২৩, আগস্ট, ২০১৯, শুক্রবার | | ২১ জ্বিলহজ্জ ১৪৪০


অকার্যকর স্লুইচ গেটের কারণে দীর্ঘ বন্যার কবলে চিলমারী

রিপোর্টার নামঃ জেলা প্রতিনিধি | আপডেট: ২৩ জুলাই ২০১৯, ০৯:১৭ পিএম

অকার্যকর স্লুইচ গেটের কারণে দীর্ঘ বন্যার কবলে চিলমারী
টানা বর্ষণ আর উজান থেকে আসা ঢলের পানিতে কুড়িগ্রামের বেশির ভাগ এলাকা পানিতে ডুবে যায়। চিলমারী উপজেলার পাত্রখাতা সরকারপাড়া এলাকায় নির্মিত এই স্লুইচ গেঁটি অধিকাংশ পানি প্রবাহ পথ সচল করা যায়নি। এর ফলে চ

অকার্যকর স্লুইচ গেটের কারণেই দীর্ঘ বন্যার কবলে পড়েছে চিলমারী। পাত্রখাতা সরকারপাড়া এলাকায় মরা তিস্তা নদীর উপর বন্যা নিয়ন্ত্রণ রক্ষা বাঁধে নির্মিত ১২টি পানি প্রবাহ পথ বিশিষ্ট এ স্লুইচ গেটটি কার্যকারিতা হারিয়ে উপজেলার বাসির চরম এক দুভোর্গ হয়ে দেখা দিয়েছে। পানি প্রবাহ পথ অকেজো হওয়ায় চিলমারী উপজেলা সদরসহ বিভিন্ন এলাকা টানা ৬দিন ধরে অথৈই পানির নিচে তলিয়ে আছে। 

পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা যায়, চিলমারী উপজেলার উপর দিয়ে প্রবাহিত ব্রহ্মপুত্র নদের ডানতীরে বন্যা নিয়ন্ত্রণ রক্ষা বাঁধে পানি প্রবাহ সামঞ্জস্য রাখতে ১৯৭৬-৭৭ অর্থ বছরে পানি উন্নয়ন বোর্ড ৪টি স্লুইচ গেট নিমার্ণ করে। এর মধ্যে মাগুরা স্লুইচ গেটটির পানি প্রবাহ পথ ২টি, চাচলার বিল স্লুইচ গেটটির ২টি, কাঁচকোল গেটটির ১০টি ও পাত্রখাতা সরকারপাড়া মরা তিস্তা নদীর উপর নির্মিত স্লইচ গেটটি ১২টি পানি প্রবাহ পথ বিশিষ্ট। এ স্লুইচ গেটগুলো ৩ বছর আগেও পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক অপারেটর দ্বারা পরিচালিত হলেও অপারেটর পদটি বিলুপ্ত হওয়ায় কার্যত এখন স্লুইচ গেটগুলো মরার উপর খড়ার ঘাঁ হয়ে দেখা দিয়েছে। অপারেটরহীন এ স্লুইচ গেটগুলো স্থানীয় কয়েকজন সুবিধাভোগী মাঝি তাদের সুবিধার্থে পানি প্রবাহ পথ আটকে দেয়ায় দীর্ঘ বন্যার কবলে পড়েছে চিলমারী। 

সরেজমিন দেখা গেছে, উপজেলার পাত্রখাতা মরা তিস্তা নদী উপর বন্যা নিয়ন্ত্রণ রক্ষা বাঁধে নির্মিত এ স্লুইচ গেটটির উত্তর-দক্ষিণ দিকের প্রথম প্রবাহ পথ ২টি অকেজো অবস্থায় রয়েছে। এরমধ্যে দক্ষিণ অংশের ৩টি পুরোপুরি সচল থাকলেও বাকি গুলো পুরোপুরি সচল করা যায়নি। এলাকাবাসীর অভিযোগ, এ স্লুইচ গেটটি কার্যকারিতা হারিয়েছে কর্তৃপক্ষের উদাসীনতায়। এতে সৃষ্ট দীর্ঘবন্যায় কয়েকহাজার আবাদী জমির ফসল বিনষ্ট হয় বলেও জানান তারা।

