২৩, আগস্ট, ২০১৯, শুক্রবার | | ২১ জ্বিলহজ্জ ১৪৪০


নেত্রকোণায় ঈদুল আজহার কোরবানির পশুরহাটে জমজমাট বেচাকেনা

রিপোর্টার নামঃ মুহা. জহিরুল ইসলাম অসীম, নেত্রকোণা প্রতিনিধি: | আপডেট: ০৯ আগস্ট ২০১৯, ০৮:১১ পিএম

নেত্রকোণায় ঈদুল আজহার কোরবানির পশুরহাটে জমজমাট বেচাকেনা
নেত্রকোণায় ঈদুল আজহার কোরবানির পশুরহাটে জমজমাট বেচাকেনা

আসন্ন ঈদুল আজহায় জমে উঠেছে নেত্রকোণার পশুর হাটগুলো। ক্রেতা-বিক্রেতাদের ভিড়ে মুখরিত স্থায়ী-অস্থায়ী সবগুলো কুরবানির পশুরহাট। নেত্রকোনার দশ উপজেলায় ১৪০টি স্থান থেকে কোরবানির পশু সংগ্রহ করছেন মুসল্লিরা। এরই মধ্যে ওইসব হাটে পুলিশি নিরাপত্তায় শুরু হয়েছে কোরবানির গরু-খাসির চলছে ধুম বেচাকেনা।

বাজারগুলোতে পর্যাপ্ত দেশীয় গরু থাকায় দামও নাগালের মধ্যেই রয়েছে বলছেন ক্রেতারা। তবে ভালো দাম না পেয়ে ক্ষতির শঙ্কায় ক্ষুদ্র খামারিরা।

তারা জানায়, তবে এ বছর গো খাদ্যের দাম বেশি থাকায় পশু পালনে ব্যয় বেড়েছে। ভালো দাম না পেলে লোকসানের শঙ্কা রয়েছে অনেক।

বাজারগুলোতে স্থানীয়ভাবে পালিত পশুতেই চাহিদা মিটে যাওয়ায় বাহির থেকে গরু আমদানির প্রয়োজন হয় না। সীমান্তবর্তী জেলা হলেও এখানে ভারতীয় গরুর প্রবণতা নেই বললেই চলে।

এ দিকে গরুর পাশাপাশি ছাগল বিক্রিও জমে উঠেছে বেশ জানিয়েছেন ইজারাদাররা।

প্রতিবছর জেলায় প্রায় কয়েক লাখ গরু ছাগল বেচাকেনা হয় এই হাটগুলোতে। প্রায় প্রতিদিনই জেলা ও উপজেলার কোথাও না কোথাও বসছে পশুরহাট।

নেত্রকোনার পুলিশ সুপার (এসপি) আকবর আলী মুন্সি জানান, জেলায় স্থায়ী হাটের সংখ্যা ৫১ ও অস্থায়ী ৮৯টি। এর মধ্যে ৩৮টি হাটকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখছে জেলা পুলিশ। তবে অনুমোদনহীন কোনো হাট যেন কোথাও বসতে না পারে সেদিকেও নজরদারি চলছে।

জেলার দশ থানার মধ্যে সদরে বিভিন্ন স্থানে হাট বসেছে ৩২ টি ও বাকি নয় উপজেলার মধ্যে পূর্বধলায় ৩৯, বারহাট্টায় ১০, আটপাড়ায় ৯, মোহনগঞ্জে ৩, দুর্গাপুরে ১১, কলমাকান্দায় ৫, কেন্দুয়ায় ১৭ ও মোহনগঞ্জে ১৪টি। হাওরদ্বীপ খ্যাত খালিয়াজুড়ি উপজেলায় কোনো ধরনের পশুর হাট বসেনি।

অপরাধ বিভাগের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাহজাহান মিয়া বলেন, হাটে জাল টাকা শনাক্ত করতে ছয়টি সরঞ্জামে ভ্রাম্যমাণ পদ্ধতিতে ব্যবহার করা হচ্ছে। যেখানে কোনো নোট নিয়ে সন্দেহ হওয়া বা জটিলতা সৃষ্টির খবর পেলেই তাৎক্ষণিক সেখানে পৌঁছে যাচ্ছে পুলিশ সদস্যরা। এর মধ্যে কলমাকান্দা উপজেলা থেকে এক প্রতারকসহ ১৪ হাজার টাকার জালনোট জব্দ করা হয়েছে।

