১৭, আগস্ট, ২০১৯, শনিবার | | ১৫ জ্বিলহজ্জ ১৪৪০


শিক্ষকের পা ছুঁয়ে সালাম করে দোয়া নিলেন তথ্যমন্ত্রী

রিপোর্টার নামঃ প্রতিদিনের কাগজ | আপডেট: ০৯ আগস্ট ২০১৯, ০৮:৩৭ পিএম

শিক্ষকের পা ছুঁয়ে সালাম করে দোয়া নিলেন তথ্যমন্ত্রী
শিক্ষকের পা ছুঁয়ে সালাম করে দোয়া নিলেন তথ্যমন্ত্রী

স্কুল জীবনের প্রিয় শিক্ষক মোহাম্মদ ইসহাকের খোঁজ নিলেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। তিনি আজ ‍শুক্রবার সেই শিক্ষকের বাসায় গিয়ে পায়ে ধরে সালাম করেন। এ সময় শিক্ষক ও ছাত্র আবেগ আপ্লুত হয়ে পড়েন।

চট্টগ্রামের সরকারি মুসলিম হাই স্কুলের ছাত্র ছিলেন হাছান মাহমুদ। এই স্কুল থেকে কৃতিত্বের সঙ্গে এসএসসি পাস করেন তিনি। সেই স্কুলের শিক্ষক মোহাম্মদ ইসহাকের বয়স এখন ৮০ বছর। ১৯৯৪ সালে তিনি প্রধান শিক্ষকের পদ থেকে অবসর নেন।

সময়ের পরিক্রমায় হাছান মাহমুদ এখন তথ্যমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক। রাষ্ট্রীয় নানা গুরুত্বপূর্ণ কাজে দিন-রাত ব্যস্ত থাকলেও ভুলতে পারেননি মুসলিম হাই স্কুল এবং প্রিয় শিক্ষকের স্মৃতি।

শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার টানে আজ বেলা সাড়ে ১১টায় ইংরেজি শিক্ষক মোহাম্মদ ইসহাককে তার বায়েজিদ থানার টেক্সটাইল ৩ নম্বর রোডের বাসায় দেখতে যান তথ্যমন্ত্রী। প্রিয় ছাত্রকে পায়ে ধরে সালাম করতে দেখে চোখ ভিজে যায় প্রবীণ শিক্ষক মোহাম্মদ ইসহাকের। একইভাবে প্রিয় শিক্ষকের সান্নিধ্যে আবেগ আপ্লুত হয়ে পড়েন তথ্যমন্ত্রীও। তথ্যমন্ত্রীর সঙ্গে এ সময় একই ব্যাচের দুই শিক্ষার্থীও ছিলেন।

বহুদিন পর কাছে পেয়ে হাছান মাহমুদের কাছে শিক্ষক মোহাম্মদ ইসহাক মন্ত্রীর পারিবারিক জীবন এবং সদস্যদের সর্ম্পকে জানতে চান।

প্রিয় শিক্ষকের কাছে তথ্যমন্ত্রী জানতে চান, এখন মুসলিম হাই স্কুলে পড়াশোনার মান কেমন? জবাবে শিক্ষক বলেন, ‘খুবই ভালো। প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়-এর মধ্যে থাকেই।’

আলাপচারিতার সময় শিক্ষক মোহাম্মদ ইসহাক জানান, তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজিতে মাস্টার্স করেছেন। আবার বৈরুতে আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি থেকেও ইংরেজিতে এমএ করেছেন। পরে তিনি শিক্ষকতায় এসেছেন।

‘শিক্ষকতায় না আসলে সচিব হতেন’ তথ্যমন্ত্রীর এমন বক্তব্যের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমি তো সেখানে (প্রশাসনের কর্মকর্তা) যাবো না বলে আগে থেকেই ঠিক করেছিলাম।’

স্মৃতিচারণ করে তথ্যমন্ত্রী জানতে চান, ‘স্যার আগে সাইকেল চালাতেন, এখনো কি চালান?’ জবাবে ওই শিক্ষক বলেন, ‘অনেকদিন ধরে চালাই না।’

ড. হাছান বলেন, ‘ইসহাক স্যার সেসময়ে বাইসাইকেল নিয়ে চট্টগ্রাম শহরে ছাত্রছাত্রীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে খোঁজ নিতেন। স্যারের মতো গুণী শিক্ষকরা তাদের মেধা, প্রজ্ঞা ও অভিজ্ঞতা দিয়ে দেশে আলোকিত মানবসম্পদ তৈরিতে অসামান্য অবদান রেখেছেন। স্যারের অসামান্য অবদান ভুলে যাওয়ার নয়।’