পাত্রখাতা রিয়াজুল জান্নাহ দাখিল মাদ্রাসার সুপার মাওলানা আব্দুল আজিজ আকন্দ বলেন, ব্রহ্মপুত্র নদে পানি কমে যাওয়ার সাথে সাথে বাঁধের পূর্ব প্রান্তের নি¤œাঞ্চল এলাকা পাত্রখাতা ডাঙ্গার চর, মাদারীপাড়া, হরিপুর, দক্ষিণ খড়খড়িয়া এলাকা গুলো জেগে উঠলেও স্লুইচ গেটের উত্তর পশ্চিমে অবস্থিত চিলমারী সদরসহ বিভিন্ন এলাকা অথৈই পানিতে তলিয়ে আছে। তিনি আরো জানান, এ স্লুইচ গেট এখন আর সময়োপযোগী নয়। এ স্লুইচ গেটটি ভেঙ্গে মরা তিস্তা নদীর উপর উন্মুক্ত ব্রীজ নিমার্ণ এখন সময়ের দাবি। 

একই দাবি জানালেন ওই এলাকার বাসিন্দা মো. ইয়াসিন আলী (৫০), মো. হোসেন আলী (৭০), মো. মুকুল মিয়া (৭০) মো. লিচু মিয়া (৪০) সহ অনেকেই। এ সময় তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, গত-২ বছর যাবৎ এ স্লুইচ গেটটি দেখভালের দায়িত্বে থাকা কাউকেই দেখতে পায়নি। 

পানি উন্নয়ন বোর্ডের অবসরপ্রাপ্ত ওয়ার্ক এ্যাসিসটেন্ট মো. আবু তাহের বলেন, এ গেটটি দিয়ে উলিপুর উপজেলার ধামশ্রেণী ক্যানেল, ঠাটমারী ক্যানেল, টকরাইহাট ক্যানেল, অনন্তপুর বিল, বামনি নদী, চৌমানী বিল, নিরাশীবন বিল, চিলমারীথর কয়ারপাড় বিল, সড়কটারি বিল ও তিতিশীয়ালের বিলের পানি মরা তিস্তা হয়ে ব্রহ্মপুত্র নদে নেমে যায়। তিনি আরও জানান, ৮৮থর বন্যায় প্রবল চাপে ওই স্লুইচ গেটটি ঝুঁিকপূর্ণ হয়ে উঠলে তৎকালিন পানি উন্নয়ন বোর্ডের ডিজি, সচিব মহোদয় পরিদর্শন এসে একটি সার্ভে রিপোর্ট করেন। সে সময় এ স্লুইচ গেটের পূর্ব দিকে নজির হোসেনের বাড়ি সংলগ্ন এলাকায় একটি ৮ ভ্যান বিশিষ্ট স্লুইচ গেট নিমার্ণের নকশা চুড়ান্ত করা হয়। কিন্তু তৎকালিন ডিজি মহোদয়ের অবসরের পর আমলা তান্ত্রিক জটিলতায় সেটি আর আলোর মুখ দেখেনি। তিনি আরো বলেন, এ স্লুইচ গেটগুলো স্থানীয় কয়েকজন মাঝি মাছ মারার স্বার্থে বিভিন্ন ভাবে বিকল করে দেন। তার সময়ে এ সমস্যা উত্তরণে থানাপুলিশ করতে হয়েছিল বলেও জানান তিনি। 

এদিকে বিভিন্ন নদীর পানির তোড়ে চিলমারী অথৈ পানিতে তলিয়ে থাকলেও পানি নেমে যাওয়ার অন্যতম এ পথটি উন্মুক্ত করতে পাউবোর দায়িত্বপ্রাপ্ত কেউ আসেননি। অতিরিক্ত পানির চাপে রমনা জোড়গাছ এলাকায় বাঁধ ধ্বসে ব্রহ্মপুত্র নদে পানি নেমে যাওয়া শুরু হলে গত বৃহষ্পতিবার রমনা ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতি লাল মিয়া এলাকাবাসীকে সঙ্গে নিয়ে বানভাসি মানুষদের দুভোর্গ লাঘবে স্লুইচ গেটটির প্রবাহ পথ খুলে দেন।

রমনা ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতি লাল মিয়া এ বিষয়ে নিশ্চিত করে জানান, অতিরিক্ত পানির চাপে বাঁধ ভেঙ্গে যাওয়ার পর আমি এলাকাবাসীকে সঙ্গে নিয়ে স্লুইচ গেট সংলগ্ন স্থানীয় হাফিজুর নামে এক দোকানদারের কাছ থেকে এর হ্যান্ডেল নিয়ে এর প্রবাহপথ খুলে দেই। বর্তমানে এর হ্যান্ডেল মো. মোস্তা নামে স্থানীয় একজনের কাছে রেখে এসেছেন বলেও জানান তিনি। 

এ বিষয়ে জানতে চাইলে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আরিফুল ইসলাম বলেন, এটি আমরাই দেখভাল করছি। এর হ্যান্ডেল স্থানীয়দের কাছে থাকার প্রশ্নই ওঠে না। স্থানীয়রা যে অভিযোগ করেছেন তা সঠিক নয় দাবি করে তিনি আরো বলেন, পানি কমে গেলে স্লুইচ গেটটি মেরামত করা হবে। সে সঙ্গে এ বাঁধে আর একটি স্লুইচ গেট নিমার্ণের ব্যাপারে প্রস্তাব পাঠানো হবে। 

