১৮, আগস্ট, ২০১৯, রোববার | | ১৬ জ্বিলহজ্জ ১৪৪০


ভুলক্রমে অজু ছাড়া নামাজ পড়লে করণীয় কি?

রিপোর্টার নামঃ ধর্ম ডেস্ক: | আপডেট: ০৭ জুলাই ২০১৯, ১২:১৬ এএম

ভুলক্রমে অজু ছাড়া নামাজ পড়লে করণীয় কি?
ভুলক্রমে অজু ছাড়া নামাজ পড়লে করণীয় কি?

অজু ছাড়া নামাজ হয় না; বিষয়টি আমার জানা আছে। কিন্তু কখনো কখনো নামাজ শেষে আমার মনে পড়ে যে, আমি অজু ছাড়া নামাজ পড়েছি। এক্ষেত্রে আমার করণীয় কী? অজু করে নতুনভাবে আবার নামাজ পড়বো?

উত্তর: এক্ষেত্রে আপনার ওপর ওয়াজিব (আবশ্যক করণীয়) হলো, অজু করে পুনরায় নামাজ আদায় করা। ফিকাহবিদরা এ অভিমতের ওপর ঐক্যমত প্রকাশ করেছেন। কারণ পবিত্রতা নামাজ শুদ্ধ হওয়ার পূর্বশর্ত। হাদিসে রাসুল (সা.) বলেন, ‘তোমাদের কারো যদি অজু ভেঙে যায়, তাহলে পুনরায় অজু করার আগ পর্যন্ত আল্লাহ তাআলা তার নামাজ কবুল করেন না।’ (বুখারি, হাদিস নং: ৬৯৫৪; মুসলিম, হাদিস নং: ২২৫)

আব্দুল্লাহ ইবনে উমর (রা.) বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে বলতে শুনেছি, ‘পবিত্রতা ছাড়া কোনো নামাজ কবুল করা হয় না।’ (মুসলিম, হাদিস নং: ২২৪) 

প্রখ্যাত হাদিসবিশারদ ও ফিকাহবিদ ইমাম শরফ আন-নববি (রহ.) বলেন, ‘অজুহীন ব্যক্তির জন্য নামাজ পড়া হারাম; এ ব্যাপারে আলেম-উলামারা একমত হয়েছেন। তারা এ ব্যাপারেও ঐক্যমত প্রকাশ করেছেন যে, এমন ব্যক্তির নামাজ শুদ্ধ হবে না; অজু না থাকা সম্পর্কে সে অবগত থাকুক কিংবা অজ্ঞ হোক। কিংবা অজু না থাকার কথা ভুলে গিয়ে থাকুক। তবে সে যদি একদম অজ্ঞ হয় কিংবা পুরোপুরি ভুলে গিয়ে থাকে, তাহলে তার কোনো গুনাহ হবে না।

আর যদি তার অজু না-থাকার বিষয়টি ও অজু ছাড়া নামাজ হারাম হওয়ার বিষয়টি জেনেও সে নামাজ পড়ে এবং পড়ে থাকলে পুনরায় আদায় না করে, তাহলে সে জঘন্য গুনাহে লিপ্ত।’ (আল-মাজমু, খণ্ড: ২, পৃষ্ঠা: ৭৯)

ভুলক্রমে অজু ছাড়া নামাজ পড়লে করণীয় কি?

প্রতিবেদক নাম: ধর্ম ডেস্ক: ,

প্রকাশের সময়ঃ ০৭ জুলাই ২০১৯, ১২:১৬ এএম

অজু ছাড়া নামাজ হয় না; বিষয়টি আমার জানা আছে। কিন্তু কখনো কখনো নামাজ শেষে আমার মনে পড়ে যে, আমি অজু ছাড়া নামাজ পড়েছি। এক্ষেত্রে আমার করণীয় কী? অজু করে নতুনভাবে আবার নামাজ পড়বো?

উত্তর: এক্ষেত্রে আপনার ওপর ওয়াজিব (আবশ্যক করণীয়) হলো, অজু করে পুনরায় নামাজ আদায় করা। ফিকাহবিদরা এ অভিমতের ওপর ঐক্যমত প্রকাশ করেছেন। কারণ পবিত্রতা নামাজ শুদ্ধ হওয়ার পূর্বশর্ত। হাদিসে রাসুল (সা.) বলেন, ‘তোমাদের কারো যদি অজু ভেঙে যায়, তাহলে পুনরায় অজু করার আগ পর্যন্ত আল্লাহ তাআলা তার নামাজ কবুল করেন না।’ (বুখারি, হাদিস নং: ৬৯৫৪; মুসলিম, হাদিস নং: ২২৫)

আব্দুল্লাহ ইবনে উমর (রা.) বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে বলতে শুনেছি, ‘পবিত্রতা ছাড়া কোনো নামাজ কবুল করা হয় না।’ (মুসলিম, হাদিস নং: ২২৪) 

প্রখ্যাত হাদিসবিশারদ ও ফিকাহবিদ ইমাম শরফ আন-নববি (রহ.) বলেন, ‘অজুহীন ব্যক্তির জন্য নামাজ পড়া হারাম; এ ব্যাপারে আলেম-উলামারা একমত হয়েছেন। তারা এ ব্যাপারেও ঐক্যমত প্রকাশ করেছেন যে, এমন ব্যক্তির নামাজ শুদ্ধ হবে না; অজু না থাকা সম্পর্কে সে অবগত থাকুক কিংবা অজ্ঞ হোক। কিংবা অজু না থাকার কথা ভুলে গিয়ে থাকুক। তবে সে যদি একদম অজ্ঞ হয় কিংবা পুরোপুরি ভুলে গিয়ে থাকে, তাহলে তার কোনো গুনাহ হবে না।

আর যদি তার অজু না-থাকার বিষয়টি ও অজু ছাড়া নামাজ হারাম হওয়ার বিষয়টি জেনেও সে নামাজ পড়ে এবং পড়ে থাকলে পুনরায় আদায় না করে, তাহলে সে জঘন্য গুনাহে লিপ্ত।’ (আল-মাজমু, খণ্ড: ২, পৃষ্ঠা: ৭৯)