ফিরে যাওয়ার আগে আরেকবার প্রিয় শিক্ষকের পা ধরে সালাম করেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। শিক্ষক মোহাম্মদ ইসহাকও মাথায় হাত বুলিয়ে দোয়া করেন মন্ত্রীকে।

শিক্ষকের পা ছুঁয়ে সালাম করে দোয়া নিলেন তথ্যমন্ত্রী

প্রতিবেদক নাম: প্রতিদিনের কাগজ ,

প্রকাশের সময়ঃ ০৯ আগস্ট ২০১৯, ০৮:৩৭ পিএম

স্কুল জীবনের প্রিয় শিক্ষক মোহাম্মদ ইসহাকের খোঁজ নিলেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। তিনি আজ ‍শুক্রবার সেই শিক্ষকের বাসায় গিয়ে পায়ে ধরে সালাম করেন। এ সময় শিক্ষক ও ছাত্র আবেগ আপ্লুত হয়ে পড়েন।

চট্টগ্রামের সরকারি মুসলিম হাই স্কুলের ছাত্র ছিলেন হাছান মাহমুদ। এই স্কুল থেকে কৃতিত্বের সঙ্গে এসএসসি পাস করেন তিনি। সেই স্কুলের শিক্ষক মোহাম্মদ ইসহাকের বয়স এখন ৮০ বছর। ১৯৯৪ সালে তিনি প্রধান শিক্ষকের পদ থেকে অবসর নেন।

সময়ের পরিক্রমায় হাছান মাহমুদ এখন তথ্যমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক। রাষ্ট্রীয় নানা গুরুত্বপূর্ণ কাজে দিন-রাত ব্যস্ত থাকলেও ভুলতে পারেননি মুসলিম হাই স্কুল এবং প্রিয় শিক্ষকের স্মৃতি।

শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার টানে আজ বেলা সাড়ে ১১টায় ইংরেজি শিক্ষক মোহাম্মদ ইসহাককে তার বায়েজিদ থানার টেক্সটাইল ৩ নম্বর রোডের বাসায় দেখতে যান তথ্যমন্ত্রী। প্রিয় ছাত্রকে পায়ে ধরে সালাম করতে দেখে চোখ ভিজে যায় প্রবীণ শিক্ষক মোহাম্মদ ইসহাকের। একইভাবে প্রিয় শিক্ষকের সান্নিধ্যে আবেগ আপ্লুত হয়ে পড়েন তথ্যমন্ত্রীও। তথ্যমন্ত্রীর সঙ্গে এ সময় একই ব্যাচের দুই শিক্ষার্থীও ছিলেন।

বহুদিন পর কাছে পেয়ে হাছান মাহমুদের কাছে শিক্ষক মোহাম্মদ ইসহাক মন্ত্রীর পারিবারিক জীবন এবং সদস্যদের সর্ম্পকে জানতে চান।

প্রিয় শিক্ষকের কাছে তথ্যমন্ত্রী জানতে চান, এখন মুসলিম হাই স্কুলে পড়াশোনার মান কেমন? জবাবে শিক্ষক বলেন, ‘খুবই ভালো। প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়-এর মধ্যে থাকেই।’

আলাপচারিতার সময় শিক্ষক মোহাম্মদ ইসহাক জানান, তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজিতে মাস্টার্স করেছেন। আবার বৈরুতে আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি থেকেও ইংরেজিতে এমএ করেছেন। পরে তিনি শিক্ষকতায় এসেছেন।

‘শিক্ষকতায় না আসলে সচিব হতেন’ তথ্যমন্ত্রীর এমন বক্তব্যের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমি তো সেখানে (প্রশাসনের কর্মকর্তা) যাবো না বলে আগে থেকেই ঠিক করেছিলাম।’

স্মৃতিচারণ করে তথ্যমন্ত্রী জানতে চান, ‘স্যার আগে সাইকেল চালাতেন, এখনো কি চালান?’ জবাবে ওই শিক্ষক বলেন, ‘অনেকদিন ধরে চালাই না।’

ড. হাছান বলেন, ‘ইসহাক স্যার সেসময়ে বাইসাইকেল নিয়ে চট্টগ্রাম শহরে ছাত্রছাত্রীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে খোঁজ নিতেন। স্যারের মতো গুণী শিক্ষকরা তাদের মেধা, প্রজ্ঞা ও অভিজ্ঞতা দিয়ে দেশে আলোকিত মানবসম্পদ তৈরিতে অসামান্য অবদান রেখেছেন। স্যারের অসামান্য অবদান ভুলে যাওয়ার নয়।’

ফিরে যাওয়ার আগে আরেকবার প্রিয় শিক্ষকের পা ধরে সালাম করেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। শিক্ষক মোহাম্মদ ইসহাকও মাথায় হাত বুলিয়ে দোয়া করেন মন্ত্রীকে।