১৮, আগস্ট, ২০১৯, রোববার | | ১৬ জ্বিলহজ্জ ১৪৪০


ট্রাম্পের কাছে কেন নালিশ করেছেন, জানালেন প্রিয়া সাহা

রিপোর্টার নামঃ স্টাফ রিপোর্টার: | আপডেট: ২১ জুলাই ২০১৯, ০৬:৩৬ পিএম

ট্রাম্পের কাছে কেন নালিশ করেছেন, জানালেন প্রিয়া সাহা
ট্রাম্পের কাছে কেন নালিশ করেছেন, জানালেন প্রিয়া সাহা

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে বাংলাদেশে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতনের ‘ভয়ঙ্কর’ অভিযোগের পর প্রথম প্রকাশ্যে এসে কারণ জানালেন বাংলাদেশ হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক প্রিয়া সাহা।বাংলাদেশের দলিত সম্প্রদায় নিয়ে করা এনজিও  ‘শারি’র  পরিচালক প্রিয়া। ‘শারি বাংলাদেশ’ এর ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় ট্রাম্পের কাছে নালিশের কারণ জানান প্রিয়া।

প্রিয়া সাহা বলেন, ‘আসলে এই কথাগুলো আমি কেন বলি, প্রথমে তো এই কথাগুলো মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কথা। ২০০১ সালে যখন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপরে নির্বাচনোত্তর চরম নির্যাতন চলছিল ৯৪ দিন ধরে তখন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আজকের প্রধানমন্ত্রী তখন বিরোধীদলীয় নেত্রী। তিনি সারা পৃথিবীতে বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের রক্ষা করার জন্য সারা পৃথিবীতে ঘুরেছেন। সমস্ত জায়গায় বক্তব্য দিয়েছেন। আমি তার কথায় অনুপ্রাণিত হয়ে তার অনুসরণে আমি বলেছি। যে কোনো অন্যায়ের বিরুদ্ধে,যে কোনো জায়গায় বলা যায় এটা আমি তার কাছে শিখেছি। তিনি বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের রক্ষা করার জন্য সারা পৃথিবীতে ঘুরেছেন। সমস্ত জায়গায় বক্তব্য দিয়েছেন। আমি তার কথায় অনুপ্রাণিত হয়ে তার অনুসরণ করেছি। যেকোনো অন্যায়ের বিরুদ্ধে যেকোনো জায়গায় যে কথা বলা যায়, এটা আমি তার কাছ থেকে শিখেছি।

প্রিয়া বলেন, ‘২০০১ সালে তখনকার সাম্প্রদায়িক সরকার সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর এবং আওয়ামী লীগের ওপরে যে চরম নির্যাতন চালিয়েছিল, তার বিরুদ্ধে বর্তমান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সারা পৃথিবীতে কীভাবে সংগ্রাম করেছেন সেটা আপনারা সবাই অবগত আছেন। ২০০১ সালের পরিসংখ্যান বইয়ের যে ধর্মীয় সংখ্যালঘুর চ্যাপ্টার রয়েছে সেখানে এ বিষয়গুলো লেখা রয়েছে।’

বাংলাদেশ হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক প্রিয়া সাহা গত ১৭ জুলাই হোয়াইট হাউসে এক অনুষ্ঠানে প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের কাছে অভিযোগ করেন, বাংলাদেশে ধর্মীয় সংখ্যালঘুরা মৌলবাদীদের নিপীড়নের শিকার হচ্ছেন। প্রায় ৩ কোটি ৭০ লাখ হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান নিখোঁজ হয়েছেন। তার নিজের বাড়িঘরও পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

তার ওই বক্তব্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয় দেশের বিভিন্ন মহলে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলছে, বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ‘ক্ষুণ্নের উদ্দেশ্যেই’ প্রিয়া সাহা ‘বানোয়াট ও কল্পিত অভিযোগ’ করেছেন। প্রিয়া সাহা ‘রাষ্ট্রদ্রোহিতার অপরাধ’ করেছেন মন্তব্য করে  তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

ট্রাম্পের কাছে কেন নালিশ করেছেন, জানালেন প্রিয়া সাহা

প্রতিবেদক নাম: স্টাফ রিপোর্টার: ,

প্রকাশের সময়ঃ ২১ জুলাই ২০১৯, ০৬:৩৬ পিএম

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে বাংলাদেশে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতনের ‘ভয়ঙ্কর’ অভিযোগের পর প্রথম প্রকাশ্যে এসে কারণ জানালেন বাংলাদেশ হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক প্রিয়া সাহা।বাংলাদেশের দলিত সম্প্রদায় নিয়ে করা এনজিও  ‘শারি’র  পরিচালক প্রিয়া। ‘শারি বাংলাদেশ’ এর ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় ট্রাম্পের কাছে নালিশের কারণ জানান প্রিয়া।

প্রিয়া সাহা বলেন, ‘আসলে এই কথাগুলো আমি কেন বলি, প্রথমে তো এই কথাগুলো মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কথা। ২০০১ সালে যখন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপরে নির্বাচনোত্তর চরম নির্যাতন চলছিল ৯৪ দিন ধরে তখন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আজকের প্রধানমন্ত্রী তখন বিরোধীদলীয় নেত্রী। তিনি সারা পৃথিবীতে বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের রক্ষা করার জন্য সারা পৃথিবীতে ঘুরেছেন। সমস্ত জায়গায় বক্তব্য দিয়েছেন। আমি তার কথায় অনুপ্রাণিত হয়ে তার অনুসরণে আমি বলেছি। যে কোনো অন্যায়ের বিরুদ্ধে,যে কোনো জায়গায় বলা যায় এটা আমি তার কাছে শিখেছি। তিনি বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের রক্ষা করার জন্য সারা পৃথিবীতে ঘুরেছেন। সমস্ত জায়গায় বক্তব্য দিয়েছেন। আমি তার কথায় অনুপ্রাণিত হয়ে তার অনুসরণ করেছি। যেকোনো অন্যায়ের বিরুদ্ধে যেকোনো জায়গায় যে কথা বলা যায়, এটা আমি তার কাছ থেকে শিখেছি।

প্রিয়া বলেন, ‘২০০১ সালে তখনকার সাম্প্রদায়িক সরকার সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর এবং আওয়ামী লীগের ওপরে যে চরম নির্যাতন চালিয়েছিল, তার বিরুদ্ধে বর্তমান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সারা পৃথিবীতে কীভাবে সংগ্রাম করেছেন সেটা আপনারা সবাই অবগত আছেন। ২০০১ সালের পরিসংখ্যান বইয়ের যে ধর্মীয় সংখ্যালঘুর চ্যাপ্টার রয়েছে সেখানে এ বিষয়গুলো লেখা রয়েছে।’

বাংলাদেশ হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক প্রিয়া সাহা গত ১৭ জুলাই হোয়াইট হাউসে এক অনুষ্ঠানে প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের কাছে অভিযোগ করেন, বাংলাদেশে ধর্মীয় সংখ্যালঘুরা মৌলবাদীদের নিপীড়নের শিকার হচ্ছেন। প্রায় ৩ কোটি ৭০ লাখ হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান নিখোঁজ হয়েছেন। তার নিজের বাড়িঘরও পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

তার ওই বক্তব্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয় দেশের বিভিন্ন মহলে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলছে, বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ‘ক্ষুণ্নের উদ্দেশ্যেই’ প্রিয়া সাহা ‘বানোয়াট ও কল্পিত অভিযোগ’ করেছেন। প্রিয়া সাহা ‘রাষ্ট্রদ্রোহিতার অপরাধ’ করেছেন মন্তব্য করে  তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।