২২, আগস্ট, ২০১৯, বৃহস্পতিবার | | ২০ জ্বিলহজ্জ ১৪৪০


৯০ শতাংশ ক্যানসার রোগী শেষ পর্যায়ে চিকিৎসা নিতে আসে

রিপোর্টার নামঃ প্রতিদিনের কাগজ ডেস্ক | আপডেট: ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ১০:৩৭ পিএম

 ৯০ শতাংশ ক্যানসার রোগী শেষ পর্যায়ে চিকিৎসা নিতে আসে
৯০ শতাংশ ক্যানসার রোগী শেষ পর্যায়ে চিকিৎসা নিতে আসে

ক্যানসারে আক্রান্ত ৯০ শতাংশ রোগী শেষ পর্যায়ে চিকিৎসা নিতে আসে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। আজ সোমবার জাতীয় ক্যানসার গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও হাসপাতালে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তাঁরা এ তথ্য তুলে ধরেন।


ক্যানসার বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রাথমিক পর্যায়ে এ রোগ শনাক্ত হলে রোগী পুরোপুরি সুস্থ হয়ে যায়। কিন্তু মাত্র ১০ শতাংশ রোগী প্রাথমিক পর্যায়ে চিকিৎসা নিতে আসে। সুতরাং ক্যানসারের প্রাদুর্ভাব কমাতে হলে মানুষকে সচেতন করার বিকল্প নেই বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।

বিশ্ব ক্যানসার দিবস উপলক্ষে জাতীয় প্রতিষ্ঠানটি এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। ৪ ফেব্রুয়ারি ছিল বিশ্ব ক্যানসার দিবস।


অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেন, জাতীয় ক্যানসার হাসপাতালকে ৫০০ শয্যায় উন্নীত করা হবে। ক্যানসার চিকিৎসায় বিভাগীয় শহরগুলোতেও কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করা হবে।


চিকিৎসক নার্সদের প্রতি রোগী ও নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের ব্যাপারে আরও যত্নবান হওয়ার আহ্বান জানিয়ে মোহাম্মদ নাসিম বলেন, হাসপাতালের পরিবেশ সুন্দর রাখতে হবে। প্রয়োজনে আউট সোর্সিংয়ের মাধ্যমে পরিচ্ছন্নতাকর্মী নিয়োগ দিতে হবে। অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ রোগ নিরাময়ের বড় বাধা।


অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জাহিদ মালেক, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবুল কালাম আজাদ, স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের সভাপতি ইকবাল আর্সলান ও মহাসচিব এম এ আজিজ, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব মো. ইহতেশামুল হক চৌধুরী, জাতীয় ক্যানসার গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও হাসপাতালের পরিচালক মো. মোয়াররফ হোসেন বক্তব্য দেন।


৯০ শতাংশ ক্যানসার রোগী শেষ পর্যায়ে চিকিৎসা নিতে আসে

প্রতিবেদক নাম: প্রতিদিনের কাগজ ডেস্ক ,

প্রকাশের সময়ঃ ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ১০:৩৭ পিএম

ক্যানসারে আক্রান্ত ৯০ শতাংশ রোগী শেষ পর্যায়ে চিকিৎসা নিতে আসে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। আজ সোমবার জাতীয় ক্যানসার গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও হাসপাতালে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তাঁরা এ তথ্য তুলে ধরেন।


ক্যানসার বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রাথমিক পর্যায়ে এ রোগ শনাক্ত হলে রোগী পুরোপুরি সুস্থ হয়ে যায়। কিন্তু মাত্র ১০ শতাংশ রোগী প্রাথমিক পর্যায়ে চিকিৎসা নিতে আসে। সুতরাং ক্যানসারের প্রাদুর্ভাব কমাতে হলে মানুষকে সচেতন করার বিকল্প নেই বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।

বিশ্ব ক্যানসার দিবস উপলক্ষে জাতীয় প্রতিষ্ঠানটি এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। ৪ ফেব্রুয়ারি ছিল বিশ্ব ক্যানসার দিবস।


অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেন, জাতীয় ক্যানসার হাসপাতালকে ৫০০ শয্যায় উন্নীত করা হবে। ক্যানসার চিকিৎসায় বিভাগীয় শহরগুলোতেও কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করা হবে।


চিকিৎসক নার্সদের প্রতি রোগী ও নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের ব্যাপারে আরও যত্নবান হওয়ার আহ্বান জানিয়ে মোহাম্মদ নাসিম বলেন, হাসপাতালের পরিবেশ সুন্দর রাখতে হবে। প্রয়োজনে আউট সোর্সিংয়ের মাধ্যমে পরিচ্ছন্নতাকর্মী নিয়োগ দিতে হবে। অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ রোগ নিরাময়ের বড় বাধা।


অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জাহিদ মালেক, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবুল কালাম আজাদ, স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের সভাপতি ইকবাল আর্সলান ও মহাসচিব এম এ আজিজ, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব মো. ইহতেশামুল হক চৌধুরী, জাতীয় ক্যানসার গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও হাসপাতালের পরিচালক মো. মোয়াররফ হোসেন বক্তব্য দেন।