরালায় আগামী কয়েকদিন আরও ভারী থেকে প্রবল ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। প্রদেশটির ওয়েনাড, ইডুক্কি, মালাপ্পুরম এবং কোজিকোড জেলায় ‘রেড অ্যালার্ট’ জারি করেছে রাজ্য সরকার।

গতকাল বৃহস্পতিবার কেরালার মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন প্রদোশিক বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর (এনডিআরএফ) সঙ্গে বৈঠক করেছেন। তিনি নিজে ত্রাণ ও উদ্ধার কার্যক্রম তদারকি করেছেন এবং সরকারি কর্মকর্তাদের বিষয়টি তদারকি করার নির্দেশ দিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ওয়েনাডের একটি চা বাগানে ভূমিধসের ঘটনায় শ্রমিকদের অনেকগুলো বাড়ি ধসে পড়ে বানের জলে ভেসে গেছে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বলছে, ভূমিধসের ঘটনায় আনুমানিক দেড়শো মানুষ আটকা পড়েছে এবং ২০০ মানুষকে উদ্ধার করা হয়েছে।

কর্মকর্তারা জানিয়েছেন উদ্ধার অভিযানে ১২ ঘণ্টাও সময় লাগতে পারে। সেনাবাহিনী, জাতীয় দুর্যোগ মোকাবিলা বাহিনী (এনডিআরএফ) এবং দমকল বিভাগের কর্মীরাও যৌথভাবে উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।
সরকারি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, গত ২০ বছরে ওই অঞ্চল ভূমিধসের ঘটনা ঘটেনি। দক্ষিণ ভারতের প্রদেশ কেরালার এমন পরিস্থিতিতে ১৪টি জেলায় বৃহস্পতিবার স্কুল ও কলেজ বন্ধ রাখা হয়েছে। বৃহস্পতিবার কোনও বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে না বলে জানিয়েছেন তারা।

কংগ্রেসের সাবেক সভাপতি রাহুল গান্ধী এক টুইট বার্তায় জানিয়েছেন, ‘আমার সংসদীয় আসন ওয়েনাডে বন্যা পরিস্থিতি মারাত্মক রুপ ধারণ করেছে। আমি গোটা পরিস্থিতি সজরে রাখছি। ত্রাণ সরবরাহের জন্য কেরালার মুখ্যমন্ত্রী এবং সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেছি।

বানের জলে ভাসছে কেরালা, ২২ জনের মৃত্যু

প্রতিবেদক নাম: আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ,

প্রকাশের সময়ঃ ০৯ আগস্ট ২০১৯, ১০:৩৬ পিএম

টানা ভারী বর্ষণ এবং নদী-খালের পানি বিপৎসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় ভয়াবহ বন্যার কবলে পড়েছে ভারতের দক্ষিণাঞ্চলীয় কেরালা প্রদেশ। প্রদেশটির বন্যা ও ভূমিধসে গত বৃহস্পতিবার থেকে অন্তত ২২ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রাদেশিক সরকার।

ভারতীয় টেলিভিশন এনডিটিভি এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, টানা বৃষ্টির কারণে কেরালার সামগ্রিক অবস্থা ক্রমশই খারাপ হচ্ছে। বন্যার কবলে পড়ে সবচেয়ে খারাপ অবস্থা কোচির। আগামী রোববার বিকাল তিনটা পর্যন্ত কোচি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমান চলাচল বন্ধ করা হয়েছে।

কেরালার ওপর দিয়ে প্রবাহিত পেরিয়ার নদী এবং কোচি বিমানবন্দরের পাশের একটি খালের পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। প্রতিদিন তা বাড়ছেই। বন্যার কবলে পড়ে ২২ জনের প্রাণহানি ছাড়াও আহত হয়েছেন কমপক্ষে ৩৫০ জন মানুষ।

আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী কেরালায় আগামী কয়েকদিন আরও ভারী থেকে প্রবল ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। প্রদেশটির ওয়েনাড, ইডুক্কি, মালাপ্পুরম এবং কোজিকোড জেলায় ‘রেড অ্যালার্ট’ জারি করেছে রাজ্য সরকার।

গতকাল বৃহস্পতিবার কেরালার মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন প্রদোশিক বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর (এনডিআরএফ) সঙ্গে বৈঠক করেছেন। তিনি নিজে ত্রাণ ও উদ্ধার কার্যক্রম তদারকি করেছেন এবং সরকারি কর্মকর্তাদের বিষয়টি তদারকি করার নির্দেশ দিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ওয়েনাডের একটি চা বাগানে ভূমিধসের ঘটনায় শ্রমিকদের অনেকগুলো বাড়ি ধসে পড়ে বানের জলে ভেসে গেছে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বলছে, ভূমিধসের ঘটনায় আনুমানিক দেড়শো মানুষ আটকা পড়েছে এবং ২০০ মানুষকে উদ্ধার করা হয়েছে।

কর্মকর্তারা জানিয়েছেন উদ্ধার অভিযানে ১২ ঘণ্টাও সময় লাগতে পারে। সেনাবাহিনী, জাতীয় দুর্যোগ মোকাবিলা বাহিনী (এনডিআরএফ) এবং দমকল বিভাগের কর্মীরাও যৌথভাবে উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।
সরকারি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, গত ২০ বছরে ওই অঞ্চল ভূমিধসের ঘটনা ঘটেনি। দক্ষিণ ভারতের প্রদেশ কেরালার এমন পরিস্থিতিতে ১৪টি জেলায় বৃহস্পতিবার স্কুল ও কলেজ বন্ধ রাখা হয়েছে। বৃহস্পতিবার কোনও বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে না বলে জানিয়েছেন তারা।

কংগ্রেসের সাবেক সভাপতি রাহুল গান্ধী এক টুইট বার্তায় জানিয়েছেন, ‘আমার সংসদীয় আসন ওয়েনাডে বন্যা পরিস্থিতি মারাত্মক রুপ ধারণ করেছে। আমি গোটা পরিস্থিতি সজরে রাখছি। ত্রাণ সরবরাহের জন্য কেরালার মুখ্যমন্ত্রী এবং সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেছি।