২০, আগস্ট, ২০১৯, মঙ্গলবার | | ১৮ জ্বিলহজ্জ ১৪৪০


আউটসোর্সিং-ফ্রিল্যান্সিং এর নামে ট্রেইনিং প্রতারণা চলছে বাংলাদেশে!

রিপোর্টার নামঃ প্রতিদিনের কাগজ রিপোর্ট | আপডেট: ০৮ জুলাই ২০১৯, ০৯:০৩ পিএম

আউটসোর্সিং-ফ্রিল্যান্সিং এর নামে ট্রেইনিং প্রতারণা চলছে বাংলাদেশে!
আউটসোর্সিং-ফ্রিল্যান্সিং এর নামে ট্রেইনিং প্রতারণা চলছে বাংলাদেশে!

বর্তমান বেশ জমজমাট আউটসোর্সিং-ফ্রিল্যান্সিং এর নামে ট্রেইনিং প্রতারণা চলছে । বেশিরভাগ ট্রেনিং সেন্টার গুগল-ইউটিউব বা অন্যান্য ভাল মেন্টরের লেখা পড়ে মুখস্থ করে সেটা শেখানোর জন্য ট্রেনিং খুলে বসে।

একটু ভাবুন, আপনাকে সফল হওয়ার মেন্টরশিপ সে-ই দিতে পারবে, যে ঐ কাজে নিজে সফল। কিন্তু যে নিজেই কাজ করেনা বা করেনি, সে কি করে আপনাকে ট্রেইনিং দিতে পারবে?

আর যে দক্ষ, যে নিজে সফল, অনেক টাকা আয় করে, অনেক রেপুটেশন, সে কেন ট্রেনিং ব্যবসা করে ৫-১০ হাজার ইনকাম করতে আসবে? সে আরেকজনকে সফল করার মূল-মন্ত্র দিতে পারলে সে নিজে তো লক্ষ-লক্ষ আয় করার কথা। তার এত সময় কোথায়?

এসব ট্রেনিং সেন্টারের মালিক / ট্রেইনারদের ব্যাকগ্রাউন্ড খোঁজ নিলে দেখবেন, তারা নিজেরা অন্য ট্রেনিং সেন্টারে কোর্স করেছিল, নিজেরা ঐ কাজে দক্ষ হতে পারেনি, সফল হতে পারেনি। তো কি করবে? যা শিখেছে তা অন্যকে শিখিয়ে অনেক টাকা ইনকাম করা যায়, আর ট্রেনিং করার জন্য অর্থলোভী মানুষের তো দেশে অভাব নেই।

ব্যাঙের ছাতার মতো গড়ে উঠা ট্রেইনিং সেন্টার থেকে দূরে থাকুন, নিজে শেখার চেষ্টা করুন।

বাংলাদেশের ট্রেইনিং সেন্টার গুলো অবৈধ-সাইবারক্রাইমকে ফ্রিল্যান্সিং বলে চালিয়ে দেয়, আর এ সম্পর্কে জানেনা এমন ছেলে মেয়েদের কাজ করায় তাদের প্রতিষ্ঠানে।

যেমন :

ক্যাপচা এন্ট্রি, ফেসবুক ফেইক লাইক, পিটিসি , সি.পি.এ মার্কেটিং , ফরেক্স ট্রেডিং , Clicksense, trafficmonsoon , Bet365 আর এখন নতুন নতুন যুক্ত হচ্ছে অবৈধ-সাইবারক্রাইম ভিন্ন নামে ।

এগুলো পিওর সাইবারক্রাইম এবং অবৈধ। এগুলোর সাথে ফ্রিল্যান্সিং এর কোন যোগসূত্র নেই। বছর কয়েক আগে বাংলাদেশে ফ্রিল্যান্সিং এর নামে এসব অবৈধ কাজ হচ্ছে বলে বিশ্বের নামকরা কয়েকটি সংবাদপত্রে প্রতিবেদনও আসে।

বাংলাদেশের ৯০% আই টি প্রতিষ্ঠান বা যে সব প্রতিষ্ঠান আউটসোর্সিং ও ফ্রিলান্সিং কাজ শিখায় তারা ধান্দা বাজ ।

( আমি অনেক দিন ধরে এই বিষয় রিসার্চ করেছি )

কেননা সেই সব প্রতিষ্ঠানের মাস্টার ট্রেইনাররা কোনো মার্কেট থেকে জীবনে ১ ডলার ফ্রিলান্সিং করে ইনকাম করতে পারে নাই । তো আপনাদের কি শিখাবে তারা । তাই তো ধান্দা বাজ প্রতিষ্ঠান খুলে ধান্দা বাজি করে আপনাদের মতো সাধানর মানুষদের কাছ থেকে।

এই ধান্দা বাজি শুরু হয়ছে, বাংলাদেশে যেই দিন থেকে 3 জি নেট চালু হয়ছে ।

( থাক এই বিষয় আর কথা বলবো না )

এখন আসল কথা বলি । কে কে আই টি প্রতিষ্ঠানে গিয়ে , টাকা দিয়ে বিভিন্ন কোর্স এ ভর্তি হন। তার পর ভালো ভাবে তারা কাজ শিখাইতে পারে নাই বা এই সেই বলে কোর্স শেষ করে দিছে। আপনি ঠিক তাদের কাছ থেকে কোনো কাজই শিখতে পারেন নাই ।

হা হা হা শিখবেন কি ভাবে তারা তো কাজ জানে না ভালো এক্সপাট না। তাই শিখাইতে পারেন নাই ।

( তার মানে আপনার টাকা লছ বা বাঁশ খেলেন )

কিছু পরামর্শঃ

ট্রেইনিং সেন্টার থেকে দূরে থাকুন, নিজে শেখার চেষ্টা করুন।

ট্রেইনিং সেন্টারে যদি যেতেই হয়, তাদের ব্যাকগ্রাউন্ড, ট্রেক রেকর্ড চেক করুন। প্রয়োজনে এই খাতে সফল কারও পরামর্শ নিন।

অল্প দিনে অনেক টাকা আয় করার কথা যারা বলে তাদের থেকে দূরে থাকুন।

পুরোদমে ফ্রিল্যান্সিং করবেন, তবে ৩ বছরের বেশি না, এর পর উদ্যোক্তা হবার চেষ্টা করবেন।


ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার সঠিক পূর্নাঙ্গ গাইডলাইন সবার জন্য। 

লিংকে ক্লিক করুন


যদি ফ্রিল্যান্সার হতে চান ? সঠিক পূর্নাঙ্গ গাইডলাইন সবার জন্য। 

লিংকে ক্লিক করুন

এই গাইডলাইনের লেখক ও রিসার্চ তিনি ৮ বছর ধরে ফ্রিল্যান্সিং জগতে আছে, কিন্তু মূল ধারায় ফ্রিল্যান্সিং করেছেন ৫ বছর।

আর্টিকেল ক্রেডিট : চয়ন মোল্লা ও 10minuteschool.

আউটসোর্সিং-ফ্রিল্যান্সিং এর নামে ট্রেইনিং প্রতারণা চলছে বাংলাদেশে!

প্রতিবেদক নাম: প্রতিদিনের কাগজ রিপোর্ট ,

প্রকাশের সময়ঃ ০৮ জুলাই ২০১৯, ০৯:০৩ পিএম

বর্তমান বেশ জমজমাট আউটসোর্সিং-ফ্রিল্যান্সিং এর নামে ট্রেইনিং প্রতারণা চলছে । বেশিরভাগ ট্রেনিং সেন্টার গুগল-ইউটিউব বা অন্যান্য ভাল মেন্টরের লেখা পড়ে মুখস্থ করে সেটা শেখানোর জন্য ট্রেনিং খুলে বসে।

একটু ভাবুন, আপনাকে সফল হওয়ার মেন্টরশিপ সে-ই দিতে পারবে, যে ঐ কাজে নিজে সফল। কিন্তু যে নিজেই কাজ করেনা বা করেনি, সে কি করে আপনাকে ট্রেইনিং দিতে পারবে?

আর যে দক্ষ, যে নিজে সফল, অনেক টাকা আয় করে, অনেক রেপুটেশন, সে কেন ট্রেনিং ব্যবসা করে ৫-১০ হাজার ইনকাম করতে আসবে? সে আরেকজনকে সফল করার মূল-মন্ত্র দিতে পারলে সে নিজে তো লক্ষ-লক্ষ আয় করার কথা। তার এত সময় কোথায়?

