২৩, আগস্ট, ২০১৯, শুক্রবার | | ২১ জ্বিলহজ্জ ১৪৪০


জাপানে রবীন্দ্র ও নজরুল জয়ন্তী উদযাপিত

রিপোর্টার নামঃ প্রতিদিনের কাগজ ডেস্ক | আপডেট: ২২ জুলাই ২০১৯, ০৯:৩৯ এএম

জাপানে রবীন্দ্র ও নজরুল জয়ন্তী উদযাপিত
জাপানে রবীন্দ্র ও নজরুল জয়ন্তী উদযাপিত

কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৫৮তম এবং জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২০তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন করেছে টোকিওর বাংলাদেশ দূতাবাস। এ উপলক্ষে দূতাবাসের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

জাপানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমা তার স্বাগত বক্তব্যে বাংলা সাহিত্যের উজ্জ্বলতম এই দুই নক্ষত্রের অবদান নিয়ে আলোচনা করেন। তাদের রচিত গান, কবিতা, উপন্যাস, গল্প, নাটকের বিভিন্ন সুন্দর দিক তুলে ধরেন।

এই দুই কবির ধর্মনিরপেক্ষ সৃষ্টিকর্মসমূহের প্রাসঙ্গিকতা অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি বলে রাষ্ট্রদূত ফাতিমা উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, তাদের রচনাসমূহ বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধের সময় বিশেষ প্রেরণা যুগিয়েছিল। স্বাধীনতার পর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কাজী নজরুল ইসলামকে বাংলাদেশে নিয়ে আসেন এবং জাতীয় কবির মর্যাদা দেন।

এই আয়োজনের মধ্যে অন্যতম আকর্ষণ ছিল শীর্ষস্থানীয় বাংলাদেশ কমিউনিটির সদস্যদের অংশগ্রহণে রবীন্দ্রসঙ্গীত, নজরুলগীতি, কবিতা ও নাচ পরিবেশন।

অনুষ্ঠানে প্রতিষ্ঠিত জাপানিজ নাগরিকগণ, বাংলাদেশ কমিউনিটি এবং বাংলাদেশ দূতাবাসের সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান শেষে অতিথিদের বাংলাদেশি খাবার পরিবেশন করা হয়।

জাপানে রবীন্দ্র ও নজরুল জয়ন্তী উদযাপিত

প্রতিবেদক নাম: প্রতিদিনের কাগজ ডেস্ক ,

প্রকাশের সময়ঃ ২২ জুলাই ২০১৯, ০৯:৩৯ এএম

কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৫৮তম এবং জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২০তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন করেছে টোকিওর বাংলাদেশ দূতাবাস। এ উপলক্ষে দূতাবাসের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

জাপানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমা তার স্বাগত বক্তব্যে বাংলা সাহিত্যের উজ্জ্বলতম এই দুই নক্ষত্রের অবদান নিয়ে আলোচনা করেন। তাদের রচিত গান, কবিতা, উপন্যাস, গল্প, নাটকের বিভিন্ন সুন্দর দিক তুলে ধরেন।

এই দুই কবির ধর্মনিরপেক্ষ সৃষ্টিকর্মসমূহের প্রাসঙ্গিকতা অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি বলে রাষ্ট্রদূত ফাতিমা উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, তাদের রচনাসমূহ বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধের সময় বিশেষ প্রেরণা যুগিয়েছিল। স্বাধীনতার পর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কাজী নজরুল ইসলামকে বাংলাদেশে নিয়ে আসেন এবং জাতীয় কবির মর্যাদা দেন।

এই আয়োজনের মধ্যে অন্যতম আকর্ষণ ছিল শীর্ষস্থানীয় বাংলাদেশ কমিউনিটির সদস্যদের অংশগ্রহণে রবীন্দ্রসঙ্গীত, নজরুলগীতি, কবিতা ও নাচ পরিবেশন।

অনুষ্ঠানে প্রতিষ্ঠিত জাপানিজ নাগরিকগণ, বাংলাদেশ কমিউনিটি এবং বাংলাদেশ দূতাবাসের সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান শেষে অতিথিদের বাংলাদেশি খাবার পরিবেশন করা হয়।