১৮, আগস্ট, ২০১৯, রোববার | | ১৬ জ্বিলহজ্জ ১৪৪০


মিন্নিকে নিয়ে অতি উৎসাহ উচিত নয়: হাইকোর্ট

রিপোর্টার নামঃ স্টাফ রিপোর্টার: | আপডেট: ২৯ জুলাই ২০১৯, ১০:০৭ এএম

মিন্নিকে নিয়ে অতি উৎসাহ উচিত নয়: হাইকোর্ট
মিন্নিকে নিয়ে অতি উৎসাহ উচিত নয়: হাইকোর্ট

বরগুনার রিফাত শরীফ হত্যা মামলার তদন্ত পিবিআই বা সিআইডিতে হস্তান্তরের নির্দেশনা চেয়ে দায়ের করা রিট উত্থাপিত হয়নি মর্মে খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। বিচারপতি এফআরএম নাজমুল আহসান ও বিচারপতি কেএম কামরুল কাদেরের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ গতকাল রবিবার এ আদেশ দেন।

আদালত বলেন, পুলিশ তদন্তে রিফাত শরীফ হত্যাকা-ে সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে অবশ্যই প্রধান সাক্ষী মিন্নি মামলায় আসামি হতে পারে। কিন্তু মূল আসামিদের বাদ দিয়ে মিন্নিকে নিয়ে বেশি উৎসাহিত হওয়া উচিত হবে না। আদালত আরও বলেন, এ মামলার আসামিদের বিরুদ্ধে আগে থেকেই মাদকের ব্যবসার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ রয়েছে। এর পরও তারা পুলিশের নজরদারির মধ্যে কীভাবে মাদক ব্যবসা পরিচালনা করছে। পুলিশ সতর্ক থাকলে হয়তো রিফাতকে এভাবে প্রাণ দিতে হতো না। তাই মিন্নির প্রতি উৎসাহী না হয়ে মামলার মূল আসামিদের দিকে পুলিশের নজর দেওয়া উচিত। এ সময় রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার উপস্থিত ছিলেন।

রিফাত হত্যা মামলা পিবিআই/সিআইডিতে তদন্তভার প্রদানের নির্দেশনা চেয়ে গত ২৫ জুলাই হাইকোর্টে রিট করেন আইনজীবী ইউনূস আলী আকন্দ। তিনি বলেন, একটি মেয়েকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি নেওয়া হয়েছে। এখন মিন্নি ওই জবানবন্দি প্রত্যাহার করতে চান। আদালত বলেন, এ ক্ষেত্রে আইনের কোনো ব্যত্যয় হয়ে থাকলে মিন্নির পরিবার এ ক্ষেত্রে যথাযথ আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার সুযোগ তো রয়েছে। এ রিট দায়েরে আপনার কোনো লোকাস স্ট্যান্ডি (অধিকার) নেই।

মিন্নিকে নিয়ে অতি উৎসাহ উচিত নয়: হাইকোর্ট

প্রতিবেদক নাম: স্টাফ রিপোর্টার: ,

প্রকাশের সময়ঃ ২৯ জুলাই ২০১৯, ১০:০৭ এএম

বরগুনার রিফাত শরীফ হত্যা মামলার তদন্ত পিবিআই বা সিআইডিতে হস্তান্তরের নির্দেশনা চেয়ে দায়ের করা রিট উত্থাপিত হয়নি মর্মে খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। বিচারপতি এফআরএম নাজমুল আহসান ও বিচারপতি কেএম কামরুল কাদেরের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ গতকাল রবিবার এ আদেশ দেন।

আদালত বলেন, পুলিশ তদন্তে রিফাত শরীফ হত্যাকা-ে সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে অবশ্যই প্রধান সাক্ষী মিন্নি মামলায় আসামি হতে পারে। কিন্তু মূল আসামিদের বাদ দিয়ে মিন্নিকে নিয়ে বেশি উৎসাহিত হওয়া উচিত হবে না। আদালত আরও বলেন, এ মামলার আসামিদের বিরুদ্ধে আগে থেকেই মাদকের ব্যবসার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ রয়েছে। এর পরও তারা পুলিশের নজরদারির মধ্যে কীভাবে মাদক ব্যবসা পরিচালনা করছে। পুলিশ সতর্ক থাকলে হয়তো রিফাতকে এভাবে প্রাণ দিতে হতো না। তাই মিন্নির প্রতি উৎসাহী না হয়ে মামলার মূল আসামিদের দিকে পুলিশের নজর দেওয়া উচিত। এ সময় রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার উপস্থিত ছিলেন।

রিফাত হত্যা মামলা পিবিআই/সিআইডিতে তদন্তভার প্রদানের নির্দেশনা চেয়ে গত ২৫ জুলাই হাইকোর্টে রিট করেন আইনজীবী ইউনূস আলী আকন্দ। তিনি বলেন, একটি মেয়েকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি নেওয়া হয়েছে। এখন মিন্নি ওই জবানবন্দি প্রত্যাহার করতে চান। আদালত বলেন, এ ক্ষেত্রে আইনের কোনো ব্যত্যয় হয়ে থাকলে মিন্নির পরিবার এ ক্ষেত্রে যথাযথ আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার সুযোগ তো রয়েছে। এ রিট দায়েরে আপনার কোনো লোকাস স্ট্যান্ডি (অধিকার) নেই।