১৭, আগস্ট, ২০১৯, শনিবার | | ১৫ জ্বিলহজ্জ ১৪৪০


ফেলে দেওয়া সেই ৮০ লাখ টাকার ‘বৈধ উৎস’ পায়নি দুদক

রিপোর্টার নামঃ নিজস্ব প্রতিবেদক | আপডেট: ২৯ জুলাই ২০১৯, ০৬:২৬ পিএম

ফেলে দেওয়া সেই ৮০ লাখ টাকার ‘বৈধ উৎস’ পায়নি দুদক
ফেলে দেওয়া সেই ৮০ লাখ টাকার ‘বৈধ উৎস’ পায়নি দুদক

সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি প্রিজন) পার্থ গোপাল বণিকের বাসা থেকে উদ্ধার করা ৮০ লাখ টাকার বৈধ উৎস পায়নি দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আজ সোমবার দুপুরে দুদক সচিব মুহাম্মদ দিলোয়ার বখত এ তথ্য জানান। 

এর আগে গতকাল রোববার বিকেলে রাজধানীর ভূতের গলি এলাকায় পার্থ গোপালের বাসায় অভিযান চালিয়ে ৮০ লাখ টাকা জব্দ করে দুদক। দুদকের প্রধান কার্যালয়ে গোপালকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তার বাসায় অভিযান চালান কমিশনের পরিচালক মুহাম্মদ ইউছুফ। পরে তার বাসা থেকে ৮০ লাখ টাকা জব্দ করা হয়।অভিযান প্রসঙ্গে গতকাল দুদক পরিচালক মুহাম্মদ ইউসুফ জানান, প্রায় ২ ঘণ্টা পার্থর স্ত্রী ডা. রতন মনি সাহা নানা টালবাহানা করেন। প্রথমে মুঠোফোনে বলেন, তিনি বাসায় নেই। মিরপুরে আছেন। সেখান থেকে ফিরতে ২ ঘণ্টার বেশি সময় লাগবে। অথচ ওই সময় তিনি ফ্ল্যাটেই ছিলেন।

অভিযানে থাকা দুদকের এমন এক কর্মকর্তা গতকাল জানান, দুদক টিম বিকল্প পন্থায় ফ্ল্যাটে প্রবেশের কথা বললে রতন মনি সাহা নিজেই দরজা খুলে দেন। তবে ততক্ষণে ঘুষ-দুর্নীতির মাধ্যমে বিভিন্ন সময়ে পার্থর আয় করা ৮০ লাখ টাকা দুটি ব্যাগে ভরে পাশের বাসার ছাদে ফেলে দেন তিনি। পরে তাকে নিয়েই ওই টাকা উদ্ধার করা হয়।

এর আগে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে ডিআইজি (প্রিজন) থাকার সময় অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে গতকাল সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত পার্থ বণিককে জিজ্ঞাসাবাদ করেন দুদক পরিচালক মুহাম্মদ ইউছুফ।

এ বিষয়ে দুদক সচিব বলেন, ‘চট্টগ্রাম কারাগারে (পার্থর আগের কর্মস্থল) দুর্নীতির বিষয়ে অনুসন্ধান চলছে। অনুসন্ধান পর্যায়ে তথ্যের ভিত্তিতে রোববার পার্থর বাসায় অভিযান চালানো হয়। উদ্ধারকৃত টাকার বিষয়ে তিনি স্বীকারোক্তি দিয়েছেন।’

দুদক সচিব আরও বলেন, ‘অনুসন্ধান কর্মকর্তা জব্দকৃত টাকার বৈধ উৎস খুঁজে পাননি। তার (পার্থ) বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহণ, মানি লন্ডারিং ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে মামলা হবে।’

এর আগে বেলা ১২টায় পার্থ গোপাল বণিককে আরও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুদক কার্যালয়ে হাজির করা হয়। তাকে আদালতে তোলা হবে বলে দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রণব কুমার জানিয়েছেন।


ফেলে দেওয়া সেই ৮০ লাখ টাকার ‘বৈধ উৎস’ পায়নি দুদক

প্রতিবেদক নাম: নিজস্ব প্রতিবেদক ,

প্রকাশের সময়ঃ ২৯ জুলাই ২০১৯, ০৬:২৬ পিএম

সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি প্রিজন) পার্থ গোপাল বণিকের বাসা থেকে উদ্ধার করা ৮০ লাখ টাকার বৈধ উৎস পায়নি দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আজ সোমবার দুপুরে দুদক সচিব মুহাম্মদ দিলোয়ার বখত এ তথ্য জানান। 

এর আগে গতকাল রোববার বিকেলে রাজধানীর ভূতের গলি এলাকায় পার্থ গোপালের বাসায় অভিযান চালিয়ে ৮০ লাখ টাকা জব্দ করে দুদক। দুদকের প্রধান কার্যালয়ে গোপালকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তার বাসায় অভিযান চালান কমিশনের পরিচালক মুহাম্মদ ইউছুফ। পরে তার বাসা থেকে ৮০ লাখ টাকা জব্দ করা হয়।অভিযান প্রসঙ্গে গতকাল দুদক পরিচালক মুহাম্মদ ইউসুফ জানান, প্রায় ২ ঘণ্টা পার্থর স্ত্রী ডা. রতন মনি সাহা নানা টালবাহানা করেন। প্রথমে মুঠোফোনে বলেন, তিনি বাসায় নেই। মিরপুরে আছেন। সেখান থেকে ফিরতে ২ ঘণ্টার বেশি সময় লাগবে। অথচ ওই সময় তিনি ফ্ল্যাটেই ছিলেন।

অভিযানে থাকা দুদকের এমন এক কর্মকর্তা গতকাল জানান, দুদক টিম বিকল্প পন্থায় ফ্ল্যাটে প্রবেশের কথা বললে রতন মনি সাহা নিজেই দরজা খুলে দেন। তবে ততক্ষণে ঘুষ-দুর্নীতির মাধ্যমে বিভিন্ন সময়ে পার্থর আয় করা ৮০ লাখ টাকা দুটি ব্যাগে ভরে পাশের বাসার ছাদে ফেলে দেন তিনি। পরে তাকে নিয়েই ওই টাকা উদ্ধার করা হয়।

এর আগে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে ডিআইজি (প্রিজন) থাকার সময় অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে গতকাল সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত পার্থ বণিককে জিজ্ঞাসাবাদ করেন দুদক পরিচালক মুহাম্মদ ইউছুফ।

এ বিষয়ে দুদক সচিব বলেন, ‘চট্টগ্রাম কারাগারে (পার্থর আগের কর্মস্থল) দুর্নীতির বিষয়ে অনুসন্ধান চলছে। অনুসন্ধান পর্যায়ে তথ্যের ভিত্তিতে রোববার পার্থর বাসায় অভিযান চালানো হয়। উদ্ধারকৃত টাকার বিষয়ে তিনি স্বীকারোক্তি দিয়েছেন।’

দুদক সচিব আরও বলেন, ‘অনুসন্ধান কর্মকর্তা জব্দকৃত টাকার বৈধ উৎস খুঁজে পাননি। তার (পার্থ) বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহণ, মানি লন্ডারিং ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে মামলা হবে।’

এর আগে বেলা ১২টায় পার্থ গোপাল বণিককে আরও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুদক কার্যালয়ে হাজির করা হয়। তাকে আদালতে তোলা হবে বলে দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রণব কুমার জানিয়েছেন।