১৭, আগস্ট, ২০১৯, শনিবার | | ১৫ জ্বিলহজ্জ ১৪৪০


প্রথম শ্রেণির ক্লাস করাচ্ছে পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্রী

রিপোর্টার নামঃ হৃদয় ইসলাম, কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার): | আপডেট: ২৭ জুলাই ২০১৯, ১২:২১ পিএম

প্রথম শ্রেণির ক্লাস করাচ্ছে পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্রী
প্রথম শ্রেণির ক্লাস করাচ্ছে পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্রী

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের আলীনগর ইউনিয়নের ছলিমগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রথম শ্রেণির ক্লাস করাচ্ছে পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী। ছলিমগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঁচজন শিক্ষক শিক্ষিকা থাকলেও দুইজন শিক্ষিকা মাতৃত্বকালীন ছুটিতে রয়েছেন ও অন্য তিনজন ক্লাস করানোর কথা রয়েছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ছলিমগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির ক্লাস করাচ্ছে একই বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী। শিক্ষিকার দায়িত্বে থাকা ওই বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্রীকে ক্লাস নেওয়ার জন্য কে দায়িত্ব দিয়েছেন এমন প্রশ্ন করলে দায়িত্বে থাকা স্কুল ছাত্রী কোন উত্তর দেয়নি। স্কুলের দ্বিতীয় তলায় গিয়ে দেখা যায় সহকারী শিক্ষক রেভারানী দেবী একটি ক্লাস নিচ্ছেন। ছাত্রীর ক্লাস নেওয়া সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান। এদিকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা সেবিতা রানী দেবী ও সহকারী শিক্ষক নির্মলেন্দু চন্দ্র ক্লাস বাদ দিয়েই স্কুল সময়ে স্কুলের উপকরণ কেনার জন্য মৌলভীবাজারে চলে যান। তাই তাদের ক্লাস করাচ্ছে পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্রী।

এ বিষয়ে ছলিমগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি কামরুল ইসলাম চৌধুরী প্রতিদিনের কাগজ'কে বলেন, ‘এটা নতুন কিছু না, এ ধরনের ঘটনা এই স্কুলে প্রতিনিয়তই ঘটছে। শিক্ষকরাও বিদ্যালয়ে নিয়মিত আসেন না। স্কুলে আসার সময় সকাল ৯টায় হলেও শিক্ষকরা আসেন ১১-১২টায়। আমি তাদেরকে এই বিষয়ে অনেকবার বলেছি, কিন্তু তারা আমাকে কোন পাত্তা দেয় নি। আমরা এলাকাবাসী ও নিজে একাধিক বার উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে জানিয়েও কোন সূরহা পাইনি।’

এ বিষয়ে ছলিমগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা সেবিতা রানী দেবী প্রতিদিনের কাগজ'কে বলেন , ‘ক্লাস করানোটা যেভাবে গুরুত্বপূর্ণ ঠিক সেভাবে প্রাক-প্রাথমিক বিদ্যালয়ের উপকরণ ক্রয় করাটাও গুরুত্বপূর্ণ। তাই আমি সহকারী শিক্ষক নির্মলেন্দু চন্দ্রকে সাথে নিয়ে মৌলভীবাজার জেলা সদরে গিয়েছি।’ বিদ্যালয়ের উপকরণ বন্ধের দিন কেনা যেত কিনা এমন প্রশ্নের কোনো উওর পাওয়া যায়নি তার কাছ থেকে।

এ বিষয়ে কমলগঞ্জ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোশারফ হোসেন বলেন, ‘বিদ্যালয়ের ক্লাস ফেলে উপকরণ কিনতে যাওয়ার কোন নিয়ম নাই। তবে এ বিষয়ে খোজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

কমলগঞ্জের ভারপ্রাপ্ত ইউএনও নাসরিন চৌধুরী বলেন, ‘বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখবো ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

প্রথম শ্রেণির ক্লাস করাচ্ছে পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্রী

প্রতিবেদক নাম: হৃদয় ইসলাম, কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার): ,

প্রকাশের সময়ঃ ২৭ জুলাই ২০১৯, ১২:২১ পিএম

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের আলীনগর ইউনিয়নের ছলিমগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রথম শ্রেণির ক্লাস করাচ্ছে পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী। ছলিমগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঁচজন শিক্ষক শিক্ষিকা থাকলেও দুইজন শিক্ষিকা মাতৃত্বকালীন ছুটিতে রয়েছেন ও অন্য তিনজন ক্লাস করানোর কথা রয়েছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ছলিমগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির ক্লাস করাচ্ছে একই বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী। শিক্ষিকার দায়িত্বে থাকা ওই বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্রীকে ক্লাস নেওয়ার জন্য কে দায়িত্ব দিয়েছেন এমন প্রশ্ন করলে দায়িত্বে থাকা স্কুল ছাত্রী কোন উত্তর দেয়নি। স্কুলের দ্বিতীয় তলায় গিয়ে দেখা যায় সহকারী শিক্ষক রেভারানী দেবী একটি ক্লাস নিচ্ছেন। ছাত্রীর ক্লাস নেওয়া সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান। এদিকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা সেবিতা রানী দেবী ও সহকারী শিক্ষক নির্মলেন্দু চন্দ্র ক্লাস বাদ দিয়েই স্কুল সময়ে স্কুলের উপকরণ কেনার জন্য মৌলভীবাজারে চলে যান। তাই তাদের ক্লাস করাচ্ছে পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্রী।

এ বিষয়ে ছলিমগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি কামরুল ইসলাম চৌধুরী প্রতিদিনের কাগজ'কে বলেন, ‘এটা নতুন কিছু না, এ ধরনের ঘটনা এই স্কুলে প্রতিনিয়তই ঘটছে। শিক্ষকরাও বিদ্যালয়ে নিয়মিত আসেন না। স্কুলে আসার সময় সকাল ৯টায় হলেও শিক্ষকরা আসেন ১১-১২টায়। আমি তাদেরকে এই বিষয়ে অনেকবার বলেছি, কিন্তু তারা আমাকে কোন পাত্তা দেয় নি। আমরা এলাকাবাসী ও নিজে একাধিক বার উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে জানিয়েও কোন সূরহা পাইনি।’

এ বিষয়ে ছলিমগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা সেবিতা রানী দেবী প্রতিদিনের কাগজ'কে বলেন , ‘ক্লাস করানোটা যেভাবে গুরুত্বপূর্ণ ঠিক সেভাবে প্রাক-প্রাথমিক বিদ্যালয়ের উপকরণ ক্রয় করাটাও গুরুত্বপূর্ণ। তাই আমি সহকারী শিক্ষক নির্মলেন্দু চন্দ্রকে সাথে নিয়ে মৌলভীবাজার জেলা সদরে গিয়েছি।’ বিদ্যালয়ের উপকরণ বন্ধের দিন কেনা যেত কিনা এমন প্রশ্নের কোনো উওর পাওয়া যায়নি তার কাছ থেকে।

এ বিষয়ে কমলগঞ্জ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোশারফ হোসেন বলেন, ‘বিদ্যালয়ের ক্লাস ফেলে উপকরণ কিনতে যাওয়ার কোন নিয়ম নাই। তবে এ বিষয়ে খোজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

কমলগঞ্জের ভারপ্রাপ্ত ইউএনও নাসরিন চৌধুরী বলেন, ‘বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখবো ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।