২২, আগস্ট, ২০১৯, বৃহস্পতিবার | | ২০ জ্বিলহজ্জ ১৪৪০


রিফাত হত্যা মামলার তদন্ত পিবিআই’কে দেয়ার রিট খারিজ হাইকোর্টের

রিপোর্টার নামঃ স্টাফ রিপোর্টার: | আপডেট: ২৮ জুলাই ২০১৯, ০৫:১২ পিএম

রিফাত হত্যা মামলার তদন্ত পিবিআই’কে দেয়ার রিট খারিজ হাইকোর্টের
রিফাত হত্যা মামলার তদন্ত পিবিআই’কে দেয়ার রিট খারিজ হাইকোর্টের

বরগুনার আলোচিত রিফাত হত্যা মামলার তদন্ত পুলিশ ব্যুরো অফ ইনভেষ্টিগেশনকে (পিবিআই) দেয়ার আর্জি জানিয়ে আনা রিট উত্থাপিত হয়নি মর্মে রোববার (২৮ জুলাই) খারিজ করে দিয়েছে হাইকোর্ট।

বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের সমন্বয়ে গঠিত একটি হাইকোর্ট বেঞ্চ আজ এ আদেশ দেয়।

গত ২৫ জুলাই হাইকোর্টে রিটটি করা হয়। সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী ইউনুছ আলী আকন্দ এ রিট দায়ের করেন।

ইউনুছ আলী আকন্দ জানান, পুলিশের তদন্তে অসন্তুষ্ট হলে মিন্নির পরিবারের কেউ আদালতে আসতে পারে। স্বাধীন দেশে এটা সবার অধিকার।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন রিটকারী এডভোকেট ইউনুছ আলী আকন্দ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি এটর্নি জেনালে ব্যারিস্টার আবদুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার।

গত ১৬ জুলাই দিনভর জিজ্ঞাসাবাদ শেষে রাত ৯টার দিকে মিন্নিকে গ্রেফতার দেখানো হয়। পরে ১৭ জুলাই মিন্নিকে বরগুনার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সিরাজুল ইসলাম গাজীর আদালতে হাজির করে ৭ দিনের রিমান্ড চায় মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। আদালত ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদেশ দেয় । ওইদিন মিন্নির পক্ষে কোনো আইনজীবী আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। পরে এ মামলায় মিন্নি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। এখন তিনি বরগুনা কারাগারে রয়েছেন।

তার জামিন চেয়ে আনা আবেদন নাকচ করে দেয় জেলার জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্র্যাট আদালত। পরে জেলা ও দায়রা জজ আদালতে জামিনে আবেদন করা হয়। যা শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে।

গত ২৬ জুন সকাল সাড়ে দশটার দিকে বরগুনা সরকারি কলেজের মূল ফটকের পাশে রিফাতকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে স্ত্রীর সামনে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে কয়েকজন যুবক। সেসময় নানাভাবে নিজেকে রক্ষার চেষ্টা করেও শেষ পর্যন্ত বাঁচতে পারেনি রিফাত।

ওই ঘটনার একটি ভিডিও পরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার হলে তা ব্যপক ভাইরাল হয়। সেখানে দেখা যায়, কয়েকজন যুবক রিফাতকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে একের পর আঘাত করছে। নৃশংস এ ঘটনায় নিহত রিফাতের বাবা দুলাল শরীফ বাদী হয়ে বরগুনা সদর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। তাতে বরগুনা শহরে চিহ্নিত সন্ত্রাসী সাব্বির আহম্মেদ ওরফে নয়ন বন্ড এবং তার সহযোগী রিফাত ফরাজী ও তার ছোট ভাই রিশান ফরাজীসহ ১২ জনকে আসামি এবং আরও চার-পাঁচজনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়। হত্যাকান্ডে প্রধান আসামী নয়ন বন্ড পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছে। গ্রেফতার হয়েছেন বেশ ক’জন আসামি।

রিফাত হত্যা মামলার তদন্ত পিবিআই’কে দেয়ার রিট খারিজ হাইকোর্টের

প্রতিবেদক নাম: স্টাফ রিপোর্টার: ,

প্রকাশের সময়ঃ ২৮ জুলাই ২০১৯, ০৫:১২ পিএম

বরগুনার আলোচিত রিফাত হত্যা মামলার তদন্ত পুলিশ ব্যুরো অফ ইনভেষ্টিগেশনকে (পিবিআই) দেয়ার আর্জি জানিয়ে আনা রিট উত্থাপিত হয়নি মর্মে রোববার (২৮ জুলাই) খারিজ করে দিয়েছে হাইকোর্ট।

বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের সমন্বয়ে গঠিত একটি হাইকোর্ট বেঞ্চ আজ এ আদেশ দেয়।

গত ২৫ জুলাই হাইকোর্টে রিটটি করা হয়। সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী ইউনুছ আলী আকন্দ এ রিট দায়ের করেন।

ইউনুছ আলী আকন্দ জানান, পুলিশের তদন্তে অসন্তুষ্ট হলে মিন্নির পরিবারের কেউ আদালতে আসতে পারে। স্বাধীন দেশে এটা সবার অধিকার।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন রিটকারী এডভোকেট ইউনুছ আলী আকন্দ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি এটর্নি জেনালে ব্যারিস্টার আবদুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার।

গত ১৬ জুলাই দিনভর জিজ্ঞাসাবাদ শেষে রাত ৯টার দিকে মিন্নিকে গ্রেফতার দেখানো হয়। পরে ১৭ জুলাই মিন্নিকে বরগুনার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সিরাজুল ইসলাম গাজীর আদালতে হাজির করে ৭ দিনের রিমান্ড চায় মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। আদালত ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদেশ দেয় । ওইদিন মিন্নির পক্ষে কোনো আইনজীবী আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। পরে এ মামলায় মিন্নি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। এখন তিনি বরগুনা কারাগারে রয়েছেন।

তার জামিন চেয়ে আনা আবেদন নাকচ করে দেয় জেলার জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্র্যাট আদালত। পরে জেলা ও দায়রা জজ আদালতে জামিনে আবেদন করা হয়। যা শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে।

গত ২৬ জুন সকাল সাড়ে দশটার দিকে বরগুনা সরকারি কলেজের মূল ফটকের পাশে রিফাতকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে স্ত্রীর সামনে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে কয়েকজন যুবক। সেসময় নানাভাবে নিজেকে রক্ষার চেষ্টা করেও শেষ পর্যন্ত বাঁচতে পারেনি রিফাত।

ওই ঘটনার একটি ভিডিও পরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার হলে তা ব্যপক ভাইরাল হয়। সেখানে দেখা যায়, কয়েকজন যুবক রিফাতকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে একের পর আঘাত করছে। নৃশংস এ ঘটনায় নিহত রিফাতের বাবা দুলাল শরীফ বাদী হয়ে বরগুনা সদর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। তাতে বরগুনা শহরে চিহ্নিত সন্ত্রাসী সাব্বির আহম্মেদ ওরফে নয়ন বন্ড এবং তার সহযোগী রিফাত ফরাজী ও তার ছোট ভাই রিশান ফরাজীসহ ১২ জনকে আসামি এবং আরও চার-পাঁচজনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়। হত্যাকান্ডে প্রধান আসামী নয়ন বন্ড পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছে। গ্রেফতার হয়েছেন বেশ ক’জন আসামি।