২৩, আগস্ট, ২০১৯, শুক্রবার | | ২১ জ্বিলহজ্জ ১৪৪০


টরন্টোতে প্রথমবারেই বাজিমাত ‘দ্য টেস্ট অব বাংলাদেশ’

রিপোর্টার নামঃ সাইফুল্লাহ মাহমুদ দুলাল, কানাডা থেকে | আপডেট: ০৬ আগস্ট ২০১৯, ১২:৩৯ পিএম

টরন্টোতে প্রথমবারেই বাজিমাত ‘দ্য টেস্ট অব বাংলাদেশ’
টরন্টোতে প্রথমবারেই বাজিমাত ‘দ্য টেস্ট অব বাংলাদেশ’

টরন্টোতে প্রথম বারের মতো গতকাল (সোমবার) খোলা আকাশের নিচে অনুষ্ঠিত হলো ‘দ্য টেস্ট অব বাংলাদেশ’ ফ্যাস্টিভাল। ফলে টরন্টোস্থ বাংলাপাড়া তথা ড্যানফোর্থ এভিনিউয়ের ভিক্টোরিয়া পার্ক থেকে শিবলি এভিনিউ পর্যন্ত হয়ে উঠেছিল যেন এক টুকরো মিনি বাংলাদেশ। দিনব্যাপী এই জমজমাট অনুষ্ঠানটিতে ছিল কয়েক হাজার বাঙালিদের উপচে পড়া ভীড়। সেই সঙ্গে ছিল বিদেশি দর্শকদের ও উপস্থিতি। বাংলাদেশি কানাডিয়ানদের বহুল প্রতীক্ষিত এই আনন্দঘন উৎসব প্রথমবারেই দর্শকদের মন জয় করে নিলো।

মাল্টিকালচারাল কানাডায় আবহমান বাংলার চিরায়ত সংস্কৃতিকেই তুলে ধরা ছিলো এই উৎসবের মূল লক্ষ্য। বাংলা নাচ, গান, ঐতিহ্যবাহী সুস্বাদু খাবার, কারুশিল্প, পোশাক সব মিলিয়ে সড়কের যানচলাচল বন্ধ করে মঞ্চ মাতালেন তপন চৌধুরী, রিজিয়া পারভিন, নগরবাউল জেমস এবং স্থানীয় শিল্পীরা।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন সাবেক এমপি মারিয়া মিন্না, নাথানিয়েল স্মিথ এম পি, ডলি বেগম এম পি পি, সৈয়দ সামসুল আলম, শক্তি দেব, রাশেদ রহমান, ফরিদা হক, আবুল আজাদ প্রমুখ।

অনুষ্ঠান আয়োজকদের ভাষ্য, কানাডায় বাংলাদেশি প্রজন্মের কাছে নিজস্ব সংস্কৃতিকে তুলে ধরার এ এক অনন্য আয়োজন।

এছাড়া মূলধারায় বাংলা সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে উপস্থাপন করার জন্যই প্রথমবারের মত সবরকম প্রচেষ্টায় এই আয়োজন সম্পন্ন করেন তারা। সেই সঙ্গে প্রত্যাশা করে সিটি কর্পোরেশনের কাছে দাবি জানান- আগামীতে বাঙালি অধ্যুষিত এই এলাকাকে বাংলা টাউন ঘোষণা করা হোক।

উল্লেখ্য, গ্রিক টাউন অর্থাৎ প্যাপের গ্রিক ফ্যাস্টিভাল, জেরাড স্ট্রিটে ইন্ডিয়া ফ্যাস্টিভালের মতো এবার টরন্টোতে যুক্ত হলো বাংলাদেশি ফ্যাস্টিভাল ‘দ্য টেস্ট অব বাংলাদেশ’।

টরন্টোতে প্রথমবারেই বাজিমাত ‘দ্য টেস্ট অব বাংলাদেশ’

প্রতিবেদক নাম: সাইফুল্লাহ মাহমুদ দুলাল, কানাডা থেকে ,

প্রকাশের সময়ঃ ০৬ আগস্ট ২০১৯, ১২:৩৯ পিএম

টরন্টোতে প্রথম বারের মতো গতকাল (সোমবার) খোলা আকাশের নিচে অনুষ্ঠিত হলো ‘দ্য টেস্ট অব বাংলাদেশ’ ফ্যাস্টিভাল। ফলে টরন্টোস্থ বাংলাপাড়া তথা ড্যানফোর্থ এভিনিউয়ের ভিক্টোরিয়া পার্ক থেকে শিবলি এভিনিউ পর্যন্ত হয়ে উঠেছিল যেন এক টুকরো মিনি বাংলাদেশ। দিনব্যাপী এই জমজমাট অনুষ্ঠানটিতে ছিল কয়েক হাজার বাঙালিদের উপচে পড়া ভীড়। সেই সঙ্গে ছিল বিদেশি দর্শকদের ও উপস্থিতি। বাংলাদেশি কানাডিয়ানদের বহুল প্রতীক্ষিত এই আনন্দঘন উৎসব প্রথমবারেই দর্শকদের মন জয় করে নিলো।

মাল্টিকালচারাল কানাডায় আবহমান বাংলার চিরায়ত সংস্কৃতিকেই তুলে ধরা ছিলো এই উৎসবের মূল লক্ষ্য। বাংলা নাচ, গান, ঐতিহ্যবাহী সুস্বাদু খাবার, কারুশিল্প, পোশাক সব মিলিয়ে সড়কের যানচলাচল বন্ধ করে মঞ্চ মাতালেন তপন চৌধুরী, রিজিয়া পারভিন, নগরবাউল জেমস এবং স্থানীয় শিল্পীরা।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন সাবেক এমপি মারিয়া মিন্না, নাথানিয়েল স্মিথ এম পি, ডলি বেগম এম পি পি, সৈয়দ সামসুল আলম, শক্তি দেব, রাশেদ রহমান, ফরিদা হক, আবুল আজাদ প্রমুখ।

অনুষ্ঠান আয়োজকদের ভাষ্য, কানাডায় বাংলাদেশি প্রজন্মের কাছে নিজস্ব সংস্কৃতিকে তুলে ধরার এ এক অনন্য আয়োজন।

এছাড়া মূলধারায় বাংলা সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে উপস্থাপন করার জন্যই প্রথমবারের মত সবরকম প্রচেষ্টায় এই আয়োজন সম্পন্ন করেন তারা। সেই সঙ্গে প্রত্যাশা করে সিটি কর্পোরেশনের কাছে দাবি জানান- আগামীতে বাঙালি অধ্যুষিত এই এলাকাকে বাংলা টাউন ঘোষণা করা হোক।

উল্লেখ্য, গ্রিক টাউন অর্থাৎ প্যাপের গ্রিক ফ্যাস্টিভাল, জেরাড স্ট্রিটে ইন্ডিয়া ফ্যাস্টিভালের মতো এবার টরন্টোতে যুক্ত হলো বাংলাদেশি ফ্যাস্টিভাল ‘দ্য টেস্ট অব বাংলাদেশ’।