এসব ট্রেনিং সেন্টারের মালিক / ট্রেইনারদের ব্যাকগ্রাউন্ড খোঁজ নিলে দেখবেন, তারা নিজেরা অন্য ট্রেনিং সেন্টারে কোর্স করেছিল, নিজেরা ঐ কাজে দক্ষ হতে পারেনি, সফল হতে পারেনি। তো কি করবে? যা শিখেছে তা অন্যকে শিখিয়ে অনেক টাকা ইনকাম করা যায়, আর ট্রেনিং করার জন্য অর্থলোভী মানুষের তো দেশে অভাব নেই।

ব্যাঙের ছাতার মতো গড়ে উঠা ট্রেইনিং সেন্টার থেকে দূরে থাকুন, নিজে শেখার চেষ্টা করুন।

বাংলাদেশের ট্রেইনিং সেন্টার গুলো অবৈধ-সাইবারক্রাইমকে ফ্রিল্যান্সিং বলে চালিয়ে দেয়, আর এ সম্পর্কে জানেনা এমন ছেলে মেয়েদের কাজ করায় তাদের প্রতিষ্ঠানে।

যেমন :

ক্যাপচা এন্ট্রি, ফেসবুক ফেইক লাইক, পিটিসি , সি.পি.এ মার্কেটিং , ফরেক্স ট্রেডিং , Clicksense, trafficmonsoon , Bet365 আর এখন নতুন নতুন যুক্ত হচ্ছে অবৈধ-সাইবারক্রাইম ভিন্ন নামে ।

এগুলো পিওর সাইবারক্রাইম এবং অবৈধ। এগুলোর সাথে ফ্রিল্যান্সিং এর কোন যোগসূত্র নেই। বছর কয়েক আগে বাংলাদেশে ফ্রিল্যান্সিং এর নামে এসব অবৈধ কাজ হচ্ছে বলে বিশ্বের নামকরা কয়েকটি সংবাদপত্রে প্রতিবেদনও আসে।

বাংলাদেশের ৯০% আই টি প্রতিষ্ঠান বা যে সব প্রতিষ্ঠান আউটসোর্সিং ও ফ্রিলান্সিং কাজ শিখায় তারা ধান্দা বাজ ।

( আমি অনেক দিন ধরে এই বিষয় রিসার্চ করেছি )

কেননা সেই সব প্রতিষ্ঠানের মাস্টার ট্রেইনাররা কোনো মার্কেট থেকে জীবনে ১ ডলার ফ্রিলান্সিং করে ইনকাম করতে পারে নাই । তো আপনাদের কি শিখাবে তারা । তাই তো ধান্দা বাজ প্রতিষ্ঠান খুলে ধান্দা বাজি করে আপনাদের মতো সাধানর মানুষদের কাছ থেকে।

এই ধান্দা বাজি শুরু হয়ছে, বাংলাদেশে যেই দিন থেকে 3 জি নেট চালু হয়ছে ।

( থাক এই বিষয় আর কথা বলবো না )

এখন আসল কথা বলি । কে কে আই টি প্রতিষ্ঠানে গিয়ে , টাকা দিয়ে বিভিন্ন কোর্স এ ভর্তি হন। তার পর ভালো ভাবে তারা কাজ শিখাইতে পারে নাই বা এই সেই বলে কোর্স শেষ করে দিছে। আপনি ঠিক তাদের কাছ থেকে কোনো কাজই শিখতে পারেন নাই ।

হা হা হা শিখবেন কি ভাবে তারা তো কাজ জানে না ভালো এক্সপাট না। তাই শিখাইতে পারেন নাই ।

( তার মানে আপনার টাকা লছ বা বাঁশ খেলেন )

কিছু পরামর্শঃ

ট্রেইনিং সেন্টার থেকে দূরে থাকুন, নিজে শেখার চেষ্টা করুন।

ট্রেইনিং সেন্টারে যদি যেতেই হয়, তাদের ব্যাকগ্রাউন্ড, ট্রেক রেকর্ড চেক করুন। প্রয়োজনে এই খাতে সফল কারও পরামর্শ নিন।

অল্প দিনে অনেক টাকা আয় করার কথা যারা বলে তাদের থেকে দূরে থাকুন।

পুরোদমে ফ্রিল্যান্সিং করবেন, তবে ৩ বছরের বেশি না, এর পর উদ্যোক্তা হবার চেষ্টা করবেন।


ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার সঠিক পূর্নাঙ্গ গাইডলাইন সবার জন্য। 

লিংকে ক্লিক করুন


যদি ফ্রিল্যান্সার হতে চান ? সঠিক পূর্নাঙ্গ গাইডলাইন সবার জন্য। 

লিংকে ক্লিক করুন

এই গাইডলাইনের লেখক ও রিসার্চ তিনি ৮ বছর ধরে ফ্রিল্যান্সিং জগতে আছে, কিন্তু মূল ধারায় ফ্রিল্যান্সিং করেছেন ৫ বছর।

আর্টিকেল ক্রেডিট : চয়ন মোল্লা ও 10minuteschool.