২৩, আগস্ট, ২০১৯, শুক্রবার | | ২১ জ্বিলহজ্জ ১৪৪০


হায় সেলুকাস! রাতে এমপি শম্ভুর অফিসে মিন্নির আইনজীবী!

রিপোর্টার নামঃ প্রতিদিনের কাগজ ডেস্ক | আপডেট: ২২ জুলাই ২০১৯, ০২:১০ এএম

হায় সেলুকাস! রাতে এমপি শম্ভুর অফিসে মিন্নির আইনজীবী!
হায় সেলুকাস! রাতে এমপি শম্ভুর অফিসে মিন্নির আইনজীবী!

২০-৭-১৯ রাত ৯-৪৫ মিনিটে মিন্নির আইনজীবী মাহবুবুল বারী আসলাম বরগুনা বারের সভাপতি আব্দুর রহমান নান্টুকে নিয়ে দেখা করতে যান স্থানীয় সংসদ সদস্য ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভুর ব্যক্তিগত ল’ চেম্বারে! তারা সেখানে প্রায় আধ ঘণ্টার মতো অবস্থান করেন। কিন্তু কেন? মাহবুবুল বারী আসলাম বলেছেন যে, ‘আইনজীবী সমিতির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক সংসদ সদস্যের কাছে আসতেই পারে। এটা সৌজন্য সাক্ষাৎ ছিলো।’

উল্লেখ্য, মিন্নির বাবা মোজাম্মেল হোসেন গণমাধ্যমে দেয়া এক বক্তব্যে বলেছিলেন, ‘আমার মেয়ে জীবনবাজি রেখে তার স্বামীকে রক্ষা করতে গেছে। এটাই তার অপরাধ? এসব কিছুই শম্ভু বাবুর (স্থানীয় সংসদ সদস্য ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু) খেলা। তার ছেলে সুনাম দেবনাথকে সেভ করার জন্য আমার মেয়েকে বলি দেয়া হচ্ছে।’ এই যদি হয় একজন আইনজীবীর ভূমিকা তবে কেমন করে তাদের ‘পর জনগণের শ্রদ্ধা, ভক্তি থাকবে? এর চেয়ে অনৈতিক ক্রিয়া আর কি হতে পারে? এরা তো ক্ষমতার জন্য/স্বার্থসিদ্ধির জন্য দিনকে রাত রাতকে দিন করতে পারে! ঘৃণাটাও এদের জন্য কম হয়ে যায়। এই অবস্থায় মিন্নির পরিবারের উচিত হবে নতুন আইনজীবী নিয়োগ দিয়ে মাহবুবুল বারী আসলামকে ছাঁটাই করা। আশা করছি, ঢাকা থেকে যেসবব আইনজীবী বরগুনা পৌঁছেছেন তারা এই বিষয়ে সমাধানে আসবেন নতুবা ‘ঘরের ছাগলেই বেড়া খেয়ে ফেলবে!’ পাশাপাশি সরকারসহ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে অনুরোধ করবো যেন মিন্নির বিচার প্রক্রিয়ায় স্থানীয় এমপির গতিবিধি মনিটরিং করার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। ফুটনোট : মিন্নি অপরাধী কি অপরাধী নয়, তার বিচার করবে আদালত। তবে এসব অবাঞ্ছিত ক্রিয়ায় মিন্নিকে দোষী বানানোর পাঁয়তারা জনগণ ভালোভাবে নেবে না। (ফেসবুক থেকে)

হায় সেলুকাস! রাতে এমপি শম্ভুর অফিসে মিন্নির আইনজীবী!

প্রতিবেদক নাম: প্রতিদিনের কাগজ ডেস্ক ,

প্রকাশের সময়ঃ ২২ জুলাই ২০১৯, ০২:১০ এএম

২০-৭-১৯ রাত ৯-৪৫ মিনিটে মিন্নির আইনজীবী মাহবুবুল বারী আসলাম বরগুনা বারের সভাপতি আব্দুর রহমান নান্টুকে নিয়ে দেখা করতে যান স্থানীয় সংসদ সদস্য ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভুর ব্যক্তিগত ল’ চেম্বারে! তারা সেখানে প্রায় আধ ঘণ্টার মতো অবস্থান করেন। কিন্তু কেন? মাহবুবুল বারী আসলাম বলেছেন যে, ‘আইনজীবী সমিতির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক সংসদ সদস্যের কাছে আসতেই পারে। এটা সৌজন্য সাক্ষাৎ ছিলো।’

উল্লেখ্য, মিন্নির বাবা মোজাম্মেল হোসেন গণমাধ্যমে দেয়া এক বক্তব্যে বলেছিলেন, ‘আমার মেয়ে জীবনবাজি রেখে তার স্বামীকে রক্ষা করতে গেছে। এটাই তার অপরাধ? এসব কিছুই শম্ভু বাবুর (স্থানীয় সংসদ সদস্য ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু) খেলা। তার ছেলে সুনাম দেবনাথকে সেভ করার জন্য আমার মেয়েকে বলি দেয়া হচ্ছে।’ এই যদি হয় একজন আইনজীবীর ভূমিকা তবে কেমন করে তাদের ‘পর জনগণের শ্রদ্ধা, ভক্তি থাকবে? এর চেয়ে অনৈতিক ক্রিয়া আর কি হতে পারে? এরা তো ক্ষমতার জন্য/স্বার্থসিদ্ধির জন্য দিনকে রাত রাতকে দিন করতে পারে! ঘৃণাটাও এদের জন্য কম হয়ে যায়। এই অবস্থায় মিন্নির পরিবারের উচিত হবে নতুন আইনজীবী নিয়োগ দিয়ে মাহবুবুল বারী আসলামকে ছাঁটাই করা। আশা করছি, ঢাকা থেকে যেসবব আইনজীবী বরগুনা পৌঁছেছেন তারা এই বিষয়ে সমাধানে আসবেন নতুবা ‘ঘরের ছাগলেই বেড়া খেয়ে ফেলবে!’ পাশাপাশি সরকারসহ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে অনুরোধ করবো যেন মিন্নির বিচার প্রক্রিয়ায় স্থানীয় এমপির গতিবিধি মনিটরিং করার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। ফুটনোট : মিন্নি অপরাধী কি অপরাধী নয়, তার বিচার করবে আদালত। তবে এসব অবাঞ্ছিত ক্রিয়ায় মিন্নিকে দোষী বানানোর পাঁয়তারা জনগণ ভালোভাবে নেবে না। (ফেসবুক থেকে)