১৭, আগস্ট, ২০১৯, শনিবার | | ১৫ জ্বিলহজ্জ ১৪৪০


ধর্ষক তোকে বলছি ---রুখসার রহমান

রিপোর্টার নামঃ প্রতিদিনের কাগজ ডেস্ক | আপডেট: ২৭ জুলাই ২০১৯, ০৬:২০ পিএম

ধর্ষক তোকে বলছি ---রুখসার রহমান
ধর্ষক তোকে বলছি ---রুখসার রহমান

ধর্ষণ আর ধর্ষিতা নিয়ে 
     হোক না যতই লেখা,
অমানুষ তুই পড়বে না চোখে
     হবে না যে তোর শেখা।
 তোর ভয়েতে কত নারী শিশু
     ভয়ে হেঁটে চলে,
কত মা যে কথা চেপে রেখেছে
     মেয়ের বিয়ে হবেনা বলে।
ওই নারীর পেটে জন্মে
     তুই একদিন ছিলে শিশু,
ক্ষমা করবে না আল্লাহ
     কারো ভগবান, কারো জিশু।
এক’পা দু’পা হাঁটতে শেখা
   ওই মায়ের হাতটি ধরে,
তুই হোসনা যতই অত্যাচারী
    কেমনে বাঁচবি ওপারে?
কত-শত মায়ের চোখের পানি
     দিচ্ছে তোকে অভিশাপ,
ধর্ষণ করে শেষে, ফেলছিস মেরে
    এ যে ক্ষমার অযোগ্য পাপ।
ভাবখানা তোর চোখ নড়েনা
   একটা ভদ্রবেশী জানোয়ার,
হোক সে কিশোরী, হোক সে শিশু
    তোর শুধু নারী দেহ হলেই হোক।
প্রতিদিন শুধু কানে বাজে
    কত ধর্ষিতার চিৎকার,
কত খবর যে মাটি চাপা পড়ে
    খবর রাখছে, কে বা কার।
চেনা হোক আর অচেনাই হোক
     চারিদিকে কতনা শোক,
টাকার জোরে নিরাপদে থাকে
    সেই অত্যাচারী ধর্ষক।
আমরা ভাবছি হচ্ছে বিচার
    এবার হবেই বুঝি সাজা,
কিছুদিন পর ফিরে এসে বলে
    আমিই এলাকার রাজা।
জেনে শুনে বুঝে, মুখটা বুজে
    ভয়ে থাকছে কেউবা শান্ত,
সাহসী মানুষ প্রতিবাদ করে
     তারা ছুটতে ছুটতে ক্লান্ত।  
মাটি কাঁদা মাখা খেলা শিশুটিও
     ভয়ে খেলা করে,
কখন না জানি একটা পশু
     তাকে এসে চেপে ধরে।
কাটা মুরগির মতো ছটফটিয়ে
     যাচ্ছে বাবার ছোট্ট মেয়েটি মরে,
সেই... তুই কারো বাবা ছিলি বলে
    এটা দাবী করিস কেমন করে?
মানুষ বলে নিজেকে ভাবিস
    কেউ বলে তোকে পশুর সমান।
তোকে যদি কেউ পশু বলে ডাকে,
    সে ডাকে পশুরও হয় অপমান।
বুকটা তোদের কেঁপে ওঠেনা
      ওরে...অত্যাচারীর দল,
এ পারেতে পার পেয়ে গেলি
 ও পারেতে জবাব কি দিবি বল?

ধর্ষক তোকে বলছি ---রুখসার রহমান

প্রতিবেদক নাম: প্রতিদিনের কাগজ ডেস্ক ,

প্রকাশের সময়ঃ ২৭ জুলাই ২০১৯, ০৬:২০ পিএম

ধর্ষণ আর ধর্ষিতা নিয়ে 
     হোক না যতই লেখা,
অমানুষ তুই পড়বে না চোখে
     হবে না যে তোর শেখা।
 তোর ভয়েতে কত নারী শিশু
     ভয়ে হেঁটে চলে,
কত মা যে কথা চেপে রেখেছে
     মেয়ের বিয়ে হবেনা বলে।
ওই নারীর পেটে জন্মে
     তুই একদিন ছিলে শিশু,
ক্ষমা করবে না আল্লাহ
     কারো ভগবান, কারো জিশু।
এক’পা দু’পা হাঁটতে শেখা
   ওই মায়ের হাতটি ধরে,
তুই হোসনা যতই অত্যাচারী
    কেমনে বাঁচবি ওপারে?
কত-শত মায়ের চোখের পানি
     দিচ্ছে তোকে অভিশাপ,
ধর্ষণ করে শেষে, ফেলছিস মেরে
    এ যে ক্ষমার অযোগ্য পাপ।
ভাবখানা তোর চোখ নড়েনা
   একটা ভদ্রবেশী জানোয়ার,
হোক সে কিশোরী, হোক সে শিশু
    তোর শুধু নারী দেহ হলেই হোক।
প্রতিদিন শুধু কানে বাজে
    কত ধর্ষিতার চিৎকার,
কত খবর যে মাটি চাপা পড়ে
    খবর রাখছে, কে বা কার।
চেনা হোক আর অচেনাই হোক
     চারিদিকে কতনা শোক,
টাকার জোরে নিরাপদে থাকে
    সেই অত্যাচারী ধর্ষক।
আমরা ভাবছি হচ্ছে বিচার
    এবার হবেই বুঝি সাজা,
কিছুদিন পর ফিরে এসে বলে
    আমিই এলাকার রাজা।
জেনে শুনে বুঝে, মুখটা বুজে
    ভয়ে থাকছে কেউবা শান্ত,
সাহসী মানুষ প্রতিবাদ করে
     তারা ছুটতে ছুটতে ক্লান্ত।  
মাটি কাঁদা মাখা খেলা শিশুটিও
     ভয়ে খেলা করে,
কখন না জানি একটা পশু
     তাকে এসে চেপে ধরে।
কাটা মুরগির মতো ছটফটিয়ে
     যাচ্ছে বাবার ছোট্ট মেয়েটি মরে,
সেই... তুই কারো বাবা ছিলি বলে
    এটা দাবী করিস কেমন করে?
মানুষ বলে নিজেকে ভাবিস
    কেউ বলে তোকে পশুর সমান।
তোকে যদি কেউ পশু বলে ডাকে,
    সে ডাকে পশুরও হয় অপমান।
বুকটা তোদের কেঁপে ওঠেনা
      ওরে...অত্যাচারীর দল,
এ পারেতে পার পেয়ে গেলি
 ও পারেতে জবাব কি দিবি বল?