প্রতিদিনের কাগজ/এ আর 


অকার্যকর স্লুইচ গেটের কারণে দীর্ঘ বন্যার কবলে চিলমারী

প্রতিবেদক নাম: জেলা প্রতিনিধি ,

প্রকাশের সময়ঃ ২৩ জুলাই ২০১৯, ০৯:১৭ পিএম

অকার্যকর স্লুইচ গেটের কারণেই দীর্ঘ বন্যার কবলে পড়েছে চিলমারী। পাত্রখাতা সরকারপাড়া এলাকায় মরা তিস্তা নদীর উপর বন্যা নিয়ন্ত্রণ রক্ষা বাঁধে নির্মিত ১২টি পানি প্রবাহ পথ বিশিষ্ট এ স্লুইচ গেটটি কার্যকারিতা হারিয়ে উপজেলার বাসির চরম এক দুভোর্গ হয়ে দেখা দিয়েছে। পানি প্রবাহ পথ অকেজো হওয়ায় চিলমারী উপজেলা সদরসহ বিভিন্ন এলাকা টানা ৬দিন ধরে অথৈই পানির নিচে তলিয়ে আছে। 

পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা যায়, চিলমারী উপজেলার উপর দিয়ে প্রবাহিত ব্রহ্মপুত্র নদের ডানতীরে বন্যা নিয়ন্ত্রণ রক্ষা বাঁধে পানি প্রবাহ সামঞ্জস্য রাখতে ১৯৭৬-৭৭ অর্থ বছরে পানি উন্নয়ন বোর্ড ৪টি স্লুইচ গেট নিমার্ণ করে। এর মধ্যে মাগুরা স্লুইচ গেটটির পানি প্রবাহ পথ ২টি, চাচলার বিল স্লুইচ গেটটির ২টি, কাঁচকোল গেটটির ১০টি ও পাত্রখাতা সরকারপাড়া মরা তিস্তা নদীর উপর নির্মিত স্লইচ গেটটি ১২টি পানি প্রবাহ পথ বিশিষ্ট। এ স্লুইচ গেটগুলো ৩ বছর আগেও পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক অপারেটর দ্বারা পরিচালিত হলেও অপারেটর পদটি বিলুপ্ত হওয়ায় কার্যত এখন স্লুইচ গেটগুলো মরার উপর খড়ার ঘাঁ হয়ে দেখা দিয়েছে। অপারেটরহীন এ স্লুইচ গেটগুলো স্থানীয় কয়েকজন সুবিধাভোগী মাঝি তাদের সুবিধার্থে পানি প্রবাহ পথ আটকে দেয়ায় দীর্ঘ বন্যার কবলে পড়েছে চিলমারী। 

সরেজমিন দেখা গেছে, উপজেলার পাত্রখাতা মরা তিস্তা নদী উপর বন্যা নিয়ন্ত্রণ রক্ষা বাঁধে নির্মিত এ স্লুইচ গেটটির উত্তর-দক্ষিণ দিকের প্রথম প্রবাহ পথ ২টি অকেজো অবস্থায় রয়েছে। এরমধ্যে দক্ষিণ অংশের ৩টি পুরোপুরি সচল থাকলেও বাকি গুলো পুরোপুরি সচল করা যায়নি। এলাকাবাসীর অভিযোগ, এ স্লুইচ গেটটি কার্যকারিতা হারিয়েছে কর্তৃপক্ষের উদাসীনতায়। এতে সৃষ্ট দীর্ঘবন্যায় কয়েকহাজার আবাদী জমির ফসল বিনষ্ট হয় বলেও জানান তারা।

পাত্রখাতা রিয়াজুল জান্নাহ দাখিল মাদ্রাসার সুপার মাওলানা আব্দুল আজিজ আকন্দ বলেন, ব্রহ্মপুত্র নদে পানি কমে যাওয়ার সাথে সাথে বাঁধের পূর্ব প্রান্তের নি¤œাঞ্চল এলাকা পাত্রখাতা ডাঙ্গার চর, মাদারীপাড়া, হরিপুর, দক্ষিণ খড়খড়িয়া এলাকা গুলো জেগে উঠলেও স্লুইচ গেটের উত্তর পশ্চিমে অবস্থিত চিলমারী সদরসহ বিভিন্ন এলাকা অথৈই পানিতে তলিয়ে আছে। তিনি আরো জানান, এ স্লুইচ গেট এখন আর সময়োপযোগী নয়। এ স্লুইচ গেটটি ভেঙ্গে মরা তিস্তা নদীর উপর উন্মুক্ত ব্রীজ নিমার্ণ এখন সময়ের দাবি। 

