১৮, আগস্ট, ২০১৯, রোববার | | ১৬ জ্বিলহজ্জ ১৪৪০


দলীয় এক কর্মীকে পেটালো শাবি ছাত্রলীগ

রিপোর্টার নামঃ প্রতিদিনের কাগজ: | আপডেট: ২৩ জুলাই ২০১৯, ০৯:৩৩ এএম

দলীয় এক কর্মীকে পেটালো শাবি ছাত্রলীগ
দলীয় এক কর্মীকে পেটালো শাবি ছাত্রলীগ

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্বদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি) রাকিবুল হাসান মিলন নামে এক ছাত্রলীগ কর্মীকে পাইপ দিয়ে পিটিয়েছে প্রতিপক্ষ গ্রুপের নেতাকর্মীরা। সে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি আবু সাঈদ আকন্দের অনুসারী এবং বাংলা বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী।

সোমবার (২২ জুলাই) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্জুনতলায় এ ঘটনা ঘটে। পরবর্তীতে আহত অবস্থায় তাকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সোমবার বিকেলে রাকিবুল হাসান মিলন ক্লাস থেকে বের হয়ে অজুর্নতলায় আসা মাত্রা তার ওপর হামলা চালায় শাবি ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ইমরান খানের অনুসারীরা। এ সময় তারা মিলনকে পাইপ দিয়ে আঘাত করার পাশাপাশি কিল, ঘুষি, লাথি এবং চড়-থাপ্পড় মারে।

মিলন বলেন, ‘ক্লাস থেকে বের হওয়ার পর ইমরান খানের অনুসারী সাদ্দাম হোসেন লিখন, সজিবুর রহমান, রোহিতুজ্জামান নাজমুল, মনোয়ার হোসেন, আব্দুল্লাহ আল মাসউদ, সাজ্জাদ হোসেন, মুন, তন্ময়, অমিতসহ ৮/৯ জন হামলা চালায় এবং পাইপ দিয়ে মারধর করে।’

এ বিষয়ে সাধারণ সম্পাদক ইমরান খান বলেন, ‘মারধরের ঘটনাটি আমি শুনেছি। ঘটনার সত্যতা খতিয়ে দেখছি।’

প্রক্টর জহীর উদ্দীন আহমেদ বলেন, ‘একজনকে মারধরের ঘটনা আমি শুনেছি। তবে এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানি না। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখছি।’

দলীয় এক কর্মীকে পেটালো শাবি ছাত্রলীগ

প্রতিবেদক নাম: প্রতিদিনের কাগজ: ,

প্রকাশের সময়ঃ ২৩ জুলাই ২০১৯, ০৯:৩৩ এএম

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্বদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি) রাকিবুল হাসান মিলন নামে এক ছাত্রলীগ কর্মীকে পাইপ দিয়ে পিটিয়েছে প্রতিপক্ষ গ্রুপের নেতাকর্মীরা। সে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি আবু সাঈদ আকন্দের অনুসারী এবং বাংলা বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী।

সোমবার (২২ জুলাই) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্জুনতলায় এ ঘটনা ঘটে। পরবর্তীতে আহত অবস্থায় তাকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সোমবার বিকেলে রাকিবুল হাসান মিলন ক্লাস থেকে বের হয়ে অজুর্নতলায় আসা মাত্রা তার ওপর হামলা চালায় শাবি ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ইমরান খানের অনুসারীরা। এ সময় তারা মিলনকে পাইপ দিয়ে আঘাত করার পাশাপাশি কিল, ঘুষি, লাথি এবং চড়-থাপ্পড় মারে।

মিলন বলেন, ‘ক্লাস থেকে বের হওয়ার পর ইমরান খানের অনুসারী সাদ্দাম হোসেন লিখন, সজিবুর রহমান, রোহিতুজ্জামান নাজমুল, মনোয়ার হোসেন, আব্দুল্লাহ আল মাসউদ, সাজ্জাদ হোসেন, মুন, তন্ময়, অমিতসহ ৮/৯ জন হামলা চালায় এবং পাইপ দিয়ে মারধর করে।’

এ বিষয়ে সাধারণ সম্পাদক ইমরান খান বলেন, ‘মারধরের ঘটনাটি আমি শুনেছি। ঘটনার সত্যতা খতিয়ে দেখছি।’

প্রক্টর জহীর উদ্দীন আহমেদ বলেন, ‘একজনকে মারধরের ঘটনা আমি শুনেছি। তবে এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানি না। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখছি।’