নেত্রকোণায় ঈদুল আজহার কোরবানির পশুরহাটে জমজমাট বেচাকেনা

প্রতিবেদক নাম: মুহা. জহিরুল ইসলাম অসীম, নেত্রকোণা প্রতিনিধি: ,

প্রকাশের সময়ঃ ০৯ আগস্ট ২০১৯, ০৮:১১ পিএম

আসন্ন ঈদুল আজহায় জমে উঠেছে নেত্রকোণার পশুর হাটগুলো। ক্রেতা-বিক্রেতাদের ভিড়ে মুখরিত স্থায়ী-অস্থায়ী সবগুলো কুরবানির পশুরহাট। নেত্রকোনার দশ উপজেলায় ১৪০টি স্থান থেকে কোরবানির পশু সংগ্রহ করছেন মুসল্লিরা। এরই মধ্যে ওইসব হাটে পুলিশি নিরাপত্তায় শুরু হয়েছে কোরবানির গরু-খাসির চলছে ধুম বেচাকেনা।

বাজারগুলোতে পর্যাপ্ত দেশীয় গরু থাকায় দামও নাগালের মধ্যেই রয়েছে বলছেন ক্রেতারা। তবে ভালো দাম না পেয়ে ক্ষতির শঙ্কায় ক্ষুদ্র খামারিরা।

তারা জানায়, তবে এ বছর গো খাদ্যের দাম বেশি থাকায় পশু পালনে ব্যয় বেড়েছে। ভালো দাম না পেলে লোকসানের শঙ্কা রয়েছে অনেক।

বাজারগুলোতে স্থানীয়ভাবে পালিত পশুতেই চাহিদা মিটে যাওয়ায় বাহির থেকে গরু আমদানির প্রয়োজন হয় না। সীমান্তবর্তী জেলা হলেও এখানে ভারতীয় গরুর প্রবণতা নেই বললেই চলে।

এ দিকে গরুর পাশাপাশি ছাগল বিক্রিও জমে উঠেছে বেশ জানিয়েছেন ইজারাদাররা।

প্রতিবছর জেলায় প্রায় কয়েক লাখ গরু ছাগল বেচাকেনা হয় এই হাটগুলোতে। প্রায় প্রতিদিনই জেলা ও উপজেলার কোথাও না কোথাও বসছে পশুরহাট।

নেত্রকোনার পুলিশ সুপার (এসপি) আকবর আলী মুন্সি জানান, জেলায় স্থায়ী হাটের সংখ্যা ৫১ ও অস্থায়ী ৮৯টি। এর মধ্যে ৩৮টি হাটকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখছে জেলা পুলিশ। তবে অনুমোদনহীন কোনো হাট যেন কোথাও বসতে না পারে সেদিকেও নজরদারি চলছে।

জেলার দশ থানার মধ্যে সদরে বিভিন্ন স্থানে হাট বসেছে ৩২ টি ও বাকি নয় উপজেলার মধ্যে পূর্বধলায় ৩৯, বারহাট্টায় ১০, আটপাড়ায় ৯, মোহনগঞ্জে ৩, দুর্গাপুরে ১১, কলমাকান্দায় ৫, কেন্দুয়ায় ১৭ ও মোহনগঞ্জে ১৪টি। হাওরদ্বীপ খ্যাত খালিয়াজুড়ি উপজেলায় কোনো ধরনের পশুর হাট বসেনি।

অপরাধ বিভাগের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাহজাহান মিয়া বলেন, হাটে জাল টাকা শনাক্ত করতে ছয়টি সরঞ্জামে ভ্রাম্যমাণ পদ্ধতিতে ব্যবহার করা হচ্ছে। যেখানে কোনো নোট নিয়ে সন্দেহ হওয়া বা জটিলতা সৃষ্টির খবর পেলেই তাৎক্ষণিক সেখানে পৌঁছে যাচ্ছে পুলিশ সদস্যরা। এর মধ্যে কলমাকান্দা উপজেলা থেকে এক প্রতারকসহ ১৪ হাজার টাকার জালনোট জব্দ করা হয়েছে।