একই দাবি জানালেন ওই এলাকার বাসিন্দা মো. ইয়াসিন আলী (৫০), মো. হোসেন আলী (৭০), মো. মুকুল মিয়া (৭০) মো. লিচু মিয়া (৪০) সহ অনেকেই। এ সময় তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, গত-২ বছর যাবৎ এ স্লুইচ গেটটি দেখভালের দায়িত্বে থাকা কাউকেই দেখতে পায়নি। 

পানি উন্নয়ন বোর্ডের অবসরপ্রাপ্ত ওয়ার্ক এ্যাসিসটেন্ট মো. আবু তাহের বলেন, এ গেটটি দিয়ে উলিপুর উপজেলার ধামশ্রেণী ক্যানেল, ঠাটমারী ক্যানেল, টকরাইহাট ক্যানেল, অনন্তপুর বিল, বামনি নদী, চৌমানী বিল, নিরাশীবন বিল, চিলমারীথর কয়ারপাড় বিল, সড়কটারি বিল ও তিতিশীয়ালের বিলের পানি মরা তিস্তা হয়ে ব্রহ্মপুত্র নদে নেমে যায়। তিনি আরও জানান, ৮৮থর বন্যায় প্রবল চাপে ওই স্লুইচ গেটটি ঝুঁিকপূর্ণ হয়ে উঠলে তৎকালিন পানি উন্নয়ন বোর্ডের ডিজি, সচিব মহোদয় পরিদর্শন এসে একটি সার্ভে রিপোর্ট করেন। সে সময় এ স্লুইচ গেটের পূর্ব দিকে নজির হোসেনের বাড়ি সংলগ্ন এলাকায় একটি ৮ ভ্যান বিশিষ্ট স্লুইচ গেট নিমার্ণের নকশা চুড়ান্ত করা হয়। কিন্তু তৎকালিন ডিজি মহোদয়ের অবসরের পর আমলা তান্ত্রিক জটিলতায় সেটি আর আলোর মুখ দেখেনি। তিনি আরো বলেন, এ স্লুইচ গেটগুলো স্থানীয় কয়েকজন মাঝি মাছ মারার স্বার্থে বিভিন্ন ভাবে বিকল করে দেন। তার সময়ে এ সমস্যা উত্তরণে থানাপুলিশ করতে হয়েছিল বলেও জানান তিনি। 

এদিকে বিভিন্ন নদীর পানির তোড়ে চিলমারী অথৈ পানিতে তলিয়ে থাকলেও পানি নেমে যাওয়ার অন্যতম এ পথটি উন্মুক্ত করতে পাউবোর দায়িত্বপ্রাপ্ত কেউ আসেননি। অতিরিক্ত পানির চাপে রমনা জোড়গাছ এলাকায় বাঁধ ধ্বসে ব্রহ্মপুত্র নদে পানি নেমে যাওয়া শুরু হলে গত বৃহষ্পতিবার রমনা ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতি লাল মিয়া এলাকাবাসীকে সঙ্গে নিয়ে বানভাসি মানুষদের দুভোর্গ লাঘবে স্লুইচ গেটটির প্রবাহ পথ খুলে দেন।

রমনা ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতি লাল মিয়া এ বিষয়ে নিশ্চিত করে জানান, অতিরিক্ত পানির চাপে বাঁধ ভেঙ্গে যাওয়ার পর আমি এলাকাবাসীকে সঙ্গে নিয়ে স্লুইচ গেট সংলগ্ন স্থানীয় হাফিজুর নামে এক দোকানদারের কাছ থেকে এর হ্যান্ডেল নিয়ে এর প্রবাহপথ খুলে দেই। বর্তমানে এর হ্যান্ডেল মো. মোস্তা নামে স্থানীয় একজনের কাছে রেখে এসেছেন বলেও জানান তিনি। 

এ বিষয়ে জানতে চাইলে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আরিফুল ইসলাম বলেন, এটি আমরাই দেখভাল করছি। এর হ্যান্ডেল স্থানীয়দের কাছে থাকার প্রশ্নই ওঠে না। স্থানীয়রা যে অভিযোগ করেছেন তা সঠিক নয় দাবি করে তিনি আরো বলেন, পানি কমে গেলে স্লুইচ গেটটি মেরামত করা হবে। সে সঙ্গে এ বাঁধে আর একটি স্লুইচ গেট নিমার্ণের ব্যাপারে প্রস্তাব পাঠানো হবে। 

প্রতিদিনের কাগজ/এ আর